বিভাগ 'ক' : সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করো (১ x ১৪ = ১৪)
১.১ অবরোহণ প্রক্রিয়ায় সৃষ্ট একটি ভূমিরূপ হল-
(ক) প্লাবনভূমি
(খ) এস্কার
(গ) গিরিখাত
(ঘ) স্বাভাবিক বাঁধ
উত্তর: (গ) গিরিখাত
১.২ হিমবাহ ও পর্বতগাত্রের মধ্যে সৃষ্ট সংকীর্ণ ফাঁক হল-
(ক) ফিয়র্ড
(খ) বার্গশ্রুন্ড
(গ) করি
(ঘ) এরিটি
উত্তর: (খ) বার্গশ্রুন্ড
১.৩ পৃথিবীর কার্যকরী সৌরবিকিরণের শতকরা পরিমাণ হল-
(ক) ১০০%
(খ) ৬৬%
(গ) ৪৭%
(ঘ) ৩৪%
উত্তর: (খ) ৬৬%
১.৪ একটি উষ্ণ স্থানীয় বায়ুপ্রবাহ হল-
(ক) বোরা
(খ) মিস্ট্রাল
(গ) চিনুক
(ঘ) ল্যাভেন্টার
উত্তর: (গ) চিনুক
১.৫ বিশ্বের বৃহত্তম মগ্নচড়াটির নাম-
(ক) গ্র্যান্ড ব্যাংক
(খ) ডগার্স ব্যাংক
(গ) জর্জেস ব্যাংক
(ঘ) রকফল ব্যাংক
উত্তর: (ক) গ্র্যান্ড ব্যাংক
১.৬ পূর্ণিমা তিথিতে সিজিগি অবস্থানকে বলা হয়-
(ক) প্রতিযোগ
(খ) সংযোগ
(গ) যোগবিন্দু
(ঘ) অ্যাপোজি
উত্তর: (ক) প্রতিযোগ
১.৭ ল্যান্ডফিল থেকে উৎপন্ন গ্যাসটি হল-
(ক) অ্যামোনিয়া
(খ) নাইট্রোজেন
(গ) মিথেন
(ঘ) সালফার ডাইঅক্সাইড
উত্তর: (গ) মিথেন
১.৮ ভারতের উত্তরের পার্বত্য অঞ্চলে অবস্থিত একটি লবণাক্ত হ্রদের নাম হল-
(ক) ডাল
(খ) উলার
(গ) নৈনিতাল
(ঘ) প্যাংগং হ্রদ
উত্তর: (ঘ) প্যাংগং হ্রদ
১.৯ ব্যাসল্ট শিলায় আবহবিকারের ফলে সৃষ্ট মৃত্তিকা হল-
(ক) লোহিতমৃত্তিকা
(খ) পলিমৃত্তিকা
(গ) কৃষ্ণমৃত্তিকা
(ঘ) ল্যাটেরাইটমৃত্তিকা
উত্তর: (গ) কৃষ্ণমৃত্তিকা
১.১০ একটি শিকড় আলগা শিল্প হল-
(ক) ইস্পাত
(খ) চিনি
(গ) পাট
(ঘ) কাগজ শিল্প
উত্তর: (গ) পাট (প্রশ্নপত্রের উত্তরমালা অনুযায়ী)
১.১১ একটি 'হাইটেক বন্দর' হল-
(ক) বিশাখাপত্তনম
(খ) পোর্টব্লেয়ার
(গ) মুম্বাই
(ঘ) নভসেবা
উত্তর: (ঘ) নভসেবা
১.১২ "ধারণযোগ্য উন্নয়ন" শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেন-
(ক) জিমারম্যান
(খ) এভা বেলফোর
(গ) ডকুচেভ
(ঘ) নরম্যান বোরলগ
উত্তর: (খ) এভা বেলফোর
১.১৩ বল উইভিল পোকার আক্রমণ দেখা যায়-
(ক) কার্পাস চাষে
(খ) ইক্ষু চাষে
(গ) কফি চাষে
(ঘ) মিলেট চাষে
উত্তর: (ক) কার্পাস চাষে
১.১৪ 73D ভূ-বৈচিত্র্যসূচক মানচিত্রের স্কেল হল-
(ক) ১:১০০০০০০
(খ) ১:২৫০০০০
(গ) ১:৫০০০০
(ঘ) ১:২৫০০০
উত্তর: (গ) ১:৫০,০০০
বিভাগ 'খ'
২.১ নিম্নলিখিত বাক্যগুলি শুদ্ধ হলে পাশে 'শু' এবং অশুদ্ধ হলে পাশে 'অ' লেখো (যেকোনো ছয়টি): (১ x ৬ = ৬)
২.১.১ এসকার হিমবাহ ও জলধারার মিলিত কার্যের ফলে সৃষ্ট।
উত্তর: শুদ্ধ (শু)
২.১.২ জলপ্রপাতের তলদেশে মন্থকূপ সৃষ্টি হয়।
উত্তর: অশুদ্ধ (অ) [সঠিক: প্রপাতকূপ সৃষ্টি হয়]
২.১.৩ নিরক্ষীয় জলবায়ু অঞ্চলে ঋতু পরিবর্তন লক্ষ করা যায় না।
উত্তর: শুদ্ধ (শু)
২.১.৪ কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে মরা জোয়ার হয়।
উত্তর: শুদ্ধ (শু)
২.১.৫ ভারতের একমাত্র শুল্কমুক্ত বন্দরটি গুজরাটে আছে।
উত্তর: শুদ্ধ (শু) [কান্ডালা বন্দর]
২.১.৬ একটি বিষাক্ত বর্জ্য হল DDT।
উত্তর: শুদ্ধ (শু)
২.১.৭ $4^{\circ}\times4^{\circ}$ ব্যবধানে মিলিয়ন শিট অঙ্কন করা হয়।
উত্তর: শুদ্ধ (শু)
২.২ উপযুক্ত শব্দ বসিয়ে শূন্যস্থান পূরণ করো (যেকোনো ছয়টি): (১ x ৬ = ৬)
২.২.১ দুটি সিফ বালিয়াড়ির মধ্যবর্তী অংশকে ______ বলে।
উত্তর: গাসি
২.২.২ শীততাপ নিয়ন্ত্রক যন্ত্র ব্যবহারের ফলে বায়ুমন্ডলে ______ গ্যাস নির্গত হয়।
উত্তর: ক্লোরোফ্লুরোকার্বন (CFC)
২.২.৩ দক্ষিণ ভারতের সর্বোচ্চ শৃঙ্গের নাম ______।
উত্তর: আনাইমুদি
২.২.৪ রেটুন পদ্ধতি ______ চাষের সাথে যুক্ত।
উত্তর: ইক্ষু (আঁখ)
২.২.৫ ২০১১ সালে আদমশুমারি অনুসারে ভারতে সাক্ষরতার হার ______ শতাংশ।
উত্তর: 74.04
২.২.৬ বৈদ্যুতিন বর্জ্যকে সংক্ষেপে বলা হয় ______ বর্জ্য।
উত্তর: ই (e-waste)
২.২.৭ INSAT হল ভারতের ব্যবহৃত ______ উপগ্রহ।
উত্তর: ভূসমলয় (Geostationary)
২.৩ একটি বা দুটি শব্দে উত্তর দাও (যেকোনো ছয়টি): (১ x ৬ = ৬)
২.৩.১ মরু অঞ্চলে পর্বতের পাদদেশীয় পলল সমভূমিকে কী বলে?
উত্তর: বাজাদা
২.৩.২ বায়ুমণ্ডলের কোন স্তরে জেটবিমান যাতায়াত করে?
উত্তর: স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার স্তরে
২.৩.৩ কর্ণাটকের আম্রবৃষ্টি কী নামে পরিচিত?
উত্তর: Cherry blossoms
২.৩.৪ ভার্মিকম্পোস্ট সার তৈরিতে প্রধান ভূমিকা নেয় কোন প্রাণী?
উত্তর: কেঁচো
২.৩.৫ ভারতে সবুজ বিপ্লবের জনক কাকে বলা হয়?
উত্তর: এম.এস. স্বামীনাথন
২.৩.৬ সামুদ্রিক মাছের প্রধান খাদ্য কী?
উত্তর: প্ল্যাঙ্কটন
২.৩.৭ ভারতের কোন অরণ্যে সিংহ পাওয়া যায়?
উত্তর: গির অরণ্যে
২.৩.৮ কোন মানচিত্রে সমোন্নতি রেখার সাহায্যে ভূ-প্রকৃতি বোঝানো হয়?
উত্তর: ভূ-বৈচিত্র্যসূচক মানচিত্রে (Topographical Map)
২.৪ বামদিকের সাথে ডানদিকেরগুলি মিলিয়ে লেখো: (১ x ৪ = ৪)
বামদিক ও ডানদিকের সঠিক মিল:
- ২.৪.১ তাল — ৩. পশ্চিম হিমালয়ের হ্রদ
- ২.৪.২ ঝুমচাষ — ৪. মৃত্তিকা ক্ষয়
- ২.৪.৩ বারাণসী — ২. ডিজেল রেলইঞ্জিন
- ২.৪.৪ চিকমাগালুর — ১. কফি গবেষণা কেন্দ্র
বিভাগ - গ : নীচের প্রশ্নগুলির সংক্ষিপ্ত উত্তর দাও (বিকল্প প্রশ্নগুলি লক্ষণীয়) (২ x ৬ = ১২)
৩.১ ভেন্টিফ্যাক্ট কাকে বলে? অথবা, অকুশন কাকে বলে?
উত্তর: ভেন্টিফ্যাক্ট (Ventifact): মরু অঞ্চলে বায়ুর অবঘর্ষ ক্ষয়ের ফলে শিলাখণ্ডের একদিক বা একাধিক দিক মসৃণ ও তীক্ষ্ণ হলে, সেই শিলাখণ্ডকে ভেন্টিফ্যাক্ট বলে।
অথবা, অকুশন (Occlusion): নাতিশীতোষ্ণ ঘূর্ণবাতে দ্রুতগামী শীতল সীমান্ত যখন ধীরগামী উষ্ণ সীমান্তকে ধরে ফেলে এবং দুটি সীমান্ত মিলে যায়, তখন তাকে অকুশন বা অবরুদ্ধ সীমান্ত বলে। এর ফলে উষ্ণ বায়ু উপরে উঠে যায়।
৩.২ অ্যালবেডো কাকে বলে? অথবা, বানডাকা কাকে বলে?
উত্তর: অ্যালবেডো (Albedo): সূর্য থেকে আসা মোট সৌরশক্তির যে অংশ (প্রায় ৩৪%) বায়ুমণ্ডলকে উত্তপ্ত না করেই মহাশূন্যে প্রতিফলিত হয়ে ফিরে যায়, তাকে অ্যালবেডো বা নিষ্ক্রিয় সৌরশক্তি বলে।
অথবা, বানডাকা (Tidal Bore): ভরা কোটালের সময় সমুদ্রের জোয়ারের জল যখন নদী মোহনা দিয়ে প্রবল বেগে ও জলোচ্ছ্বাস ঘটিয়ে নদীর উজান দিকে প্রবেশ করে, তখন তাকে বানডাকা বলে। এটি নদীখাতে দেয়ালের মতো জলরাশি সৃষ্টি করে।
৩.৩ বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ভরাটকরণ বলতে কী বোঝ? অথবা, তেজস্ক্রিয় বর্জ্য কাকে বলে?
উত্তর: ভরাটকরণ (Landfill): শহরাঞ্চলের বর্জ্য পদার্থগুলি শহরের বাইরে কোনো নিচু জমি বা গর্তে জমা করে মাটি চাপা দিয়ে ভরাট করার পদ্ধতিকে ভরাটকরণ বা ল্যান্ডফিল বলে।
অথবা, তেজস্ক্রিয় বর্জ্য (Radioactive Waste): পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, গবেষণা কেন্দ্র বা হাসপাতাল থেকে নির্গত যে সমস্ত বর্জ্য পদার্থে তেজস্ক্রিয়তা থাকে এবং যা জীবজগতের পক্ষে অত্যন্ত ক্ষতিকারক ও দীর্ঘস্থায়ী, তাকে তেজস্ক্রিয় বর্জ্য বলে। যেমন—ইউরেনিয়াম।
৩.৪ সামাজিক বনসৃজনের দুটি উদ্দেশ্য লেখো। অথবা, মরুস্থলী বলতে কী বোঝ?
উত্তর: সামাজিক বনসৃজনের উদ্দেশ্য: ১) পরিবেশ দূষণ রোধ ও বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য বজায় রাখা। ২) গ্রামীণ মানুষের জ্বালানি কাঠ, পশুখাদ্য ও ফলের চাহিদা পূরণ করা।
অথবা, মরুস্থলী: রাজস্থানের থর মরুভূমির যে অংশটি উদ্ভিদহীন, শুষ্ক ও বালুকাময়, তাকে মরুস্থলী বলে। 'মরুস্থলী' শব্দের অর্থ হলো 'মৃতের দেশ'। এটি জয়সলমীর জেলায় অবস্থিত।
৩.৫ অবিশুদ্ধ কাঁচামাল কাকে বলে? অথবা, আউটসোর্সিং কী?
উত্তর: অবিশুদ্ধ কাঁচামাল (Impure Raw Material): যে সমস্ত কাঁচামাল থেকে শিল্পজাত দ্রব্য উৎপাদনের পর দ্রব্যের ওজন কাঁচামালের ওজনের তুলনায় কমে যায়, তাদের অবিশুদ্ধ বা ওজন হ্রাসকারী কাঁচামাল বলে। যেমন—আঁখ, আকরিক লোহা।
অথবা, আউটসোর্সিং (Outsourching): তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পে কোনো কোম্পানি নিজের কাজ কম খরচে ও দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য যখন অন্য কোনো দেশ বা সংস্থার মাধ্যমে সেই কাজ করিয়ে নেয়, তখন তাকে আউটসোর্সিং বলে।
৩.৬ সেন্সর কাকে বলে? অথবা, ভূ-বৈচিত্র্যসূচক মানচিত্রের দুটি ব্যবহার লেখো।
উত্তর: সেন্সর (Sensor): উপগ্রহ বা বিমানে বসানো যে সংবেদনশীল যন্ত্রের মাধ্যমে ভূপৃষ্ঠের বিভিন্ন বস্তু থেকে প্রতিফলিত বা বিচ্ছুরিত তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গ গ্রহণ ও রেকর্ড করা হয়, তাকে সেন্সর বলে। যেমন—ক্যামেরা, স্ক্যানার।
অথবা, ভূ-বৈচিত্র্যসূচক মানচিত্রের ব্যবহার: ১) সামরিক প্রয়োজনে দেশের সীমানা নির্ধারণ ও প্রতিরক্ষা পরিকল্পনায় ব্যবহৃত হয়। ২) আঞ্চলিক উন্নয়ন পরিকল্পনা (যেমন—রাস্তাঘাট নির্মাণ, নগর পরিকল্পনা) করতে এই মানচিত্র অপরিহার্য।
বিভাগ - ঘ : সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যামূলক উত্তর দাও (বিকল্প প্রশ্নগুলি লক্ষণীয়) (৩ x ৪ = ১২)
৪.১ বদ্বীপ গড়ে ওঠার অনুকূল শর্তগুলি আলোচনা করো। অথবা, সমুদ্র তরঙ্গ ও সমুদ্র স্রোতের পার্থক্য লেখো।
উত্তর: বদ্বীপ গঠনের অনুকূল শর্ত: ১) নদীর মোহনায় মৃদু ঢাল: মোহনায় নদীর স্রোত ধীর হতে হবে যাতে পলি সঞ্চিত হতে পারে। ২) অগভীর সমুদ্র: মোহনা সংলগ্ন সমুদ্র অগভীর হলে পলি ভরাট হয়ে দ্রুত বদ্বীপ গড়ে ওঠে। ৩) পলল রাশির আধিক্য: নদীতে প্রচুর পরিমাণে পলি ও বালি থাকতে হবে। ৪) বিপরীত স্রোতের অভাব: মোহনায় প্রবল সমুদ্রস্রোত বা জোয়ার-ভাটা থাকলে পলি ধুয়ে যায়, তাই শান্ত পরিবেশ প্রয়োজন।
অথবা, সমুদ্র তরঙ্গ ও সমুদ্র স্রোতের পার্থক্য: ১) সংজ্ঞা: সমুদ্র তরঙ্গ হলো জলের ওপর নিচে আন্দোলন, কিন্তু সমুদ্র স্রোত হলো জলরাশির এক স্থান থেকে অন্য স্থানে প্রবাহ। ২) স্থানান্তরণ: তরঙ্গে জলরাশির স্থান পরিবর্তন হয় না, শুধু শক্তির সঞ্চালন হয়; স্রোতে জলরাশি স্থান পরিবর্তন করে। ৩) কারণ: তরঙ্গ মূলত বায়ুর ঘর্ষণে সৃষ্টি হয়; স্রোত নিয়ত বায়ুপ্রবাহ, পৃথিবীর আবর্তন ও ঘনত্বের পার্থক্যে সৃষ্টি হয়।
৪.২ জৈব ভঙ্গুর বর্জ্য ও জৈব অভঙ্গুর বর্জ্যের তিনটি পার্থক্য লেখো। অথবা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় শিক্ষার্থীদের ভূমিকা আলোচনা করো।
উত্তর: পার্থক্য: ১) বિયોজন: জৈব ভঙ্গুর বর্জ্য (যেমন—সবজির খোসা) ব্যাকটেরিয়া দ্বারা দ্রুত বিয়োজিত হয়; জৈব অভঙ্গুর বর্জ্য (যেমন—প্লাস্টিক) সহজে বিয়োজিত হয় না। ২) ক্ষতি: ভঙ্গুর বর্জ্য পরিবেশের বিশেষ ক্ষতি করে না এবং সার তৈরি করে; অভঙ্গুর বর্জ্য পরিবেশ দূষণ ঘটায় ও দীর্ঘস্থায়ী ক্ষতি করে। ৩) উৎস: ভঙ্গুর বর্জ্য মূলত গৃহস্থালি ও কৃষি থেকে আসে; অভঙ্গুর বর্জ্য শিল্প ও প্লাস্টিকজাত দ্রব্য থেকে আসে।
অথবা, শিক্ষার্থীদের ভূমিকা: ১) সচেতনতা বৃদ্ধি: শিক্ষার্থীরা নিজেরা সচেতন হয়ে পরিবার ও সমাজে বর্জ্য কমানোর বার্তা পৌঁছে দিতে পারে। ২) বর্জ্য পৃথকীকরণ: তারা বিদ্যালয় ও বাড়িতে পচনশীল ও অপচনশীল বর্জ্য আলাদা ডাস্টবিনে ফেলার অভ্যাস করতে পারে। ৩) 3R নীতি পালন: বর্জ্য হ্রাস (Reduce), পুনর্ব্যবহার (Reuse) ও পুনর্নবীকরণ (Recycle) নীতি মেনে চলতে পারে।
৪.৩ বহুমুখী নদী উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রয়োজন হয় কেন? অথবা, ভারতীয় কৃষির তিনটি বৈশিষ্ট্য আলোচনা করো।
উত্তর: বহুমুখী নদী পরিকল্পনার প্রয়োজনীয়তা: ১) বন্যা নিয়ন্ত্রণ: নদীতে বাঁধ দিয়ে অতিরিক্ত জল ধরে রেখে বন্যা নিয়ন্ত্রণ করা হয়। ২) জলসেচ: জলাধার থেকে খালের মাধ্যমে কৃষি জমিতে সেচের জল সরবরাহ করা হয়। ৩) জলবিদ্যুৎ উৎপাদন: বাঁধের জল কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয় যা শিল্প ও গৃহস্থালিতে ব্যবহৃত হয়। ৪) অন্যান্য: মৎস্য চাষ, নৌপরিবহন, পানীয় জল সরবরাহ ও পর্যটন কেন্দ্রের বিকাশ ঘটানো।
অথবা, ভারতীয় কৃষির বৈশিষ্ট্য: ১) জীবিকা সত্তাভিত্তিক কৃষি: ভারতের কৃষকরা মূলত নিজেদের খাদ্যের প্রয়োজনে চাষাবাদ করে, তাই এটি জীবিকা সত্তাভিত্তিক। ২) মৌসুমি বৃষ্টির ওপর নির্ভরতা: ভারতের কৃষি অনেকাংশে অনিশ্চিত মৌসুমি বৃষ্টিপাতের ওপর নির্ভরশীল। ৩) খাদ্যশস্যের প্রাধান্য: মোট কৃষি জমির অধিকাংশ ভাগেই ধান, গম ইত্যাদি খাদ্যশস্য চাষ করা হয়।
৪.৪ উপগ্রহ চিত্র ও ভূ-বৈচিত্র্যসূচক মানচিত্রের তিনটি পার্থক্য লেখো। অথবা, উপগ্রহ চিত্রে ছদ্ম রং ব্যবহার করা হয় কেন?
উত্তর: পার্থক্য: ১) উৎস: ভূ-বৈচিত্র্যসূচক মানচিত্র জরিপ কার্যের মাধ্যমে প্রস্তুত করা হয়; উপগ্রহ চিত্র মহাকাশ থেকে সেন্সরের মাধ্যমে তোলা হয়। ২) তথ্য সংগ্রহের সময়: ভূ-বৈচিত্র্যসূচক মানচিত্র তৈরি করতে দীর্ঘ সময় লাগে; উপগ্রহ চিত্র খুব অল্প সময়ে এবং নিয়মিত পাওয়া যায়। ৩) স্কেল: ভূ-বৈচিত্র্যসূচক মানচিত্র নির্দিষ্ট স্কেলে আঁকা হয়; উপগ্রহ চিত্রের স্কেল কম্পিউটারে ছোট-বড় করা যায়।
অথবা, ছদ্ম রঙের ব্যবহার: উপগ্রহ চিত্রে বিভিন্ন ভৌগোলিক উপাদানকে (যেমন—উদ্ভিদ, জল, বসতি) স্পষ্টভাবে আলাদা করে চেনার জন্য তাদের প্রকৃত রঙের পরিবর্তে কৃত্রিম বা ছদ্ম রঙ (False Color Composite - FCC) ব্যবহার করা হয়। যেমন—স্বাভাবিক উদ্ভিদকে লাল রঙে দেখানো হয় যাতে তা সহজে শনাক্ত করা যায়।
বিভাগ - ঙ : নিম্নলিখিত প্রশ্নগুলির থেকে যে কোনো দুটি প্রশ্নের উত্তর দাও (৫ x ৪ = ২০)
৫.১ প্রাকৃতিক ভূগোল
৫.১.১ নদীর সঞ্চয়কার্যের ফলে গঠিত তিনটি ভূমিরূপের চিত্র-সহ বর্ণনা দাও।
উত্তর: নদীর মধ্য ও নিম্নগতিতে স্রোতের বেগ কমে যাওয়ায় সঞ্চয়কার্য প্রাধান্য পায়। গঠিত প্রধান তিনটি ভূমিরূপ হলো:
১) পলল ব্যজনী বা পলল শঙ্কু (Alluvial Fan): নদীর উচ্চগতি থেকে মধ্যগতিতে বা পর্বতের পাদদেশে সমভূমিতে প্রবেশের সময় ভূমির ঢাল হঠাৎ কমে যাওয়ায় নদীবাহিত পলি, বালি, কাঁকর ইত্যাদি সঞ্চিত হয়ে হাতপাখা বা শঙ্কুর মতো যে ভূমিরূপ গঠন করে, তাকে পলল ব্যজনী বলে।
২) প্লাবনভূমি (Flood Plain): নিম্নগতিতে নদীর গভীরতা কমে যাওয়ায় বর্ষাকালে অতিরিক্ত জল দুকূল ছাপিয়ে বন্যার সৃষ্টি করে। বন্যার জল সরে গেলে নদীর দুই তীরে পলি সঞ্চিত হয়ে যে উর্বর সমভূমি সৃষ্টি হয়, তাকে প্লাবনভূমি বলে। গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে প্লাবনভূমি দেখা যায়।
৩) বদ্বীপ (Delta): নদীর মোহনায় সমুদ্রের লোনা জল ও মৃদু ঢালের কারণে নদীবাহিত পলিরাশি সঞ্চিত হয়ে গ্রীক অক্ষর ডেল্টা (Δ) বা মাত্রাহীন 'ব'-এর মতো যে ভূমিরূপ সৃষ্টি হয়, তাকে বদ্বীপ বলে। যেমন—গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র বদ্বীপ পৃথিবীর বৃহত্তম বদ্বীপ।
৫.১.২ বায়ুমণ্ডলের উষ্ণতার তারতম্যের তিনটি প্রধান কারণ ব্যাখ্যা করো।
উত্তর: বায়ুমণ্ডলের উষ্ণতা সর্বত্র সমান হয় না, এর প্রধান তিনটি কারণ হলো:
১) অক্ষাংশ (Latitude): সূর্যরশ্মির পতনকোণের ওপর উষ্ণতা নির্ভর করে। নিরক্ষরেখায় সূর্যরশ্মি লম্বভাবে কিরণ দেওয়ায় উষ্ণতা সবচেয়ে বেশি। মেরুর দিকে রশ্মি ক্রমশ তির্যক হওয়ায় উষ্ণতা কমতে থাকে।
২) উচ্চতা (Altitude): সাধারণত প্রতি ১০০০ মিটার বা ১ কিমি উচ্চতা বৃদ্ধিতে ৬.৪° সেলসিয়াস হারে উষ্ণতা হ্রাস পায় (Lapse Rate)। তাই একই অক্ষাংশে অবস্থিত হলেও সমভূমির তুলনায় পার্বত্য অঞ্চল শীতল হয় (যেমন—দিল্লি ও শিমলা)।
৩) সমুদ্র থেকে দূরত্ব (Distance from Sea): জলভাগ স্থলভাগের তুলনায় দেরিতে গরম ও ঠান্ডা হয়। সমুদ্র তীরবর্তী অঞ্চলে সমভাবাপন্ন জলবায়ু বিরাজ করে। কিন্তু সমুদ্র থেকে দূরে মহাদেশের অভ্যন্তরে চরমভাবাপন্ন জলবায়ু (গ্রীষ্মে খুব গরম ও শীতে খুব ঠান্ডা) দেখা যায়।
৫.১.৩ শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টিপাত কীভাবে সংঘটিত হয় তা চিত্র ও উদাহরণ সহযোগে ব্যাখ্যা করো।
উত্তর: শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টিপাত: জলীয় বাষ্পপূর্ণ বায়ু প্রবাহের পথে কোনো পর্বত বা উচ্চভূমি আড়াআড়িভাবে অবস্থান করলে, বায়ু পর্বতের প্রতিবাদ ঢালে (Windward Slope) বাধা পেয়ে উপরে উঠে যায়। উপরে উঠলে বায়ু প্রসারিত ও শীতল হয় এবং ঘনীভূত হয়ে মেঘের সৃষ্টি করে পর্বতের প্রতিবাদ ঢালে প্রচুর বৃষ্টিপাত ঘটায়। এই বৃষ্টিপাতকে শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টিপাত বলে।
বৃষ্টিচ্ছায় অঞ্চল: বৃষ্টিপাত ঘটানোর পর বায়ু পর্বত অতিক্রম করে বিপরীত দিকের অনুবাদ ঢালে (Leeward Slope) পৌঁছালে তাতে জলীয় বাষ্প খুব কম থাকে এবং বায়ু নিচের দিকে নামার ফলে উষ্ণ হয়। তাই অনুবাদ ঢালে বৃষ্টিপাত খুব কম হয়, একে বৃষ্টিচ্ছায় অঞ্চল বলে।
উদাহরণ: দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু পশ্চিমঘাট পর্বতে বাধা পেয়ে পশ্চিম ঢালে প্রচুর বৃষ্টিপাত ঘটায়, কিন্তু পূর্ব ঢালে (দাক্ষিণাত্য মালভূমি) বৃষ্টিচ্ছায় অঞ্চল সৃষ্টি করে।
৫.১.৪ সমুদ্রস্রোত সৃষ্টির কারণগুলি আলোচনা করো।
উত্তর: সমুদ্রস্রোত সৃষ্টির প্রধান কারণগুলি হলো:
১) নিয়ত বায়ুপ্রবাহ: সমুদ্রস্রোত সৃষ্টির প্রধান কারণ হলো নিয়ত বায়ুপ্রবাহ (আয়ন, পশ্চিমা ও মেরু বায়ু)। বায়ুপ্রবাহের দিক অনুসারেই সমুদ্রের জলরাশি প্রবাহিত হয়।
২) পৃথিবীর আবর্তন গতি: পৃথিবীর আবর্তনের ফলে সৃষ্ট কোরিওলিস বলের প্রভাবে সমুদ্রস্রোত উত্তর গোলার্ধে ডানদিকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বামদিকে বেঁকে প্রবাহিত হয়।
৩) সমুদ্রজলের উষ্ণতার পার্থক্য: নিরক্ষীয় অঞ্চলের উষ্ণ ও হালকা জল বহিঃস্রোত রূপে মেরুর দিকে এবং মেরু অঞ্চলের শীতল ও ভারী জল অন্তঃস্রোত রূপে নিরক্ষরেখার দিকে প্রবাহিত হয়।
৪) লবণাক্ততা ও ঘনত্বের পার্থক্য: বেশি লবণাক্ত জল ভারী হওয়ায় নিচে এবং কম লবণাক্ত জল হালকা হওয়ায় উপরে থাকে। ঘনত্বের সমতা বজায় রাখতে স্রোতের সৃষ্টি হয়।
৫) উপকূলের আকৃতি: মহাদেশের উপকূলভাগের আকৃতি সমুদ্রস্রোতের গতিপথ পরিবর্তন করে এবং স্রোতকে বিভক্ত করে।
৫.২ আঞ্চলিক ভূগোল
৫.২.১ উত্তর ও দক্ষিণ ভারতের নদীগুলির মধ্যে প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্যের পার্থক্য আলোচনা করো।
উত্তর: ১) উৎস: উত্তর ভারতের নদীগুলি (গঙ্গা, সিন্ধু) বরফগলা জলে পুষ্ট হওয়ায় নিত্যবহ। দক্ষিণ ভারতের নদীগুলি (গোদাবরী, কৃষ্ণা) বৃষ্টির জলে পুষ্ট হওয়ায় অনিত্যবহ (শীতে জল কমে)।
২) দৈর্ঘ্য ও অববাহিকা: উত্তর ভারতের নদীগুলি সুদীর্ঘ এবং অববাহিকা বিশাল। দক্ষিণ ভারতের নদীগুলি তুলনামূলক ছোট এবং অববাহিকা ছোট।
৩) গতিপথ: উত্তরের নদীগুলি নবীন পার্বত্য অঞ্চল ও সমভূমির ওপর দিয়ে প্রবাহিত। দক্ষিণের নদীগুলি প্রাচীন কঠিন শিলা বা মালভূমির ওপর দিয়ে প্রবাহিত।
৪) নাব্যত: উত্তরের নদীগুলি সমভূমিতে গভীর ও ধীরগতি সম্পন্ন হওয়ায় নৌচলাচলের যোগ্য। দক্ষিণের নদীগুলি খরস্রোতা ও পাথুরে হওয়ায় নাব্য নয়।
৫) বদ্বীপ: উত্তরের নদীগুলির মোহনায় বিশাল বদ্বীপ গঠিত হয়েছে। দক্ষিণের পূর্ববাহিনী নদীতে বদ্বীপ থাকলেও পশ্চিমবাহিনী নদীতে বদ্বীপ নেই।
৫.২.২ ভারতে ধান উৎপাদনের অনুকূল প্রাকৃতিক পরিবেশের বর্ণনা দাও।
উত্তর: ধান ভারতের প্রধান খাদ্যশস্য। চাষের অনুকূল পরিবেশগুলি হলো:
১) জলবায়ু:
ক) উষ্ণতা: ধান ক্রান্তীয় ফসল। গড় উষ্ণতা ২০°C-৩০°C প্রয়োজন।
খ) বৃষ্টিপাত: প্রচুর জল প্রয়োজন, বার্ষিক ১০০-২০০ সেমি বৃষ্টিপাত দরকার। গাছের গোড়ায় জল জমে থাকা ধানের পক্ষে ভালো।
গ) আর্দ্রতা: চারাগাছ বৃদ্ধির সময় আর্দ্রতা এবং পাকার সময় শুষ্ক ও রৌদ্রোজ্জ্বল আবহাওয়া প্রয়োজন।
২) মৃত্তিকা: উর্বর পলিমাটি বা দোআঁশ মাটি এবং জলধারণ ক্ষমতাযুক্ত এঁটেল মাটি ধান চাষের জন্য শ্রেষ্ঠ।
৩) ভূপ্রকৃতি: সমতল ভূমি ধান চাষের জন্য আদর্শ কারণ এতে জল ধরে রাখা ও যন্ত্রপাতির ব্যবহার সহজ হয়। নদী অববাহিকা ও বদ্বীপ অঞ্চল ধান চাষের উপযুক্ত।
৫.২.৩ পূর্ব ও মধ্য ভারতে লৌহ-ইস্পাত শিল্প গড়ে ওঠার প্রধান কারণগুলি ব্যাখ্যা করো।
উত্তর: পূর্ব ও মধ্য ভারতে (ঝাড়খণ্ড, পশ্চিমবঙ্গ, ওড়িশা, ছত্তিশগড়) ভারতের প্রধান লৌহ-ইস্পাত কেন্দ্রগুলির (জামশেদপুর, দুর্গাপুর, ভিলাই, রাউড়কেলা) কেন্দ্রীভবনের কারণ:
১) কাঁচামালের সহজলভ্যতা:
ক) আকরিক লোহা: সিংভূম, ময়ূরভঞ্জ, কেওনঝড়, দাল্লি-রাজহারা ও বাইলাডিলা খনি থেকে উন্নত মানের আকরিক পাওয়া যায়।
খ) কয়লা: ঝরিয়া, রানিগঞ্জ, বোকারো ও তালচের খনি থেকে কোক কয়লা পাওয়া যায়।
গ) অন্যান্য: চুনাপাথর, ডলোমাইট ও ম্যাঙ্গানিজ স্থানীয় খনি (বীরমিত্রপুর, গাংপুর) থেকে পাওয়া যায়।
২) পরিবহন ও বন্দর: রেলপথের সুব্যবস্থা এবং কলকাতা, হলদিয়া ও পারাদ্বীপ বন্দরের নৈকট্য কাঁচামাল আমদানি ও পণ্য রপ্তানিতে সুবিধা দেয়।
৩) জল ও বিদ্যুৎ: দামোদর, সুবর্ণরেখা, মহানদী থেকে জল এবং DVC ও NTPC থেকে বিদ্যুৎ পাওয়া যায়।
৫.২.৪ ভারতে জনসংখ্যার অসম বণ্টনের পাঁচটি প্রধান কারণ আলোচনা করো।
উত্তর: ভারতের জনসংখ্যার ঘনত্ব সবর্ত্র সমান নয়। এর প্রধান কারণগুলি হলো:
১) ভূপ্রকৃতি: সমভূমি অঞ্চলে (গাঙ্গেয় সমভূমি) কৃষি, শিল্প ও যাতায়াতের সুবিধার জন্য জনঘনত্ব খুব বেশি। পার্বত্য ও মালভূমি অঞ্চলে বন্ধুর ভূপ্রকৃতির জন্য জনবসতি কম।
২) নদনদী ও জল: নদী তীরবর্তী অঞ্চলে উর্বর পলিমাটি ও জলের সহজলভ্যতার কারণে জনবসতি নিবিড় (সিন্ধু-গঙ্গা অববাহিকা)। শুষ্ক মরু অঞ্চলে জলের অভাবে জনবসতি বিরল।
৩) জলবায়ু: মনোরম ও নাতিশীতোষ্ণ জলবায়ু এবং পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাতযুক্ত অঞ্চলে জনসংখ্যা বেশি। চরমভাবাপন্ন বা অতি শীতল অঞ্চলে জনসংখ্যা কম।
৪) শিল্প ও নগরায়ন: শিল্পোন্নত অঞ্চল এবং বড় শহরগুলিতে (মুম্বাই, দিল্লি, কলকাতা) কর্মসংস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসার সুবিধার জন্য জনঘনত্ব অত্যধিক।
৫) মৃত্তিকা ও কৃষি: উর্বর দোআঁশ ও পলিমাটি কৃষি কাজের উপযোগী হওয়ায় সেখানে জনবসতি ঘন। অনুর্বর মাটিতে জনবসতি কম।