Madhyamik Parsad Test Paper 2026 History Page 149 Solution | Madhyamik 2026 History Suggestion & Test Paper Solve
byMadhyamik Guide Official-
0
Web Teacher - History Suggestion 2026
মাধ্যমিক ২০২৬ পরীক্ষার সময়সীমা
00Days
00Hours
00Minutes
00Seconds
TAPSIKHATA HIGH SCHOOL (H.S) - HISTORY
এই পেজে আমরা মাধ্যমিক টেস্ট পেপার ২০২৫-২৬ এর অন্তর্গত 'তাপসিখাতা হাই স্কুল (উঃ মাঃ)'-এর ইতিহাসের প্রশ্নপত্রের (পৃষ্ঠা ১৪৯) সম্পূর্ণ সমাধান নিয়ে আলোচনা করেছি। এখানে বিভাগ 'ক' (MCQ), বিভাগ 'খ' (SAQ, সত্য/মিথ্যা, স্তম্ভ মেলানো, বিবৃতি) এবং বিভাগ 'গ' (২ নম্বরের প্রশ্ন)-এর প্রতিটি প্রশ্নের সঠিক ও নির্ভুল উত্তর দেওয়া হয়েছে। ২০২৬ সালের মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের জন্য এই সেটটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিটি উত্তর টেস্ট পেপারের উত্তরমালা এবং পাঠ্যবই যাচাই করে তৈরি করা হয়েছে যাতে তোমাদের প্রস্তুতিতে কোনো খামতি না থাকে।
Overview & Solution Guide
This page provides a comprehensive solution for the History Test Paper (Page 149) of 'Tapsikhata High School (H.S)' for the Madhyamik 2026 examination. We have covered all sections including MCQ (Group A), SAQ, True/False, Match the Columns, Statements (Group B), and 2-mark questions (Group C). Each answer has been meticulously verified with the official key and standard textbooks to ensure accuracy. Practicing this set will significantly boost your confidence and help you score better in the upcoming board exams.
উত্তর: ফটোগ্রাফ বা আলোকচিত্র সবসময় নিরপেক্ষ হয় না কারণ ফটোগ্রাফারের ব্যক্তিগত দৃষ্টিভঙ্গি ও মানসিকতা ছবি তোলার ওপর প্রভাব ফেলে। এছাড়া আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে ছবিকে বিকৃত বা পরিবর্তন করা সম্ভব, তাই একে পুরোপুরি নিরপেক্ষ ঐতিহাসিক উপাদান বলা যায় না।
উত্তর: নারী ইতিহাস চর্চার প্রধান উদ্দেশ্য হলো ইতিহাসের পাতায় নারীদের ভূমিকা ও অবদানকে যথাযথ মর্যাদা দেওয়া। এতদিন ইতিহাসে নারীদের উপেক্ষা করা হতো, তাই নতুন সামাজিক ইতিহাসে সমাজ, সংস্কৃতি ও রাজনীতিতে নারীদের অংশগ্রহণ ও তাদের অধিকারের লড়াইকে তুলে ধরা হয়।
উত্তর: ১৮১৭ খ্রিস্টাব্দে ডেভিড হেয়ার ও অন্যান্যদের উদ্যোগে ক্যালকাটা স্কুল বুক সোসাইটি প্রতিষ্ঠিত হয়। এর উদ্দেশ্য ছিল ইংরেজি ও বাংলা ভাষায় উন্নতমানের পাঠ্যপুস্তক রচনা, প্রকাশ এবং ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে সুলভে বা বিনামূল্যে বিতরণ করা, যাতে পাশ্চাত্য শিক্ষার প্রসার ঘটে।
উত্তর: হাজি মহম্মদ মহসিন ছিলেন একজন মহান দানবীর ও শিক্ষানুরাগী। তিনি তাঁর বিপুল সম্পত্তি জনকল্যাণে ও শিক্ষার প্রসারে দান করে যান। তাঁর অর্থে হুগলি মহসিন কলেজ, ইমামবাড়া এবং বহু বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়। দুঃস্থ ছাত্রদের শিক্ষার জন্য তিনি 'মহসিন ফান্ড' গঠন করেছিলেন।
উত্তর: অষ্টাদশ শতকের শেষদিকে মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, বীরভূম ও ধলভূমগড়ের অরণ্য-অধ্যুষিত অঞ্চলকে একত্রে 'জঙ্গলমহল' বলা হতো। চুয়াড় বিদ্রোহের পর ১৮০৫ খ্রিস্টাব্দে ব্রিটিশ সরকার প্রশাসনিক সুবিধার জন্য এই অঞ্চলটিকে পৃথক জেলা হিসেবে গঠন করে।
উত্তর: ফরাজি আন্দোলনের সূচনা হয়েছিল ইসলাম ধর্মের সংস্কারের উদ্দেশ্যে হাজি শরিয়ত উল্লাহর নেতৃত্বে। কিন্তু পরবর্তীকালে দুদুমিয়াঁর নেতৃত্বে এটি জমিদার ও নীলকর সাহেবদের অত্যাচার এবং ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে একটি শক্তিশালী কৃষক ও রাজনৈতিক আন্দোলনে পরিণত হয়। তাই এটি নিছক ধর্মীয় আন্দোলন ছিল না।
উত্তর: মহাবিদ্রোহের পর ১৮৫৮ খ্রিস্টাব্দে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে যে আইন পাশ হয়, তাকে 'ভারত শাসন আইন' বা 'অ্যাক্ট ফর দ্য বেটার গভর্নমেন্ট অফ ইন্ডিয়া' বলে। এই আইনের মাধ্যমে ভারতে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনের অবসান ঘটে এবং শাসনভার সরাসরি ব্রিটিশ মহারানি ভিক্টোরিয়ার হাতে ন্যস্ত হয়।
উত্তর: হিন্দু মেলার প্রধান সীমাবদ্ধতা ছিল এর সাম্প্রদায়িক দৃষ্টিভঙ্গি। এটি কেবল হিন্দু ধর্মের গৌরব ও ঐতিহ্য প্রচারে ব্রতী ছিল, ফলে মুসলিম ও অন্যান্য সম্প্রদায় এর থেকে দূরে সরে ছিল। এছাড়া এটি মূলত শহরের উচ্চবিত্ত ও শিক্ষিত শ্রেণির মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল, সাধারণ মানুষের সাথে এর যোগসূত্র ছিল কম।
উত্তর: জাইলোগ্রাফি বা উড ব্লক প্রিন্টিং হলো মুদ্রণের একটি প্রাচীন পদ্ধতি, যেখানে কাঠের ব্লকের ওপর অক্ষর বা নকশা খোদাই করে তাতে কালি লাগিয়ে কাগজে ছাপ দেওয়া হতো। চীনে এর উদ্ভব হলেও শ্রীরামপুর মিশনে পঞ্চানন কর্মকার ও অন্যরা এই পদ্ধতির ব্যবহার করেছিলেন।
উত্তর: বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনের সময় ব্রিটিশ প্রবর্তিত শিক্ষাব্যবস্থা বর্জন করে স্বদেশি ধাঁচে শিক্ষা দেওয়ার জন্য ১৯০৬ সালে জাতীয় শিক্ষা পরিষদ (NCE) গঠিত হয়। এর উদ্দেশ্য ছিল সাহিত্য, বিজ্ঞান ও কারিগরি শিক্ষার প্রসার ঘটিয়ে ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে দেশপ্রেম জাগিয়ে তোলা এবং স্বনির্ভর জাতি গঠন করা।
উত্তর: ১৯২১ সালে কেরালার মালাবার উপকূলে মোপলা বিদ্রোহের প্রধান কারণ ছিল হিন্দু জমিদারদের (জেনমি) দ্বারা দরিদ্র মুসলিম কৃষকদের ওপর শোষণ ও অত্যাচার। এছাড়া খিলাফত আন্দোলনের প্রভাবে এবং ব্রিটিশ বিরোধী মনোভাবের কারণে এই বিদ্রোহ তীব্র আকার ধারণ করেছিল।
উত্তর: ১৯২৯ খ্রিস্টাব্দে ব্রিটিশ সরকার ভারতে শ্রমিকদের অবস্থা পর্যালোচনা এবং তাদের অসন্তোষের কারণ অনুসন্ধানের জন্য জন হুইটলি-র নেতৃত্বে যে কমিশন গঠন করে, তা হুইটলি কমিশন নামে পরিচিত। এই কমিশন শ্রমিকদের কাজের পরিবেশ ও মজুরি সংক্রান্ত সুপারিশ পেশ করেছিল।
উত্তর: লবণ মানুষের নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য, অথচ ব্রিটিশ সরকার এর ওপর চড়া কর বসিয়েছিল এবং লবণ তৈরির একচেটিয়া অধিকার নিজের হাতে রেখেছিল। এই অন্যায়ের প্রতিবাদে এবং সর্বস্তরের মানুষকে আন্দোলনে শামিল করতে গান্ধীজি লবণ আইন ভঙ্গের মাধ্যমে আইন অমান্য আন্দোলনের সূচনা করেন।
উত্তর: ১৯১৬ খ্রিস্টাব্দে মাদ্রাজে (বর্তমান চেন্নাই) টি.এম. নায়ার, পি. থ্যাগরাজ চেট্টি এবং সি.এন. মুদালিয়ার প্রমুখ অব্রাহ্মণ নেতারা মিলে 'সাউথ ইন্ডিয়ান লিবারেল ফেডারেশন' বা জাস্টিস পার্টি প্রতিষ্ঠা করেন। এর উদ্দেশ্য ছিল অব্রাহ্মণদের সামাজিক ও রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করা।
উত্তর: সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলকে ভারতের 'লৌহমানব' বলা হয়। স্বাধীনতার পর তিনি অত্যন্ত দৃঢ়তা ও বিচক্ষণতার সঙ্গে ৫৬৫টি দেশীয় রাজ্যকে ভারতের সঙ্গে যুক্ত করে ভারতের অখণ্ডতা ও ঐক্য সুনিশ্চিত করেছিলেন। তাঁর এই কঠোর ও আপসহীন মনোভাবের জন্যই তাঁকে এই উপাধি দেওয়া হয়।
৩.১৬ উদ্বাস্তু সমস্যার ক্ষেত্রে পাঞ্জাব ও বাংলায় চরিত্রগত কী পার্থক্য ছিল?
উত্তর: পাঞ্জাবের ক্ষেত্রে উদ্বাস্তু সমস্যা ছিল মূলত এককালীন ও দ্বিপাক্ষিক বিনিময় ভিত্তিক (Exchange of Population), যেখানে হিন্দু-শিখরা ভারতে এবং মুসলিমরা পাকিস্তানে চলে যায়। কিন্তু বাংলার ক্ষেত্রে উদ্বাস্তু আগমন ছিল একতরফা এবং দীর্ঘস্থায়ী। পূর্ব পাকিস্তান থেকে হিন্দুরা দলে দলে ভারতে এলেও, পশ্চিমবঙ্গ থেকে মুসলিমরা সেভাবে পাকিস্তানে যায়নি। তাই বাংলার সমস্যা ছিল অনেক বেশি জটিল ও দীর্ঘমেয়াদী।
বিভাগ 'ঘ' : সাত বা আটটি বাক্যে প্রতিটি উপবিভাগ থেকে অন্তত ১টি করে মোট ৬টি প্রশ্নের উত্তর দাও (৪ x ৬ = ২৪)
৪.১.১ হুতোম প্যাঁচার নকশা গ্রন্থে উনিশ শতকের বাংলার কীরূপ সমাজচিত্র পাওয়া যায়?
উত্তর: কালীপ্রসন্ন সিংহ রচিত 'হুতোম প্যাঁচার নকশা' (১৮৬২) বাংলা সাহিত্যের একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ ব্যঙ্গ-বিদ্রুপাত্মক রচনা। এই গ্রন্থে উনিশ শতকের কলকাতার বাবু সমাজের অবক্ষয়িত রূপ ফুটে উঠেছে। লেখক 'হুতোম' ছদ্মনামে তৎকালীন নব্য ধনী বাবুদের ভণ্ডামি, মিথ্যাচার, এবং ব্রিটিশদের অন্ধ অনুকরণকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেছেন। চড়ক পূজা, বারোয়ারি পূজা এবং বিভিন্ন উৎসবে বাবুদের মদ্যপান ও বাইজি নাচের আসরের বর্ণনা দিয়ে তিনি দেখিয়েছেন যে কীভাবে অর্থ অপচয় হতো। সমাজ সংস্কারের নামে যে ভণ্ডামি চলত, তারও সমালোচনা করেছেন তিনি। ইংরেজি শিক্ষিত নব্য যুবকদের পাশাপাশি রক্ষণশীল সমাজের কুসংস্কারও তাঁর লেখায় উঠে এসেছে। মূলত, কলকাতার নাগরিক জীবনের অন্তঃসারশূন্যতা এবং নৈতিক অবক্ষয়ের এক বাস্তব দলিল হলো এই গ্রন্থ।
উত্তর: উনিশ শতকে বাংলায় যে নবজাগরণ হয়েছিল, তার কিছু সীমাবদ্ধতা ছিল। ১) শহরকেন্দ্রিকতা: এই নবজাগরণ মূলত কলকাতা ও তার পার্শ্ববর্তী শহরাঞ্চলেই সীমাবদ্ধ ছিল। গ্রামবাংলার বিশাল জনগোষ্ঠীর ওপর এর বিশেষ প্রভাব পড়েনি। ২) উচ্চবিত্তের আন্দোলন: এই জাগরণ ছিল মূলত ইংরেজি শিক্ষিত উচ্চবিত্ত ও মধ্যবিত্ত ভদ্রলোকদের আন্দোলন। নিম্নবর্গের কৃষক, শ্রমিক ও সাধারণ মানুষ এর আওতার বাইরে ছিল। ৩) সাম্প্রদায়িকতা: এই নবজাগরণ ছিল মূলত হিন্দু ধর্ম ও সংস্কৃতি কেন্দ্রিক। মুসলিম সমাজ এই আন্দোলনের সাথে সেভাবে যুক্ত হতে পারেনি, ফলে সাম্প্রদায়িক ঐক্যের অভাব ছিল। ৪) ব্রিটিশ নির্ভরতা: নবজাগরণের নেতারা ব্রিটিশ শাসনকে 'ঐশ্বরিক আশীর্বাদ' মনে করতেন এবং ব্রিটিশদের সহযোগিতায় সংস্কার করতে চাইতেন, যা তাদের জাতীয়তাবাদী চেতনাকে সীমাবদ্ধ করে রেখেছিল।
উত্তর: ১৮৫৫-৫৬ খ্রিস্টাব্দের সাঁওতাল বিদ্রোহ বা 'হুল' ছিল ব্রিটিশ বিরোধী এক শক্তিশালী আদিবাসী অভ্যুত্থান। এর প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলি হলো: ১) ব্যাপকতা: এই বিদ্রোহ কেবল সাঁওতাল পরগনায় সীমাবদ্ধ ছিল না, বীরভূম, বাঁকুড়া, হাজারিবাগ সহ বিস্তীর্ণ অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছিল। ২) গণচরিত্র: সাঁওতালদের সাথে কামার, কুমোর, তাঁতি, ডোম সহ নিম্নবর্গের অ-উপজাতি হিন্দু ও মুসলিমরাও এই বিদ্রোহে যোগ দিয়েছিল, ফলে এটি গণবিদ্রোহের রূপ নেয়। ৩) ব্রিটিশ ও জমিদার বিরোধী: এই বিদ্রোহ ছিল একাধারে অত্যাচারী জমিদার, মহাজন এবং ব্রিটিশ শাসক ও তাদের পুলিশ-প্রশাসনের বিরুদ্ধে। ৪) আদিম অস্ত্রশস্ত্র: বিদ্রোহীরা তাদের চিরাচরিত তির-ধনুক, টাঙ্গি ও বর্শা নিয়ে ব্রিটিশদের আধুনিক আগ্নেয়াস্ত্রের মোকাবিলা করেছিল। ৫) নিজস্ব শাসন: বিদ্রোহীরা ব্রিটিশ শাসন অস্বীকার করে নিজস্ব স্বাধীন সাঁওতাল রাজ্য প্রতিষ্ঠার ঘোষণা করেছিল।
উত্তর: বাংলায় তিতুমীরের নেতৃত্বে পরিচালিত ওয়াহাবি আন্দোলন বা বারাসাত বিদ্রোহের প্রকৃতি নিয়ে ঐতিহাসিকদের মধ্যে মতভেদ আছে। ১) ধর্মীয় আন্দোলন: অনেকে একে ইসলাম ধর্মের শুদ্ধিকরণের আন্দোলন বা ধর্মীয় আন্দোলন বলেন, কারণ তিতুমীর ইসলামি অনুশাসন মেনে চলার ডাক দিয়েছিলেন। ২) কৃষক বিদ্রোহ: ড. নরহরি কবিরাজ প্রমুখের মতে, এটি ছিল মূলত জমিদার ও নীলকরদের শোষণের বিরুদ্ধে দরিদ্র মুসলিম কৃষকদের সংগ্রাম। হিন্দু-মুসলিম উভয় সম্প্রদায়ের কৃষকরাই এতে যোগ দিয়েছিল। ৩) ব্রিটিশ বিরোধী সংগ্রাম: তিতুমীর বাঁশের কেল্লা তৈরি করে নিজেকে 'বাদশা' ঘোষণা করেন এবং ব্রিটিশ শাসনের অবসানের ডাক দেন, যা একে রাজনৈতিক ও স্বাধীনতা সংগ্রামের রূপ দেয়। প্রকৃতপক্ষে, এটি ছিল ধর্মীয় ভাবাদর্শে পুষ্ট এক ব্রিটিশ ও জমিদার বিরোধী কৃষক অভ্যুত্থান।
৪.৩.১ কারিগরি শিক্ষার বিকাশে বেঙ্গল টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউটের ভূমিকা কী ছিল?
উত্তর: স্বদেশি আন্দোলনের সময় কারিগরি শিক্ষার প্রসারে 'বেঙ্গল টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউট' (BTI) বা 'বঙ্গীয় কলা সংসদ' (১৯০৬) অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তারকনাথ পালিতের অর্থানুকূল্যে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। এর উদ্দেশ্য ছিল দেশীয় প্রযুক্তিতে স্বনির্ভরতা অর্জন করা এবং ছাত্রদের কারিগরি বিদ্যায় দক্ষ করে তোলা। এখানে মেকানিক্যাল, ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, সার্ভে, এবং বিভিন্ন বৃত্তিমূলক শিক্ষা যেমন সাবান তৈরি, চর্মশিল্প, বয়নশিল্প ইত্যাদি শেখানো হতো। প্রমথনাথ বসু ছিলেন এর প্রথম অধ্যক্ষ। পরবর্তীকালে ১৯১০ সালে এটি জাতীয় শিক্ষা পরিষদের সাথে যুক্ত হয় এবং যাদবপুর ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে রূপান্তরিত হয়। ভারতের আধুনিক কারিগরি শিক্ষার ইতিহাসে BTI ছিল এক পথিকৃৎ প্রতিষ্ঠান।
৪.৩.২ বিশ্বভারতী প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শিক্ষাচিন্তার পরিচয় দাও।
উত্তর: ১৯২১ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শান্তিনিকেতনে 'বিশ্বভারতী' প্রতিষ্ঠা করেন। তাঁর শিক্ষাচিন্তার মূল কথা ছিল প্রকৃতির সান্নিধ্যে মুক্ত পরিবেশে আনন্দময় শিক্ষা। তিনি চার দেওয়ালের মধ্যে আবদ্ধ পুঁথিগত শিক্ষার বিরোধী ছিলেন। বিশ্বভারতীতে তিনি প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য শিক্ষার মেলবন্ধন ঘটাতে চেয়েছিলেন। তাঁর লক্ষ্য ছিল—"যত্র বিশ্বং ভবত্যেকনীড়ম্" অর্থাৎ যেখানে বিশ্ব একটি নীড়ে পরিণত হয়। এখানে সাহিত্য, শিল্পকলা, সঙ্গীত ও নৃত্যের পাশাপাশি বিজ্ঞান ও কারিগরি শিক্ষার ব্যবস্থা ছিল। তিনি চেয়েছিলেন শিক্ষা কেবল জীবিকা অর্জনের উপায় হবে না, বরং তা মানুষের সর্বাঙ্গীন বিকাশ ঘটাবে এবং বিশ্বমানবতার আদর্শে তাকে উদ্বুদ্ধ করবে। সৃজনশীলতা ও স্বাধীনতার ওপর ভিত্তি করেই তিনি এই প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছিলেন।
৪.৪.১ বিংশ শতাব্দীর ভারতে নারী আন্দোলনের চরিত্র আলোচনা করো।
উত্তর: বিংশ শতাব্দীর ভারতে নারী আন্দোলনের চরিত্র ছিল বৈচিত্র্যময় ও ব্যাপক। ১) প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ: স্বদেশি, অসহযোগ, আইন অমান্য ও ভারত ছাড়ো আন্দোলনে নারীরা ঘর ছেড়ে রাজপথে নেমে আসেন। তাঁরা মিছিলে হাঁটা, পিকেটিং করা, চরকা কাটা এবং বিলিতি পণ্য বর্জনে সক্রিয় ভূমিকা নেন। ২) সশস্ত্র সংগ্রাম: প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার, কল্পনা দত্ত, বীণা দাস প্রমুখ নারীরা সশস্ত্র বিপ্লবী আন্দোলনে যোগ দিয়ে অসামান্য বীরত্বের পরিচয় দেন। ৩) সংগঠন: নারীরা বিভিন্ন সংগঠন যেমন 'দীপালি সংঘ', 'নারী সত্যাগ্রহ সমিতি' গড়ে তুলে নিজেদের সংঘবদ্ধ করেন। ৪) সামাজিক ভিত্তি: প্রথমদিকে কেবল উচ্চবিত্ত ও শিক্ষিত নারীরা আন্দোলনে এলেও, পরে গান্ধীজির আহ্বানে কৃষক ও সাধারণ পরিবারের নারীরাও এতে যোগ দেন। মাতঙ্গিনী হাজরার আত্মত্যাগ এর প্রমাণ। তবে এই আন্দোলনে নারীদের নিজস্ব অধিকারের চেয়ে জাতীয় মুক্তিই বেশি প্রাধান্য পেয়েছিল।
৪.৪.২ দলিত আন্দোলন বিষয়ে গান্ধী-আম্বেদকর বিতর্ক নিয়ে আলোচনা করো।
উত্তর: দলিতদের অধিকার ও রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব নিয়ে মহাত্মা গান্ধী ও ড. বি.আর. আম্বেদকরের মধ্যে তীব্র বিতর্ক হয়েছিল। আম্বেদকর দলিতদের জন্য 'পৃথক নির্বাচকমণ্ডলী' (Separate Electorate) দাবি করেন, যাতে দলিতরা তাদের নিজস্ব প্রতিনিধি নির্বাচন করতে পারে। ১৯৩২ সালে ব্রিটিশ সরকার 'সাম্প্রদায়িক বাঁটোয়ারা' নীতিতে এই দাবি মেনে নিলে গান্ধীজি এর বিরোধিতা করেন। গান্ধীজির মতে, এতে হিন্দু সমাজ বিভক্ত হয়ে যাবে এবং অস্পৃশ্যতা দূরীকরণের আন্দোলন ব্যাহত হবে। তিনি এর প্রতিবাদে যারবেদা জেলে আমরণ অনশন শুরু করেন। শেষপর্যন্ত চাপে পড়ে আম্বেদকর নতিস্বীকার করেন এবং গান্ধীজির সাথে 'পুনা চুক্তি' (১৯৩২) স্বাক্ষর করেন। এই চুক্তিতে পৃথক নির্বাচনের বদলে দলিতদের জন্য আইনসভায় আসন সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়। এটিই গান্ধী-আম্বেদকর বিতর্ক নামে পরিচিত।
আমাদের প্রকাশিত বইসমূহ
ইতিহাস সাজেশন
₹30
ভূগোল সাজেশন
₹30
গণিত সাজেশন
₹30
জীবন বিজ্ঞান সাজেশন
₹30
ভৌত বিজ্ঞান সাজেশন
₹30
English Suggestion
₹30
বাংলা সাজেশান
₹30
ইতিহাস সাজেশন
₹30
৫। পনেরোটি বা ষোলোটি বাক্যে যে কোনো একটি প্রশ্নের উত্তর দাও: (৮ x ১ = ৮)
৫.১ উনিশ শতকে বাংলায় সমাজ সংস্কারে ব্রাহ্মসমাজের উদ্যোগ আলোচনা কর। ব্রাহ্মসমাজের বিভাজনের কারণ কী?
উত্তর: উনিশ শতকে বাংলার সমাজ সংস্কার আন্দোলনে ব্রাহ্মসমাজের ভূমিকা ছিল অগ্রগণ্য। রাজা রামমোহন রায় প্রতিষ্ঠিত এই সমাজ কুসংস্কারের অন্ধকারে আচ্ছন্ন হিন্দু সমাজকে আলোর পথ দেখিয়েছিল।
**সমাজ সংস্কারে উদ্যোগ:** ১) সতীদাহ প্রথা রদ: রাজা রামমোহন রায়ের প্রচেষ্টাতেই ১৮২৯ সালে সতীদাহ প্রথা নিষিদ্ধ হয়। ২) নারী শিক্ষা ও মুক্তি: কেশবচন্দ্র সেন ও শিবনাথ শাস্ত্রীর নেতৃত্বে ব্রাহ্মসমাজ নারী শিক্ষার প্রসার, পর্দা প্রথার অবসান এবং নারীদের জনসমক্ষে আনার উদ্যোগ নেয়। ৩) বিধবা বিবাহ ও বাল্যবিবাহ রোধ: বিদ্যাসাগরের বিধবা বিবাহ আন্দোলনে ব্রাহ্মসমাজ পূর্ণ সমর্থন দেয় এবং বাল্যবিবাহ ও বহুবিবাহের বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তোলে। ৪) জাতিভেদ প্রথা: ব্রাহ্মরা জাতিভেদ প্রথাকে অস্বীকার করে এবং পৈতে ত্যাগ করে অসবর্ণ বিবাহ প্রচলন করে সাম্যের বাণী প্রচার করে। ৫) মদ্যপান নিবারণ: যুব সমাজকে অবক্ষয়ের হাত থেকে বাঁচাতে মদ্যপানের বিরুদ্ধেও তারা আন্দোলন করে।
**বিভাজনের কারণ:** ব্রাহ্মসমাজ দুইবার বিভক্ত হয়। প্রথম বিভাজন (১৮৬৬): দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের রক্ষণশীল মনোভাবের সাথে কেশবচন্দ্র সেনের প্রগতিশীল ও উগ্র সংস্কারপন্থার সংঘাত বাধে। কেশবচন্দ্র অসবর্ণ বিবাহ, উপবীত ত্যাগ এবং হিন্দু ধর্মের সাথে সম্পর্ক ছেদের পক্ষে ছিলেন, যা দেবেন্দ্রনাথ মেনে নেননি। ফলে 'ভারতবর্ষীয় ব্রাহ্মসমাজ' ও 'আদি ব্রাহ্মসমাজ' নামে বিভাজন ঘটে। দ্বিতীয় বিভাজন (১৮৭৮): কেশবচন্দ্র সেন নিজের ১৪ বছরের নাবালিকা কন্যার বিবাহ কোচবিহারের মহারাজার সাথে দিলে তাঁর অনুগামীরা ক্ষুব্ধ হন। এছাড়া তাঁর স্বৈরাচারী আচরণের প্রতিবাদে শিবনাথ শাস্ত্রী ও আনন্দমোহন বসুর নেতৃত্বে 'সাধারণ ব্রাহ্মসমাজ' গঠিত হয়।
৫.২ ব্রিটিশবিরোধী জনমত গঠনে বাংলার সভাসমিতিগুলির পরিচয় দাও।
উত্তর: ঊনবিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয়ার্ধকে অনিল শীল 'সভা সমিতির যুগ' বলেছেন। ১৮৫৭-র মহাবিদ্রোহের পর থেকে ভারতীয়দের মধ্যে রাজনৈতিক চেতনা বৃদ্ধি পায় এবং ব্রিটিশ বিরোধী জনমত গঠনে বিভিন্ন সভা-সমিতি গড়ে ওঠে।
১) **বঙ্গভাষা প্রকাশিকা সভা (১৮৩৬):** এটি ছিল প্রথম রাজনৈতিক সংগঠন। যদিও এর কার্যকলাপ সীমিত ছিল, তবুও এটিই প্রথম বাঙালির রাজনৈতিক অধিকার নিয়ে আলোচনার সূত্রপাত করে।
২) **জমিদার সভা (১৮৩৮):** দ্বারকানাথ ঠাকুরের উদ্যোগে গঠিত এই সভা মূলত জমিদারদের স্বার্থরক্ষা করলেও, এটি নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে দাবি আদায়ের পথ দেখায় এবং ব্রিটিশ আমলাতন্ত্রের সমালোচনা করে।
৩) **হিন্দু মেলা (১৮৬৭):** নবগোপাল মিত্র ও গণেন্দ্রনাথ ঠাকুরের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত এই মেলা স্বদেশী ভাবধারা জাগিয়ে তোলে। দেশাত্মবোধক গান, কবিতা, দেশীয় শরীরচর্চা ও কুটির শিল্পের প্রদর্শনীর মাধ্যমে এটি যুবকদের মনে ব্রিটিশ বিরোধী জাতীয়তাবাদের বীজ বপন করে।
৪) **ভারত সভা (১৮৭৬):** সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে গঠিত ভারত সভা ছিল কংগ্রেসের পূর্বসূরী। এটি সিভিল সার্ভিস আইন, দেশীয় সংবাদপত্র আইন (Vernacular Press Act) এবং অস্ত্র আইনের বিরুদ্ধে সারা ভারত জুড়ে প্রবল আন্দোলন গড়ে তোলে। লর্ড লিটনের দমনমূলক নীতির বিরুদ্ধে জনমত গঠনে এই সভার ভূমিকা ছিল অপরিসীম। ইলবার্ট বিল আন্দোলনেও এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়।
এই সভা-সমিতিগুলি আঞ্চলিক গণ্ডি ছাড়িয়ে সর্বভারতীয় জাতীয়তাবাদের পটভূমি তৈরি করেছিল এবং ব্রিটিশ বিরোধী সংগ্রামে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করেছিল।
৫.৩ বঙ্গভঙ্গ বিরোধী আন্দোলনে নারীসমাজ কীভাবে এগিয়ে এসেছিল? বাংলার বিপ্লবী আন্দোলনে নারীদের ভূমিকা আলোচনা করো।
উত্তর: ১৯০৫ খ্রিস্টাব্দে লর্ড কার্জনের বঙ্গভঙ্গ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে যে স্বদেশী আন্দোলন শুরু হয়, তাতে বাংলার নারীসমাজ ঘরের কোণ ছেড়ে রাজপথে নেমে আসে। রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদীর আহ্বানে তারা 'অরন্ধন' পালন করে এবং রবীন্দ্রনাথের ডাকে 'রাখিবন্ধন' উৎসবে যোগ দিয়ে হিন্দু-মুসলিম ঐক্যের বার্তা দেয়। সরলাদেবী চৌধুরানী 'লক্ষ্মীর ভাণ্ডার' স্থাপন করে স্বদেশী পণ্য ব্যবহারে উৎসাহিত করেন। নারীরা বিদেশি কাপড়, কাঁচের চুড়ি ও লবণ বর্জন করে। হিরন্ময়ী দেবী, কুমুদিনী মিত্র প্রমুখ নারীরা স্বদেশী প্রচার ও পিকেটিং-এ অংশ নেন। পুলিশি নির্যাতন উপেক্ষা করে তারা মিছিলে হাঁটতেন এবং সভা-সমিতিতে যোগ দিতেন।
**বিপ্লবী আন্দোলনে নারীদের ভূমিকা:** স্বদেশী আন্দোলনের ভাবধারায় উদ্বুদ্ধ হয়ে নারীরা সশস্ত্র বিপ্লবী আন্দোলনেও যোগ দেয়। দীপালি সংঘের মতো সংগঠন মেয়েদের লাঠিখেলা ও অস্ত্র চালনা শিখিয়ে বিপ্লবের জন্য তৈরি করত। প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার মাস্টারদা সূর্য সেনের নির্দেশে পাহাড়তলি ইউরোপিয়ান ক্লাব আক্রমণ করেন এবং ধরা পড়ার আগে বিষপানে শহিদ হন। কল্পনা দত্ত চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার লুণ্ঠনে সক্রিয় ভূমিকা নেন। বীণা দাস কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনে গভর্নরকে গুলি করেন। শান্তি ও সুনীতি নামে দুই স্কুলছাত্রী কুমিল্লার জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে হত্যা করেন। মাতঙ্গিনী হাজরা ভারত ছাড়ো আন্দোলনে তেরঙ্গা হাতে পুলিশের গুলিতে প্রাণ দেন। এই বীরাঙ্গনা নারীরা প্রমাণ করেছিলেন যে দেশের স্বাধীনতার জন্য তাঁরা জীবন দিতেও প্রস্তুত।
এই পেজে তাপসিখাতা হাই স্কুল (উঃ মাঃ) ইতিহাসের প্রশ্নপত্রটির সম্পূর্ণ সমাধান দেওয়া হলো। আশা করি, এই প্রশ্নোত্তরগুলো তোমাদের মাধ্যমিক ২০২৬ পরীক্ষার প্রস্তুতিতে বিশেষ সহায়ক হবে। ইতিহাসের প্রতিটি অধ্যায় খুঁটিয়ে পড়া এবং সঠিক তথ্য মনে রাখা অত্যন্ত জরুরি। নিয়মিত অভ্যাসের মাধ্যমে তোমরা অবশ্যই ভালো ফলাফল করতে পারবে। তোমাদের সকলের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য আমাদের পক্ষ থেকে রইল অনেক অনেক শুভকামনা।
Conclusion
We have provided the complete solution for the History question paper of TAPSIKHATA HIGH SCHOOL (H.S) on this page. We hope these questions and answers will be extremely helpful for your Madhyamik 2026 exam preparation. Reading every chapter of History thoroughly and remembering accurate facts is crucial. With regular practice, you will surely be able to achieve good results. We wish you all a very bright and successful future.
এই অধ্যায়ের সম্পূর্ণ ভিডিও ক্লাস দেখুন
আমাদের প্রকাশিত বইসমূহ
ইতিহাস সাজেশন
₹30
ভূগোল সাজেশন
₹30
গণিত সাজেশন
₹30
জীবন বিজ্ঞান সাজেশন
₹30
ভৌত বিজ্ঞান সাজেশন
₹30
English Suggestion
₹30
বাংলা সাজেশান
₹30
Order Summary
First Price:₹30 (শুধু প্রশ্ন)
Second Price:₹50 (প্রশ্ন ও উত্তর সহ)
Author: Sourav Bose
Pages: Apx.100 Pages
File Type: PDF Book (5 MB)
Language: Bengali
Publisher: Das Bros PVT LTD
Payment: Online
Return Policy: No Return & Replacement
NB: পেমেন্ট কমপ্লিট হওয়ার পর, ওই পেমেন্টের একটি পরিষ্কার স্ক্রিনশট আমাদের হেল্প লাইন whatsapp নাম্বারে (9062925319) অবশ্যই পাঠাতে হবে এবং কোন কোন বইয়ের জন্য পেমেন্টটা হয়েছে সেটাও উল্লেখ করে দিতে হবে। তারপর আমাদের টিম সেই পেমেন্টটিকে ভেরিফাই করবে এবং রাত 12 টার মধ্যে আপনার পছন্দের পিডিএফ সাজেশন ফাইলগুলি আপনার whatsapp নাম্বারে পাঠিয়ে দেওয়া হবে।