মাধ্যমিক ২০২৬ পরীক্ষার সময়সীমা
SUNITY ACADEMY - GEOGRAPHY
এই পেজে আমরা মাধ্যমিক টেস্ট পেপার ২০২৫-২৬ এর অন্তর্গত 'সুনীতি একাডেমি (Sunity Academy)'-এর ভূগোলের প্রশ্নপত্রের (পৃষ্ঠা ১৮৫) সম্পূর্ণ সমাধান নিয়ে আলোচনা করেছি। এখানে বিভাগ 'ক' (MCQ), বিভাগ 'খ' (SAQ, শুদ্ধ/অশুদ্ধ, শূন্যস্থান পূরণ, স্তম্ভ মেলানো) এবং বিভাগ 'গ' (২ নম্বরের প্রশ্ন)-এর প্রতিটি প্রশ্নের সঠিক ও নির্ভুল উত্তর দেওয়া হয়েছে। ২০২৬ সালের মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের জন্য এই সেটটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিটি উত্তর টেস্ট পেপারের উত্তরমালা এবং পাঠ্যবই যাচাই করে তৈরি করা হয়েছে যাতে তোমাদের প্রস্তুতিতে কোনো খামতি না থাকে।
Overview & Solution Guide
This page provides a comprehensive solution for the Geography Test Paper (Page 185) of 'Sunity Academy' for the Madhyamik 2026 examination. We have covered all sections including MCQ (Group A), SAQ, True/False, Fill in the blanks, Match the Columns (Group B), and 2-mark questions (Group C). Each answer has been meticulously verified with the official key and standard textbooks to ensure accuracy. Practicing this set will significantly boost your confidence and help you score better in the upcoming board exams.
পর্ষদ টেস্ট-পেপার সমাধান
- পর্ষদ Geography (Page-185) Link 🔗Click Here
- পর্ষদ Geography (Page-187) Link 🔗Click Here
- পর্ষদ Geography (Page-190) Link 🔗Click Here
- পর্ষদ Geography (Page-192) Link 🔗Click Here
- পর্ষদ Geography (Page-195) Link 🔗Click Here
- পর্ষদ Geography (Page-197) Link 🔗Click Here
- পর্ষদ Geography (Page-200) Link 🔗Click Here
- পর্ষদ Geography (Page-202) Link 🔗Click Here
- পর্ষদ Geography (Page-205) Link 🔗Click Here
- পর্ষদ Geography (Page-207) Link 🔗Click Here
- পর্ষদ Geography (Page-210) Link 🔗Click Here
- পর্ষদ Geography (Page-212) Link 🔗Click Here
- পর্ষদ Geography (Page-215) Link 🔗Click Here
- পর্ষদ Geography (Page-217) Link 🔗Click Here
- পর্ষদ Geography (Page-220) Link 🔗Click Here
- পর্ষদ Geography (Page-222) Link 🔗Click Here
- পর্ষদ Geography (Page-225) Link 🔗Click Here
| 2nd February, [সোমবার] | ☛ | বাংলা |
| 3rd February, [মঙ্গলবার] | ☛ | ইংরেজি |
| 6th February, [শুক্রবার] | ☛ | ইতিহাস |
| 7th February, [শনিবার] | ☛ | ভূগোল |
| 9th February, [সোমবার] | ☛ | গণিত |
| 10th February, [মঙ্গলবার] | ☛ | ভৌতবিজ্ঞান |
| 11th February, [বুধবার] | ☛ | জীবনবিজ্ঞান |
| 12th February, [শুক্রবার] | ☛ | ঐচ্ছিক বিষয় |
আমাদের প্রকাশিত বইসমূহ
ইতিহাস সাজেশন
₹30
ভূগোল সাজেশন
₹30
গণিত সাজেশন
₹30
জীবন বিজ্ঞান সাজেশন
₹30
ভৌত বিজ্ঞান সাজেশন
₹30
English Suggestion
₹30
বাংলা সাজেশান
₹30
ইতিহাস সাজেশন
₹30
ভূগোল সাজেশন
₹30
গণিত সাজেশন
₹30
জীবন বিজ্ঞান সাজেশন
₹30
ভৌত বিজ্ঞান সাজেশন
₹30
English Suggestion
₹30
বাংলা সাজেশান
₹30
SIMULBERIA JOGENDRA VIDYAPITH (H.S.)
শিমুলবেড়িয়া যোগেন্দ্র বিদ্যাপীঠ (উঃ মাঃ) - PAGE 202
বিভাগ 'ক' : সঠিক উত্তরটি বেছে নিয়ে লেখো (১ x ১৪ = ১৪)
আমাদের প্রকাশিত বইসমূহ
ইতিহাস সাজেশন
₹30
ভূগোল সাজেশন
₹30
গণিত সাজেশন
₹30
জীবন বিজ্ঞান সাজেশন
₹30
ভৌত বিজ্ঞান সাজেশন
₹30
English Suggestion
₹30
বাংলা সাজেশান
₹30
ইতিহাস সাজেশন
₹30
বিভাগ 'খ' : প্রতিটি উপবিভাগ থেকে অন্তত ১টি করে মোট ২২টি প্রশ্নের উত্তর দাও
উপবিভাগ ২.১: নিম্নলিখিত বাক্যগুলি শুদ্ধ হলে পাশে 'শু' এবং অশুদ্ধ হলে পাশে 'অ' লেখো (১ x ৬ = ৬)
উপবিভাগ ২.২: উপযুক্ত শব্দ বসিয়ে শূন্যস্থান পূরণ করো (১ x ৬ = ৬)
উপবিভাগ ২.৩: একটি বা দুটি শব্দে উত্তর দাও (১ x ৬ = ৬)
উপবিভাগ ২.৪: বামদিকের সঙ্গে ডানদিক মিলিয়ে লেখো (১ x ৪ = ৪)
- ২.৪.১ প্লায়া — ৩) লবণাক্ত হ্রদ
- ২.৪.২ কার্বন-ডাইঅক্সাইড — ১) গ্রীনহাউস গ্যাস
- ২.৪.৩ বেট — ৪) সিন্ধু সমভূমি
- ২.৪.৪ SAIL — ২) লৌহ-ইস্পাত শিল্প
আমাদের প্রকাশিত বইসমূহ
ইতিহাস সাজেশন
₹30
ভূগোল সাজেশন
₹30
গণিত সাজেশন
₹30
জীবন বিজ্ঞান সাজেশন
₹30
ভৌত বিজ্ঞান সাজেশন
₹30
English Suggestion
₹30
বাংলা সাজেশান
₹30
ইতিহাস সাজেশন
₹30
বিভাগ 'গ' : নীচের প্রশ্নগুলির সংক্ষিপ্ত উত্তর দাও (বিকল্প প্রশ্নগুলি লক্ষণীয়) (২ x ৬ = ১২)
লোয়েশ: মরুভূমি বা মরুপ্রায় অঞ্চল থেকে অতি সূক্ষ্ম বালি ও ধূলিকণা বায়ুবাহিত হয়ে দূরবর্তী স্থানে সঞ্চিত হয়ে যে সমভূমি গঠন করে, তাকে লোয়েশ (Loess) বলে। এটি সাধারণত হলুদ রঙের হয়। চিনের হোয়াংহো নদীর অববাহিকায় গোবি মরুভূমি থেকে বালি উড়ে এসে লোয়েশ সমভূমি গঠন করেছে।
জেটবায়ু: ট্রপোস্ফিয়ারের ঊর্ধ্বস্তরে (৭-১৪ কিমি উচ্চতায়) পশ্চিম থেকে পূর্বে অত্যন্ত দ্রুতগতিতে প্রবাহিত সংকীর্ণ, আঁকাবাঁকা ও শক্তিশালী বায়ুপ্রবাহকে জেট বায়ু (Jet Stream) বলে। এর গতিবেগ ঘণ্টায় ১০০ থেকে ৫০০ কিমি পর্যন্ত হতে পারে এবং এটি আবহাওয়া পরিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়।
স্ক্রাবার: কলকারখানা থেকে নির্গত ধোঁয়া ও দূষিত বায়ু থেকে গ্যাসীয় দূষক (যেমন—সালফার ডাই অক্সাইড) এবং ভাসমান কণা অপসারণের জন্য যে যন্ত্র ব্যবহার করা হয়, তাকে স্ক্রাবার (Scrubber) বলে। এটি বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত হয়।
ধাপ চাষের গুরুত্ব: পার্বত্য অঞ্চলে ভূমিক্ষয় রোধ এবং চাষযোগ্য জমির পরিমাণ বৃদ্ধির জন্য ধাপ চাষ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পাহাড়ের ঢাল কেটে সিঁড়ির মতো ধাপ তৈরি করে চাষ করলে বৃষ্টির জল গড়িয়ে যেতে পারে না, ফলে মাটি ধুয়ে যায় না এবং জলও সংরক্ষিত হয়, যা কৃষি উৎপাদন বাড়াতে সাহায্য করে।
ধারণযোগ্য উন্নয়ন: ভবিষ্যৎ প্রজন্মের চাহিদা মেটানোর সামর্থ্য অক্ষুণ্ণ রেখে বর্তমান প্রজন্মের চাহিদা পূরণ করার যে উন্নয়ন প্রক্রিয়া, তাকে ধারণযোগ্য উন্নয়ন বা স্থিতিশীল উন্নয়ন (Sustainable Development) বলে। এতে পরিবেশের ক্ষতি না করে প্রাকৃতিক সম্পদের সুপরিকল্পিত ব্যবহারের ওপর জোর দেওয়া হয়।
ভূ-বৈচিত্র্যসূচক মানচিত্র: যে মানচিত্রে জরিপকার্যের মাধ্যমে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে ভূপৃষ্ঠের বিভিন্ন প্রাকৃতিক (যেমন—নদনদী, পাহাড়, বনভূমি) এবং সাংস্কৃতিক (যেমন—জনবসতি, পথঘাট, রেলপথ) উপাদানগুলিকে নির্দিষ্ট স্কেল ও প্রচলিত প্রতীক চিহ্নের সাহায্যে নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়, তাকে ভূ-বৈচিত্র্যসূচক মানচিত্র বা টোপোগ্রাফিকাল মানচিত্র (Topographical Map) বলে।
বিভাগ 'ঘ' : সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যামূলক উত্তর দাও (বিকল্প প্রশ্নগুলি লক্ষণীয়) (৩ x ৪ = ১২)
১) আকৃতি: উচ্চগতিতে নদীর নিম্নক্ষয় বেশি হওয়ায় নদী উপত্যকা ইংরেজি 'I' বা 'V' আকৃতির হয়। কিন্তু হিমবাহের উপত্যকা চওড়া ও সমতল তলদেশযুক্ত ইংরেজি 'U' আকৃতির হয়।
২) সৃষ্টি প্রক্রিয়া: নদী উপত্যকা প্রধানত জলের স্রোতের দ্বারা গঠিত হয়। হিমবাহ উপত্যকা বরফের ঘর্ষণ ও উৎপাটন প্রক্রিয়ায় গঠিত হয়।
৩) শাখা উপত্যকা: নদীর ক্ষেত্রে উপনদীগুলি মূল নদীর সাথে একই তলে মিলিত হয়। কিন্তু হিমবাহের ক্ষেত্রে ছোট হিমবাহগুলি বড় হিমবাহের ওপর ঝুলে থাকে বলে মনে হয়, যাকে ঝুলন্ত উপত্যকা বলে।
অথবা, ভরা কটাল ও মরা কটাল-এর পার্থক্য:
১) তিথি: ভরা কটাল অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে হয়। মরা কটাল কৃষ্ণপক্ষ ও শুক্লপক্ষের অষ্টমী তিথিতে হয়।
২) অবস্থান: ভরা কাটালে চাঁদ, সূর্য ও পৃথিবী একই সরলরেখায় থাকে (সিজিগি)। মরা কাটালে চাঁদ ও সূর্য পৃথিবীর সাথে সমকোণে অবস্থান করে।
৩) প্রাবল্য: ভরা কাটালে জোয়ারের জলস্ফীতি বা প্রাবল্য সর্বাধিক হয়। মরা কাটালে জোয়ারের প্রাবল্য তুলনামূলকভাবে কম হয়।
প্রকৃতি বা ভৌত অবস্থা অনুযায়ী বর্জ্যকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়:
১) কঠিন বর্জ্য: যেমন—প্লাস্টিক, কাঁচ, ধাতু, গৃহস্থালির আবর্জনা, ইঁট-পাথর।
২) তরল বর্জ্য: যেমন—নর্দমার নোংরা জল, কলকারখানার রাসায়নিক জল, এসিড মিশ্রিত জল।
৩) গ্যাসীয় বর্জ্য: যেমন—গাড়ি ও কলকারখানা থেকে নির্গত ধোঁয়া, কার্বন মনোক্সাইড, সালফার ডাই অক্সাইড।
অথবা, জৈব ভঙ্গুর ও জৈব অভঙ্গুর বর্জ্যের পার্থক্য:
১) বিশ্লেষণ: জৈব ভঙ্গুর বর্জ্য ব্যাকটেরিয়া বা ছত্রাক দ্বারা বিয়োজিত হয়ে মাটিতে মিশে যায়। জৈব অভঙ্গুর বর্জ্য সহজে বিয়োজিত হয় না এবং মাটিতে মেশে না।
২) উৎস: জৈব ভঙ্গুর বর্জ্য মূলত উদ্ভিদ ও প্রাণীজ দেহাবশেষ বা গৃহস্থালির বর্জ্য (যেমন—সবজির খোসা)। জৈব অভঙ্গুর বর্জ্য মূলত কৃত্রিম বা শিল্পজাত (যেমন—প্লাস্টিক, কাঁচ)।
৩) প্রভাব: জৈব ভঙ্গুর বর্জ্য থেকে সার তৈরি হয় এবং পরিবেশের ক্ষতি কম করে। জৈব অভঙ্গুর বর্জ্য পরিবেশ দূষণ ঘটায় এবং দীর্ঘকাল অবিকৃত থাকে।
সেচ বাঁধ বা ব্যারেজ মূলত নদীতে জল ধরে রেখে খালের মাধ্যমে কৃষি জমিতে জলসেচের উদ্দেশ্যে নির্মাণ করা হয় (যেমন—ফারাক্কা ব্যারেজ)। এর মূল উদ্দেশ্য একটাই। অন্যদিকে, বহুমুখী বাঁধ বা নদী পরিকল্পনা একই সাথে একাধিক উদ্দেশ্য সাধনের জন্য তৈরি হয়, যেমন—জলসেচ, জলবিদ্যুৎ উৎপাদন, বন্যা নিয়ন্ত্রণ, মৎস্য চাষ, পর্যটন ইত্যাদি (যেমন—ভাকরা নাঙ্গাল বাঁধ বা DVC)। বহুমুখী বাঁধের পরিধি ও কার্যকারিতা অনেক ব্যাপক।
অথবা, করমন্ডল উপকূলে বছরে দু'বার বৃষ্টিপাতের কারণ:
ভারতের করমন্ডল উপকূল বা তামিলনাড়ু উপকূলে বছরে দু'বার বৃষ্টিপাত হয়। প্রথমবার, জুন-সেপ্টেম্বর মাসে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে এখানে গ্রীষ্মকালীন বৃষ্টিপাত হয় (যদিও এর পরিমাণ কম কারণ এটি বৃষ্টিচ্ছায় অঞ্চলের অন্তর্গত)। দ্বিতীয়বার, অক্টোবর-নভেম্বর মাসে উত্তর-পূর্ব মৌসুমি বায়ু বা প্রত্যাগমনকারী মৌসুমি বায়ু যখন বঙ্গোপসাগরের ওপর দিয়ে আসে, তখন প্রচুর জলীয় বাষ্প সংগ্রহ করে এবং করমন্ডল উপকূলে বাধা পেয়ে শীতকালীন বৃষ্টিপাত ঘটায়। এই কারণেই এখানে বছরে দু'বার বর্ষাকাল দেখা যায়।
১) অবস্থান ও গতি: জিওস্টেশনারি উপগ্রহ নিরক্ষরেখা বরাবর প্রায় ৩৬,০০০ কিমি উচ্চতায় পৃথিবীর আবর্তন গতির সাথে সামঞ্জস্য রেখে ঘোরে (পশ্চিম থেকে পূর্বে), তাই একে স্থির মনে হয়। সান-সিনক্রোনাস উপগ্রহ মেরু বরাবর উত্তর-দক্ষিণে প্রায় ৭০০-৯০০ কিমি উচ্চতায় পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করে।
২) ব্যবহার: জিওস্টেশনারি উপগ্রহ মূলত যোগাযোগ ব্যবস্থা, টেলিযোগাযোগ এবং আবহাওয়ার পূর্বাভাসে ব্যবহৃত হয় (যেমন—INSAT)। সান-সিনক্রোনাস উপগ্রহ মূলত সম্পদ সমীক্ষা, মানচিত্র প্রস্তুত এবং গোয়েন্দা নজরদারিতে ব্যবহৃত হয় (যেমন—IRS)।
অথবা, ভূ-বৈচিত্র্যসূচক মানচিত্রে ব্যবহৃত স্কেল:
ভূ-বৈচিত্র্যসূচক মানচিত্রে সাধারণত তিন ধরনের স্কেল ব্যবহার করা হয়:
১) বিবৃতিমূলক স্কেল (Statement Scale): কথায় বা ভাষায় প্রকাশ করা হয়, যেমন—২ সেমিতে ১ কিমি।
২) ভগ্নাংশসূচক স্কেল (Representative Fraction or R.F.): অনুপাতের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়, যেমন—১ : ৫০,০০০। এটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত।
৩) লৈখিক স্কেল (Graphical or Linear Scale): রেখার মাধ্যমে দূরত্ব ভাগ করে দেখানো হয়, যা মানচিত্রের সাথে ছোট-বড় করা যায়।
আমাদের প্রকাশিত বইসমূহ
ইতিহাস সাজেশন
₹30
ভূগোল সাজেশন
₹30
গণিত সাজেশন
₹30
জীবন বিজ্ঞান সাজেশন
₹30
ভৌত বিজ্ঞান সাজেশন
₹30
English Suggestion
₹30
বাংলা সাজেশান
₹30
ইতিহাস সাজেশন
₹30
বিভাগ 'ঙ' : ৫.১. যেকোনো দুটি প্রশ্নের উত্তর দাও এবং ৫.২. যেকোনো দুটি প্রশ্নের উত্তর দাও (৫ x ৪ = ২০)
৫.১ প্রাকৃতিক ভূগোল
১) 'I' ও 'V' আকৃতির উপত্যকা (গিরিখাত ও ক্যানিয়ন): পার্বত্য অঞ্চলে নদীর নিম্নক্ষয় পার্শ্বক্ষয়ের চেয়ে অনেক বেশি হলে ইংরেজি 'I' অক্ষরের মতো গভীর ও সংকীর্ণ গিরিখাত সৃষ্টি হয়। শুষ্ক অঞ্চলে এই ধরনের গিরিখাতকে ক্যানিয়ন বলে (যেমন- গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন)। আবার বৃষ্টিবহুল অঞ্চলে নিম্নক্ষয়ের সাথে সাথে পার্শ্বক্ষয়ও হলে ইংরেজি 'V' আকৃতির উপত্যকা সৃষ্টি হয়।
২) জলপ্রপাত (Waterfall): নদীর গতিপথে কঠিন ও নরম শিলা পর্যায়ক্রমে আড়াআড়িভাবে অবস্থান করলে, নদীর জলস্রোত নরম শিলাকে দ্রুত ক্ষয় করে এবং কঠিন শিলা উঁচু হয়ে থাকে। ফলে নদীর জল হঠাৎ ওপর থেকে খাড়াভাবে নীচে পড়লে জলপ্রপাতের সৃষ্টি হয়। যেমন—ভারতের যোগ জলপ্রপাত।
৩) প্রপাতকূপ বা প্লাঞ্জ পুল (Plunge Pool): জলপ্রপাতের জল যেখানে প্রবল বেগে নীচে আছড়ে পড়ে, সেখানে গর্তের সৃষ্টি হয়। এই গর্তগুলি ক্রমাগত বড় ও গভীর হয়ে হাঁড়ির মতো আকার ধারণ করলে তাকে প্রপাতকূপ বা প্লাঞ্জ পুল বলে। এগুলি নদীর ক্ষয়কার্যের এক অনন্য নিদর্শন।
পর্বত অতিক্রম করে এই বায়ু যখন বিপরীত দিকে বা অনুবাদ ঢালে (Leeward Side) পৌঁছায়, তখন তাতে জলীয় বাষ্প খুব কম থাকে এবং বায়ু নীচের দিকে নামার ফলে উষ্ণ হয়। ফলে এই অংশে বৃষ্টিপাত খুব কম হয়, একে বৃষ্টিচ্ছায় অঞ্চল বলে।
উদাহরণ: ভারতের দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু পশ্চিমঘাট পর্বতে বাধা পেয়ে পশ্চিম ঢালে প্রচুর বৃষ্টিপাত ঘটায় (শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টি), কিন্তু পূর্ব ঢালে দাক্ষিণাত্য মালভূমি অঞ্চলে বৃষ্টিপাত কম হওয়ায় তা বৃষ্টিচ্ছায় অঞ্চলে পরিণত হয়েছে। চেরাপুঞ্জির প্রচুর বৃষ্টিপাতও এই প্রক্রিয়ায় ঘটে।
১) হিমবাহের গলন ও সমুদ্রতলের উচ্চতা বৃদ্ধি: পৃথিবীর তাপমাত্রা বাড়ার ফলে মেরু অঞ্চল ও পার্বত্য অঞ্চলের হিমবাহ দ্রুত গলে যাচ্ছে। এর ফলে সমুদ্রের জলতল বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা উপকূলবর্তী নিচু এলাকা ও দ্বীপগুলিকে (যেমন—মালদ্বীপ, সুন্দরবন) ডুবিয়ে দেওয়ার আশঙ্কা তৈরি করেছে।
২) জলবায়ুর পরিবর্তন: বিশ্ব উষ্ণায়নের ফলে আবহাওয়ার খামখেয়ালিপনা বাড়ছে। কোথাও অতিবৃষ্টি ও বন্যা, আবার কোথাও তীব্র খরা ও দাবানল দেখা দিচ্ছে। এল নিনো ও লা নিনার প্রভাব অনিয়মিত হয়ে পড়ছে।
৩) কৃষি ও খাদ্য উৎপাদন ব্যাহত: তাপমাত্রা বৃদ্ধি ও আবহাওয়ার পরিবর্তনের ফলে শস্য উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে গম, ধান ইত্যাদি ফসলের ফলন কমছে, যা খাদ্য সংকটের কারণ হতে পারে।
৪) রোগব্যাধি বৃদ্ধি: উষ্ণতা বাড়ার সাথে সাথে মশা ও পতঙ্গবাহিত রোগ (যেমন—ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়া) এবং নতুন নতুন ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব বাড়ছে, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকিস্বরূপ।
১) নিয়ত বায়ুপ্রবাহ: সমুদ্রস্রোত সৃষ্টির প্রধান ও অন্যতম কারণ হলো নিয়ত বায়ুপ্রবাহ। আয়নবায়ু, পশ্চিমাবায়ু ও মেরুবায়ু সমুদ্রের জলরাশিকে নির্দিষ্ট পথে প্রবাহিত হতে বাধ্য করে। বায়ুপ্রবাহের দিক অনুসারেই সমুদ্রস্রোতের দিক নির্ধারিত হয়।
২) পৃথিবীর আবর্তন গতি: পৃথিবীর আবর্তনের ফলে সৃষ্ট কোরিওলিস বলের প্রভাবে সমুদ্রস্রোত সোজাপথে না গিয়ে উত্তর গোলার্ধে ডানদিকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বামদিকে বেঁকে প্রবাহিত হয়।
৩) উষ্ণতার তারতম্য: নিরক্ষীয় অঞ্চলের জল উষ্ণ ও হালকা হওয়ায় তা পৃষ্ঠস্রোত রূপে মেরুর দিকে প্রবাহিত হয়। আবার মেরু অঞ্চলের শীতল ও ভারী জল অন্তঃস্রোত রূপে নিরক্ষরেখার দিকে প্রবাহিত হয়।
৪) লবণাক্ততার পার্থক্য: অধিক লবণাক্ত জল ভারী ও ঘন হওয়ায় নিচে নেমে যায় এবং কম লবণাক্ত জল হালকা হওয়ায় উপরে থাকে। ঘনত্বের সমতা বজায় রাখতে কম লবণাক্ত জল অধিক লবণাক্ত অঞ্চলের দিকে প্রবাহিত হয়।
৫) স্থলভাগের অবস্থান: সমুদ্রস্রোতের প্রবাহপথে মহাদেশ বা স্থলভাগ অবস্থান করলে স্রোত তাতে বাধা পেয়ে দিক পরিবর্তন করে বা বিভিন্ন শাখায় বিভক্ত হয়ে যায়।
৫.২ আঞ্চলিক ভূগোল
১) কাঁচামালের সহজলভ্যতা: এই অঞ্চলের কাছাকাছি ওড়িশার গুরুমহিষাণী, বাদামপাহাড় এবং ঝাড়খণ্ডের নোয়ামুন্ডি, কিবুরু থেকে প্রচুর উন্নত মানের আকরিক লোহা পাওয়া যায়।
২) কয়লার যোগান: ইস্পাত তৈরির প্রধান জ্বালানি কোক কয়লা রানীগঞ্জ, ঝরিয়া, বোকারো, তালচের ও গিরিডি কয়লাখনি থেকে সহজেই পাওয়া যায়।
৩) অন্যান্য খনিজ দ্রব্য: ইস্পাত শিল্পের প্রয়োজনীয় চুনাপাথর, ডলোমাইট ও ম্যাঙ্গানিজ ওড়িশার গাংপুর ও বীরমিত্রপুর থেকে স্বল্প পরিবহণ ব্যয়ে পাওয়া যায়।
৪) জলের যোগান: দামোদর, সুবর্ণরেখা, খরকাই, ব্রাহ্মণী ও মহানদী থেকে শিল্পের প্রয়োজনীয় প্রচুর জল পাওয়া যায়।
৫) পরিবহণ ও বন্দর: পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব রেলপথের মাধ্যমে উন্নত পরিবহণ ব্যবস্থা এবং কলকাতা, হলদিয়া ও পারাদ্বীপ বন্দরের নৈকট্য যন্ত্রপাতি আমদানি ও পণ্য রপ্তানিতে সুবিধা করে দিয়েছে। এছাড়া সস্তা শ্রমিক ও DVC থেকে বিদ্যুতের যোগান এই শিল্পের উন্নতিতে সাহায্য করেছে।
১) কাশ্মীর হিমালয়: এটি জাস্কার ও পীরপাঞ্জাল পর্বতের মধ্যবর্তী অংশে অবস্থিত। এখানে বিখ্যাত কাশ্মীর উপত্যকা দেখা যায়, যা কারেওয়া মাটি দ্বারা গঠিত এবং জাফরান চাষের জন্য বিখ্যাত। এখানে ডাল ও উলার হ্রদ অবস্থিত।
২) হিমাচল হিমালয়: হিমাচল প্রদেশে অবস্থিত এই অংশে ধৌলাধর ও পীরপাঞ্জাল পর্বতশ্রেণি দেখা যায়। এখানকার কুলু, কাংড়া, মানালি উপত্যকাগুলি অত্যন্ত মনোরম এবং পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে বিখ্যাত। এখানে রোটাং ও শিপকিলা গিরিপথ রয়েছে।
৩) কুমায়ুন হিমালয়: উত্তরাখণ্ডে অবস্থিত এই অংশের উত্তরে হিমাদ্রি এবং দক্ষিণে শিবালিক পর্বত অবস্থিত। এখানে নন্দাদেবী, কামেট, ত্রিশূল প্রভৃতি উচ্চশৃঙ্গ এবং নৈনিতাল, ভীমতাল প্রভৃতি হ্রদ (তাল) দেখা যায়। শিবালিক ও হিমাচলের মাঝে দুন উপত্যকা (যেমন—দেরাদুন) অবস্থিত। এই অঞ্চলটি তীর্থস্থান (বদ্রিনাথ, কেদারনাথ) ও গঙ্গা-যমুনার উৎসস্থল হিসেবে পরিচিত।
১) ভূ-প্রকৃতি: সমতল ও উর্বর ভূমি কৃষি, শিল্প, পরিবহণ ও বাসস্থানের পক্ষে সুবিধাজনক, তাই সেখানে জনবসতি ঘন (যেমন—উত্তর প্রদেশ, পশ্চিমবঙ্গ)। কিন্তু পার্বত্য বা মালভূমি অঞ্চল বন্ধুর হওয়ায় জনবসতি বিরল।
২) জলবায়ু: নাতিশীতোষ্ণ ও আরামদায়ক জলবায়ু এবং পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাতযুক্ত অঞ্চলে লোকসংখ্যা বেশি। কিন্তু রাজস্থানের মরুভূমির চরমভাবাপন্ন বা হিমালয়ের অতিশীতল জলবায়ুতে জীবনধারণ কঠিন হওয়ায় লোকসংখ্যা কম।
৩) নদনদী ও জলসম্পদ: নদীর তীরবর্তী অঞ্চলে জলের সহজলভ্যতা কৃষি, শিল্প ও পানীয় জলের চাহিদা মেটায়। তাই সিন্ধু-গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র অববাহিকা এবং উপকূলীয় সমভূমিতে জনসংখ্যা সর্বাধিক।
৪) শিল্প ও নগরায়ন: যেখানে খনিজ সম্পদ পাওয়া যায় এবং শিল্প গড়ে ওঠে, সেখানে কাজের সুযোগ থাকায় জনবসতি ঘন হয় (যেমন—মুম্বাই, দিল্লি, কলকাতা, ছোটনাগপুর মালভূমি অঞ্চল)।
৫) পরিবহণ ও যোগাযোগ: উন্নত পরিবহণ ব্যবস্থা ব্যবসা-বাণিজ্য ও যাতায়াতের সুবিধা দেয়, তাই রেল ও সড়ক জালের বিস্তার যেখানে বেশি, সেখানে জনসংখ্যাও বেশি।
১) উষ্ণতা: কার্পাস চাষের জন্য উষ্ণ আবহাওয়া প্রয়োজন। ২০°C থেকে ৩০°C উষ্ণতা কার্পাস চাষের পক্ষে আদর্শ। চারাগাছ বৃদ্ধির সময় উষ্ণতা একটু বেশি এবং পাকার সময় শুষ্ক ও রৌদ্রোজ্জ্বল আবহাওয়া দরকার।
২) বৃষ্টিপাত: কার্পাস চাষে খুব বেশি বৃষ্টির প্রয়োজন হয় না। বছরে ৫০ থেকে ১০০ সেমি বৃষ্টিপাত আদর্শ। তবে নিয়মিত জলসেচের ব্যবস্থা থাকলে কম বৃষ্টিতেও চাষ করা যায়।
৩) তুহিনমুক্ত আবহাওয়া: কার্পাস গাছ হিম বা তুষারপাত সহ্য করতে পারে না। তাই বছরে অন্তত ২১০ দিন তুহিনমুক্ত (Frost Free) থাকা প্রয়োজন।
৪) মৃত্তিকা: চুন ও লবণ মিশ্রিত উর্বর কৃষ্ণ মৃত্তিকা বা রেগুর মাটি কার্পাস চাষের পক্ষে শ্রেষ্ঠ। এই মাটিতে জলধারণ ক্ষমতা বেশি, যা গাছের বৃদ্ধিতে সহায়ক। দাক্ষিণাত্যের লাভা গঠিত কৃষ্ণ মৃত্তিকা অঞ্চলে কার্পাস চাষ ভালো হয়।
৫) জমি: গাছের গোড়ায় জল জমলে কার্পাস গাছের ক্ষতি হয়, তাই জল নিকাশি ব্যবস্থাযুক্ত সমতল বা সামান্য ঢালু জমি কার্পাস চাষের জন্য উপযুক্ত। সামুদ্রিক লোনা বাতাস কার্পাসের আঁশ বা তন্তুর বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।
বিভাগ 'চ' : মানচিত্র চিহ্নিতকরণ (১ x ১০ = ১০)
৬.১) শিবালিক পর্বত (হিমালয়ের সর্বদক্ষিণে অবস্থিত)।
৬.২) কাবেরী নদী (দক্ষিণ ভারতের কর্ণাটক ও তামিলনাড়ু দিয়ে প্রবাহিত)।
৬.৩) কচ্ছের রন (গুজরাটের উত্তর-পশ্চিমে লবণাক্ত জলাভূমি)।
৬.৪) ভারতের অরণ্য গবেষণাগার (দেরাদুন, উত্তরাখণ্ড)।
৬.৫) লোকটাক হ্রদ (মণিপুরে অবস্থিত উত্তর-পূর্ব ভারতের বৃহত্তম মিষ্টি জলের হ্রদ)।
৬.৬) দক্ষিণ ভারতের একটি কফি উৎপাদক অঞ্চল (নীলগিরি বা কোদাগু অঞ্চল)।
৬.৭) ভারতের বৃহত্তম পেট্রোরসায়ন শিল্পকেন্দ্র (জামনগর, গুজরাট)।
৬.৮) ভারতের বৃহত্তম জাহাজ নির্মাণ কেন্দ্র (কোচি বা বিশাখাপত্তনম - সাধারণত কোচি বা কোচিন শিপইয়ার্ড)।
৬.৯) মুম্বাই (ভারতের প্রবেশদ্বার ও পশ্চিম উপকূলের মহানগর)।
৬.১০) মরু মৃত্তিকা অঞ্চল (রাজস্থানের থর মরুভূমি অঞ্চল)।
পর্ষদ টেস্ট-পেপার সমাধান
- পর্ষদ Geography (Page-185) Link 🔗Click Here
- পর্ষদ Geography (Page-187) Link 🔗Click Here
- পর্ষদ Geography (Page-190) Link 🔗Click Here
- পর্ষদ Geography (Page-192) Link 🔗Click Here
- পর্ষদ Geography (Page-195) Link 🔗Click Here
- পর্ষদ Geography (Page-197) Link 🔗Click Here
- পর্ষদ Geography (Page-200) Link 🔗Click Here
- পর্ষদ Geography (Page-202) Link 🔗Click Here
- পর্ষদ Geography (Page-205) Link 🔗Click Here
- পর্ষদ Geography (Page-207) Link 🔗Click Here
- পর্ষদ Geography (Page-210) Link 🔗Click Here
- পর্ষদ Geography (Page-212) Link 🔗Click Here
- পর্ষদ Geography (Page-215) Link 🔗Click Here
- পর্ষদ Geography (Page-217) Link 🔗Click Here
- পর্ষদ Geography (Page-220) Link 🔗Click Here
- পর্ষদ Geography (Page-222) Link 🔗Click Here
- পর্ষদ Geography (Page-225) Link 🔗Click Here
উপসংহার
এই পেজে সুনীতি একাডেমি (Sunity Academy)-এর ভূগোলের প্রশ্নপত্রটির সম্পূর্ণ সমাধান দেওয়া হলো। আশা করি, এই প্রশ্নোত্তরগুলো তোমাদের মাধ্যমিক ২০২৬ পরীক্ষার প্রস্তুতিতে বিশেষ সহায়ক হবে। ভূগোলের প্রতিটি অধ্যায়, বিশেষ করে ম্যাপ পয়েন্টিং এবং প্রাকৃতিক ভূগোলের অংশগুলি খুঁটিয়ে পড়া অত্যন্ত জরুরি। নিয়মিত অভ্যাসের মাধ্যমে তোমরা অবশ্যই ভালো ফলাফল করতে পারবে। তোমাদের সকলের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য আমাদের পক্ষ থেকে রইল অনেক অনেক শুভকামনা।
Conclusion
We have provided the complete solution for the Geography question paper of SUNITY ACADEMY on this page. We hope these questions and answers will be extremely helpful for your Madhyamik 2026 exam preparation. Reading every chapter of Geography thoroughly, especially Map Pointing and Physical Geography, is crucial. With regular practice, you will surely be able to achieve good results. We wish you all a very bright and successful future.
আমাদের প্রকাশিত বইসমূহ
ইতিহাস সাজেশন
₹30
ভূগোল সাজেশন
₹30
গণিত সাজেশন
₹30
জীবন বিজ্ঞান সাজেশন
₹30
ভৌত বিজ্ঞান সাজেশন
₹30
English Suggestion
₹30
বাংলা সাজেশান
₹30
Order Summary
- First Price: ₹30 (শুধু প্রশ্ন)
- Second Price: ₹50 (প্রশ্ন ও উত্তর সহ)
- Author: Sourav Bose
- Pages: Apx.100 Pages
- File Type: PDF Book (5 MB)
- Language: Bengali
- Publisher: Das Bros PVT LTD
- Payment: Online
- Return Policy: No Return & Replacement