মাধ্যমিক ২০২৬ পরীক্ষার সময়সীমা
SUNITY ACADEMY - GEOGRAPHY
এই পেজে আমরা মাধ্যমিক টেস্ট পেপার ২০২৫-২৬ এর অন্তর্গত 'সুনীতি একাডেমি (Sunity Academy)'-এর ভূগোলের প্রশ্নপত্রের (পৃষ্ঠা ১৮৫) সম্পূর্ণ সমাধান নিয়ে আলোচনা করেছি। এখানে বিভাগ 'ক' (MCQ), বিভাগ 'খ' (SAQ, শুদ্ধ/অশুদ্ধ, শূন্যস্থান পূরণ, স্তম্ভ মেলানো) এবং বিভাগ 'গ' (২ নম্বরের প্রশ্ন)-এর প্রতিটি প্রশ্নের সঠিক ও নির্ভুল উত্তর দেওয়া হয়েছে। ২০২৬ সালের মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের জন্য এই সেটটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিটি উত্তর টেস্ট পেপারের উত্তরমালা এবং পাঠ্যবই যাচাই করে তৈরি করা হয়েছে যাতে তোমাদের প্রস্তুতিতে কোনো খামতি না থাকে।
Overview & Solution Guide
This page provides a comprehensive solution for the Geography Test Paper (Page 185) of 'Sunity Academy' for the Madhyamik 2026 examination. We have covered all sections including MCQ (Group A), SAQ, True/False, Fill in the blanks, Match the Columns (Group B), and 2-mark questions (Group C). Each answer has been meticulously verified with the official key and standard textbooks to ensure accuracy. Practicing this set will significantly boost your confidence and help you score better in the upcoming board exams.
পর্ষদ টেস্ট-পেপার সমাধান
- পর্ষদ Geography (Page-185) Link 🔗Click Here
- পর্ষদ Geography (Page-187) Link 🔗Click Here
- পর্ষদ Geography (Page-190) Link 🔗Click Here
- পর্ষদ Geography (Page-192) Link 🔗Click Here
- পর্ষদ Geography (Page-195) Link 🔗Click Here
- পর্ষদ Geography (Page-197) Link 🔗Click Here
- পর্ষদ Geography (Page-200) Link 🔗Click Here
- পর্ষদ Geography (Page-202) Link 🔗Click Here
- পর্ষদ Geography (Page-205) Link 🔗Click Here
- পর্ষদ Geography (Page-207) Link 🔗Click Here
- পর্ষদ Geography (Page-210) Link 🔗Click Here
- পর্ষদ Geography (Page-212) Link 🔗Click Here
- পর্ষদ Geography (Page-215) Link 🔗Click Here
- পর্ষদ Geography (Page-217) Link 🔗Click Here
- পর্ষদ Geography (Page-220) Link 🔗Click Here
- পর্ষদ Geography (Page-222) Link 🔗Click Here
- পর্ষদ Geography (Page-225) Link 🔗Click Here
| 2nd February, [সোমবার] | ☛ | বাংলা |
| 3rd February, [মঙ্গলবার] | ☛ | ইংরেজি |
| 6th February, [শুক্রবার] | ☛ | ইতিহাস |
| 7th February, [শনিবার] | ☛ | ভূগোল |
| 9th February, [সোমবার] | ☛ | গণিত |
| 10th February, [মঙ্গলবার] | ☛ | ভৌতবিজ্ঞান |
| 11th February, [বুধবার] | ☛ | জীবনবিজ্ঞান |
| 12th February, [শুক্রবার] | ☛ | ঐচ্ছিক বিষয় |
আমাদের প্রকাশিত বইসমূহ
ইতিহাস সাজেশন
₹30
ভূগোল সাজেশন
₹30
গণিত সাজেশন
₹30
জীবন বিজ্ঞান সাজেশন
₹30
ভৌত বিজ্ঞান সাজেশন
₹30
English Suggestion
₹30
বাংলা সাজেশান
₹30
ইতিহাস সাজেশন
₹30
ভূগোল সাজেশন
₹30
গণিত সাজেশন
₹30
জীবন বিজ্ঞান সাজেশন
₹30
ভৌত বিজ্ঞান সাজেশন
₹30
English Suggestion
₹30
বাংলা সাজেশান
₹30
BANKURA ZILLA SCHOOL
বাঁকুড়া জেলা স্কুল - PAGE 195
বিভাগ 'ক' : সঠিক উত্তরটি বেছে নিয়ে লেখো (১ x ১৪ = ১৪)
আমাদের প্রকাশিত বইসমূহ
ইতিহাস সাজেশন
₹30
ভূগোল সাজেশন
₹30
গণিত সাজেশন
₹30
জীবন বিজ্ঞান সাজেশন
₹30
ভৌত বিজ্ঞান সাজেশন
₹30
English Suggestion
₹30
বাংলা সাজেশান
₹30
ইতিহাস সাজেশন
₹30
বিভাগ 'খ' : প্রতিটি উপবিভাগ থেকে অন্তত ১টি করে মোট ২২টি প্রশ্নের উত্তর দাও
উপবিভাগ ২.১: নিম্নলিখিত বাক্যগুলি শুদ্ধ হলে পাশে 'শু' এবং অশুদ্ধ হলে পাশে 'অ' লেখো (১ x ৬ = ৬)
উপবিভাগ ২.২: উপযুক্ত শব্দ বসিয়ে শূন্যস্থান পূরণ করো (১ x ৬ = ৬)
উপবিভাগ ২.৩: দু-এক কথায় উত্তর দাও (১ x ৬ = ৬)
উপবিভাগ ২.৪: বামদিকের সাথে ডানদিকেরগুলি মিলিয়ে লেখো (১ x ৪ = ৪)
- ২.৪.১ মেরুজ্যোতি সৃষ্টি — গ) আয়নোস্ফিয়ার
- ২.৪.২ একটি মিলেট গবেষণা কেন্দ্র — ঘ) হায়দ্রাবাদ
- ২.৪.৩ দক্ষিণ-পূর্ব রেলের সদর দপ্তর — ক) কলকাতা
- ২.৪.৪ কয়াল — খ) কেরালা
আমাদের প্রকাশিত বইসমূহ
ইতিহাস সাজেশন
₹30
ভূগোল সাজেশন
₹30
গণিত সাজেশন
₹30
জীবন বিজ্ঞান সাজেশন
₹30
ভৌত বিজ্ঞান সাজেশন
₹30
English Suggestion
₹30
বাংলা সাজেশান
₹30
ইতিহাস সাজেশন
₹30
বিভাগ 'গ' : নীচের প্রশ্নগুলির সংক্ষিপ্ত উত্তর দাও (বিকল্প প্রশ্নগুলি লক্ষণীয়) (২ x ৬ = ১২)
জলপ্রপাতের পশ্চাদপসারণ: জলপ্রপাতের প্রবল জলস্রোতের আঘাতে নীচের কোমল শিলাস্তর দ্রুত ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে গহ্বর বা প্রপাতকূপের সৃষ্টি হয়। এর ফলে উপরের কঠিন শিলাস্তর অবলম্বনহীন হয়ে ভেঙে পড়ে। এভাবে জলপ্রপাত ধীরে ধীরে উৎসের দিকে সরে যায়, একে জলপ্রপাতের পশ্চাদপসারণ বলে।
পেরিজি জোয়ার: চাঁদ পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করার সময় যখন পৃথিবীর সবচেয়ে কাছে (প্রায় ৩ লক্ষ ৫৬ হাজার কিমি) চলে আসে, সেই অবস্থানকে পেরিজি বলে। এই সময় চাঁদের আকর্ষণ বল প্রবল হয় এবং যে জোয়ারের সৃষ্টি হয়, তাকে পেরিজি জোয়ার (Perigean Tide) বলে। এই জোয়ার সাধারণ জোয়ারের চেয়ে ১৫-২০% বেশি শক্তিশালী হয়।
তরল বর্জ্য: গৃহস্থালি, কলকারখানা বা কৃষিক্ষেত্র থেকে নির্গত তরল ও বিষাক্ত রাসায়নিক মিশ্রিত জলকে তরল বর্জ্য বলে। যেমন—নর্দমার নোংরা জল, কারখানার রাসায়নিক জল, এসিড মিশ্রিত জল।
মৌসুমি বিস্ফোরণ: জুন মাসের প্রথম সপ্তাহে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু কেরল উপকূলে প্রবেশ করে হঠাৎ প্রবল বৃষ্টিপাত ঘটায়। মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে এই আকস্মিক ও প্রবল বৃষ্টিপাতের ঘটনাকে মৌসুমি বিস্ফোরণ (Burst of Monsoon) বলে।
ধারণযোগ্য উন্নয়ন: ভবিষ্যৎ প্রজন্মের চাহিদা মেটানোর সামর্থ্য অক্ষুণ্ণ রেখে বর্তমান প্রজন্মের চাহিদা পূরণ করার যে উন্নয়ন প্রক্রিয়া, তাকে ধারণযোগ্য উন্নয়ন বা স্থিতিশীল উন্নয়ন (Sustainable Development) বলে। এতে পরিবেশের ক্ষতি না করে প্রাকৃতিক সম্পদের সুপরিকল্পিত ব্যবহারের ওপর জোর দেওয়া হয়।
সেন্সর: রিমোট সেন্সিং ব্যবস্থায় যে যন্ত্র বা ক্যামেরার সাহায্যে ভূপৃষ্ঠের বিভিন্ন বস্তুর থেকে প্রতিফলিত তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গ বা শক্তি সংগ্রহ করে তথ্য বা চিত্র তৈরি করা হয়, তাকে সেন্সর (Sensor) বা সংবেদক বলে।
বিভাগ 'ঘ' : সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যামূলক উত্তর দাও (বিকল্প প্রশ্নগুলি লক্ষণীয়) (৩ x ৪ = ১২)
১) প্রবাহের দিক: দিনের বেলা উষ্ণ বায়ু পর্বতের ঢাল বেয়ে নীচ থেকে উপরের দিকে ওঠে, একে অ্যানাবেটিক বায়ু বলে। আর রাতে শীতল বায়ু পর্বতের ঢাল বেয়ে উপর থেকে নীচের উপত্যকায় নেমে আসে, একে ক্যাটাবেটিক বায়ু বলে।
২) উষ্ণতা: অ্যানাবেটিক বায়ু উষ্ণ ও হালকা প্রকৃতির হয়। ক্যাটাবেটিক বায়ু শীতল ও ভারী প্রকৃতির হয়।
৩) স্থায়িত্ব: অ্যানাবেটিক বায়ু দীর্ঘস্থায়ী নয়, কিন্তু ক্যাটাবেটিক বায়ু বেশিক্ষণ স্থায়ী হতে পারে।
অথবা, নদী উপত্যকা 'I' বা 'V' আকৃতির হওয়ার কারণ:
পার্বত্য প্রবাহে নদীর স্রোত অত্যন্ত প্রবল থাকে এবং জলের সাথে প্রচুর নুড়ি, পাথর বাহিত হয়। এর ফলে নদীর নিম্নক্ষয় পার্শ্বক্ষয়ের তুলনায় অনেক বেশি হয়। বৃষ্টিহীন বা শুষ্ক অঞ্চলে কেবল নিম্নক্ষয়ের ফলে গিরিখাত খুব গভীর ও সংকীর্ণ হয়, যা ইংরেজি 'I' অক্ষরের মতো দেখতে হয় (ক্যানিয়ন)। আর আর্দ্র অঞ্চলে নিম্নক্ষয়ের সাথে সাথে বৃষ্টির জলেও ধস নামে এবং পার্শ্বক্ষয়ও কিছুটা হয়, ফলে উপত্যকা চওড়া হয়ে ইংরেজি 'V' অক্ষরের মতো দেখায়।
১) পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণ: মাটি, জল ও বাতাসের দূষণ রোধ করে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করার জন্য বর্জ্য ব্যবস্থাপনা একান্ত জরুরি।
২) জনস্বাস্থ্য রক্ষা: বর্জ্য থেকে ছড়ানো রোগজীবাণু ও সংক্রমণ রোধ করে সুস্থ সমাজ গড়ে তোলার জন্য সঠিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রয়োজন।
৩) সম্পদের পুনরুদ্ধার: বর্জ্য পদার্থকে পুনর্ব্যবহার ও পুনর্নবীকরণের মাধ্যমে নতুন সম্পদ বা শক্তিতে রূপান্তর করা যায়, যা অর্থনৈতিক সাশ্রয় ঘটায়।
অথবা, গ্যাসীয় বর্জ্য ব্যবস্থাপনার পদ্ধতি:
১) স্ক্রাবার ব্যবহার: কলকারখানার চিমনির মুখে স্ক্রাবার বসিয়ে বিষাক্ত গ্যাস ও ধূলিকণা পরিশোধন করা যায়।
২) ফিল্টার ব্যবহার: ইলেকট্রোস্ট্যাটিক প্রেসিপিটেটর বা ফিল্টারের মাধ্যমে বাতাসের ভাসমান দূষক কণা আলাদা করা হয়।
৩) উচ্চ চিমনি: কলকারখানার চিমনি অনেক উঁচুতে স্থাপন করলে দূষিত গ্যাস বায়ুমণ্ডলের ওপরের স্তরে ছড়িয়ে পড়ে এবং লোকালয়ে কম দূষণ ঘটায়।
১) অবস্থান ও প্রকৃতি: কর্ণাটক মালভূমির পশ্চিমের উঁচু-নিচু পাহাড়ি অঞ্চলকে মালনাদ বলে। আর পূর্বদিকের অপেক্ষাকৃত কম উঁচু ও মৃদু ঢেউ খেলানো সমপ্রায় ভূমিকে ময়দান বলে।
২) অর্থ: মালনাদ কথার অর্থ 'পাহাড়ি দেশ' এবং ময়দান কথার অর্থ 'উন্মুক্ত প্রান্তর'।
৩) গঠন: মালনাদ গ্রানাইট ও নিস শিলা দ্বারা গঠিত এবং অরণ্যাবৃত। ময়দান ব্যবচ্ছিন্ন মালভূমি এবং গ্রানাইট শিলা দ্বারা গঠিত হলেও এখানে গাছপালা কম।
অথবা, বনভূমি সংরক্ষণের উপায়:
১) বৃক্ষচ্ছেদন নিয়ন্ত্রণ: অপরিণত গাছ কাটা বন্ধ করা এবং বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে পরিণত গাছ কাটার ব্যবস্থা করা।
২) বনসৃজন: কাটা গাছের পরিবর্তে নতুন চারাগাছ লাগানো এবং পতিত জমিতে সামাজিক বনসৃজনের মাধ্যমে বনভূমির পরিমাণ বৃদ্ধি করা।
৩) দাবানল রোধ: বনে আগুন লাগা বা দাবানল থেকে বনভূমিকে রক্ষা করার জন্য নজরদারি ব্যবস্থা জোরদার করা।
৪) পশুচারণ নিয়ন্ত্রণ: অতিরিক্ত পশুচারণ নিয়ন্ত্রণ করে ছোট চারাগাছগুলিকে নষ্ট হওয়ার হাত থেকে রক্ষা করা।
স্কেলের ব্যবহার অনুযায়ী ভারতীয় জরিপ বিভাগ (Survey of India) টোপোগ্রাফিকাল মানচিত্রকে মূলত চার ভাগে ভাগ করেছে:
১) মিলিয়ন শিট: স্কেল ১:১০,০০,০০০ (অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাগত বিস্তার ৪° x ৪°)।
২) ডিগ্রি শিট: স্কেল ১:২,৫০,০০০ (অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাগত বিস্তার ১° x ১°)।
৩) হাফ ইঞ্চি শিট: স্কেল ১:১,০০,০০০ (অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাগত বিস্তার ৩০' x ৩০')।
৪) ইঞ্চি শিট: স্কেল ১:৫০,০০০ (অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাগত বিস্তার ১৫' x ১৫')।
অথবা, উপগ্রহ চিত্রের গুরুত্ব:
১) দুর্গম অঞ্চলের তথ্য: যেখানে মানুষ পৌঁছাতে পারে না (যেমন গভীর জঙ্গল, পার্বত্য অঞ্চল), সেখানকার সঠিক তথ্য উপগ্রহ চিত্রের মাধ্যমে পাওয়া যায়।
২) আবহাওয়ার পূর্বাভাস: মেঘের অবস্থান, ঘূর্ণিঝড়ের গতিপথ পর্যবেক্ষণ করে সঠিক আবহাওয়ার পূর্বাভাস দেওয়া সম্ভব হয়।
৩) সম্পদ মানচিত্র: বনভূমি, জলসম্পদ, কৃষিজমি এবং খনিজ সম্পদের অবস্থান নির্ণয় ও মানচিত্র তৈরিতে এটি অত্যন্ত কার্যকরী।
৪) হালনাগাদ তথ্য: খুব অল্প সময়ে বিশাল এলাকার সাম্প্রতিকতম তথ্য পাওয়া যায়, যা মানচিত্র সংশোধনে কাজে লাগে।
আমাদের প্রকাশিত বইসমূহ
ইতিহাস সাজেশন
₹30
ভূগোল সাজেশন
₹30
গণিত সাজেশন
₹30
জীবন বিজ্ঞান সাজেশন
₹30
ভৌত বিজ্ঞান সাজেশন
₹30
English Suggestion
₹30
বাংলা সাজেশান
₹30
ইতিহাস সাজেশন
₹30
বিভাগ 'ঙ' : ৫.১. যেকোনো দুটি প্রশ্নের উত্তর দাও এবং ৫.২. যেকোনো দুটি প্রশ্নের উত্তর দাও (৫ x ৪ = ২০)
৫.১ প্রাকৃতিক ভূগোল
১) বহিঃধৌত সমভূমি (Outwash Plain): পর্বতের পাদদেশে হিমবাহ গলে জলধারার সৃষ্টি হলে, সেই জলস্রোতের সাথে বাহিত নুড়ি, বালি, কাঁকর প্রভৃতি বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে সঞ্চিত হয়ে যে সমভূমির সৃষ্টি করে, তাকে বহিঃধৌত সমভূমি বলে। এটি সাধারণত বালি ও কাঁকর দ্বারা গঠিত।
২) এস্কার (Esker): হিমবাহ গলে যাওয়ার পর তার তলদেশ দিয়ে প্রবাহিত জলস্রোত বাহিত বালি, কাঁকর, পাথর জমা হয়ে নদীখাতের মতো বা দীর্ঘ আঁকাবাঁকা শৈলশিরার মতো যে ভূমিরূপ গঠন করে, তাকে এস্কার বলে। এগুলি লম্বায় কয়েক কিমি পর্যন্ত হতে পারে।
৩) কেম (Kame): হিমবাহের প্রান্তে বা শেষসীমায় বরফ গলে গেলে সেখানে বাহিত নুড়ি, বালি, কাদা স্তূপাকারে বা ছোট টিলার মতো সঞ্চিত হয়। এই ত্রিকোণাকার বা শঙ্কু আকৃতির ঢিপিগুলিকে কেম বলে। অনেক সময় কেমের সাথে ছোট হ্রদ বা কেট্ল দেখা যায়।
১) অক্ষাংশ: সূর্যরশ্মির পতন কোণের ওপর উষ্ণতা নির্ভর করে। নিরক্ষীয় অঞ্চলে সূর্যরশ্মি লম্বভাবে পড়ে, তাই সেখানে উষ্ণতা সবচেয়ে বেশি। মেরুর দিকে সূর্যরশ্মি ক্রমশ তির্যকভাবে পড়ে এবং দীর্ঘ পথ অতিক্রম করে আসে, ফলে তাপীয় ফল কম হয় এবং উষ্ণতা কমতে থাকে।
২) উচ্চতা: ট্রপোস্ফিয়ারে প্রতি ১০০০ মিটার বা ১ কিমি উচ্চতা বৃদ্ধিতে সাধারণ উষ্ণতা হ্রাসের হার বা ল্যাপস রেট অনুযায়ী ৬.৪°C হারে উষ্ণতা কমে। তাই একই অক্ষাংশে অবস্থিত হলেও সমভূমির তুলনায় পার্বত্য অঞ্চলের উষ্ণতা অনেক কম হয়।
৩) স্থলভাগ ও জলভাগের বন্টন: স্থলভাগ জলভাগের চেয়ে দ্রুত উষ্ণ ও দ্রুত শীতল হয়। তাই সমুদ্রের নিকটবর্তী অঞ্চলের জলবায়ু সমভাবাপন্ন হয় (নাতিশীতোষ্ণ)। কিন্তু সমুদ্র থেকে দূরবর্তী মহাদেশের অভ্যন্তরে জলবায়ু চরমভাবাপন্ন হয়, অর্থাৎ গ্রীষ্মকালে খুব গরম এবং শীতকালে খুব ঠান্ডা থাকে।
১) মেরু অঞ্চলের বরফ গলন: পৃথিবীর গড় উষ্ণতা বাড়ার ফলে মেরু প্রদেশ ও পার্বত্য অঞ্চলের হিমবাহ দ্রুত গলে যাচ্ছে। এর ফলে সমুদ্রের জলতল বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং উপকূলবর্তী এলাকা ও দ্বীপগুলি (যেমন সুন্দরবন, মালদ্বীপ) ডুবে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
২) জলবায়ুর পরিবর্তন: বিশ্ব উষ্ণায়নের ফলে আবহাওয়ার খামখেয়ালিপনা বাড়ছে। কোথাও অতিবৃষ্টি ও বন্যা, আবার কোথাও তীব্র খরা দেখা দিচ্ছে। এল নিনো ও লা নিনার প্রভাব অনিয়মিত হয়ে পড়ছে এবং সুপার সাইক্লোনের প্রকোপ বাড়ছে।
৩) বাস্তুতন্ত্রের বিনাশ: উষ্ণতা বৃদ্ধির ফলে অনেক উদ্ভিদ ও প্রাণী প্রজাতি বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে। প্রবাল প্রাচীর বা কোরাল রিফ ধ্বংস হচ্ছে (কোরাল ব্লিচিং)। কৃষি উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে এবং নতুন নতুন রোগের প্রাদুর্ভাব ঘটছে, যা মানবসভ্যতার জন্য হুমকিস্বরূপ।
১) জলবায়ুর ওপর প্রভাব: উষ্ণ স্রোত প্রবাহিত হলে উপকূলবর্তী অঞ্চলের উষ্ণতা বেড়ে যায় এবং বরফমুক্ত থাকে (যেমন—উষ্ণ উত্তর আটলান্টিক স্রোতের প্রভাবে ইউরোপের উপকূল বরফমুক্ত থাকে)। আবার শীতল স্রোতের প্রভাবে উপকূলের তাপমাত্রা কমে এবং শীতের তীব্রতা বাড়ে।
২) কুয়াশা ও ঝড়বৃষ্টি সৃষ্টি: উষ্ণ ও শীতল স্রোতের মিলনস্থলে তাপমাত্রার পার্থক্যের কারণে ঘন কুয়াশা ও দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার সৃষ্টি হয়, যা জাহাজ চলাচলে বাধা দেয়। যেমন—নিউফাউন্ডল্যান্ড উপকূল।
৩) মগ্নচড়া ও মৎস্যক্ষেত্র: উষ্ণ ও শীতল স্রোতের মিলনস্থলে মগ্নচড়া সৃষ্টি হয় (যেমন—গ্র্যান্ড ব্যাংক), যেখানে প্রচুর প্ল্যাঙ্কটন জন্মায়। এটি মাছেদের প্রধান খাদ্য, তাই এখানে পৃথিবীর বিখ্যাত মৎস্যক্ষেত্রগুলি গড়ে ওঠে।
৪) নৌ-চলাচল: সমুদ্রস্রোতের অনুকূলে জাহাজ চালালে সময় ও জ্বালানি সাশ্রয় হয়।
৫.২ আঞ্চলিক ভূগোল
১) উৎপত্তি: উত্তর ভারতের নদীগুলি হিমালয়ের বরফগলা জলে পুষ্ট, তাই এগুলি নিত্যবহ এবং সারাবছর জল থাকে। দক্ষিণ ভারতের নদীগুলি বৃষ্টির জলে পুষ্ট এবং মালভূমি বা পাহাড় থেকে উৎপন্ন, তাই এগুলি অনিত্যবহ এবং শুষ্ক ঋতুতে জল কমে যায় বা শুকিয়ে যায়।
২) দৈর্ঘ্য ও অববাহিকা: উত্তর ভারতের নদীগুলি সুদীর্ঘ এবং এদের অববাহিকা বিশাল ও বিস্তৃত। দক্ষিণ ভারতের নদীগুলি তুলনামূলকভাবে ছোট এবং অববাহিকা ছোট।
৩) গতিপথ ও নাব্যত: উত্তর ভারতের নদীগুলি সমভূমির ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় ধীরগতিসম্পন্ন এবং নৌ-চলাচলের যোগ্য। দক্ষিণ ভারতের নদীগুলি মালভূমির ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় খরস্রোতা এবং নৌ-চলাচলের অনুপযুক্ত।
৪) ব-দ্বীপ ও বিদ্যুৎ: উত্তরের নদীগুলি মোহনায় বিশাল ব-দ্বীপ গঠন করেছে। দক্ষিণের নদীগুলিতে ব-দ্বীপ কম দেখা যায় (পূর্ববাহিনী ছাড়া), তবে খরস্রোতা হওয়ায় জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য আদর্শ।
১) ঋতু পরিবর্তন: মৌসুমী বায়ুর আগমন (জুন-সেপ্টেম্বর) এবং প্রত্যাবর্তনের (অক্টোবর-নভেম্বর) ওপর ভিত্তি করেই ভারতের ঋতুচক্র আবর্তিত হয়। বর্ষাকাল ও শরৎকাল সরাসরি এর সাথে যুক্ত।
২) বৃষ্টিপাত: ভারতের মোট বৃষ্টিপাতের প্রায় ৮০-৯০ শতাংশ দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে ঘটে। কৃষিকাজ ও অর্থনীতি পুরোপুরি এই বৃষ্টির ওপর নির্ভরশীল।
৩) উষ্ণতা হ্রাস: গ্রীষ্মকালে ভারতের তাপমাত্রা যখন অত্যধিক বেড়ে যায়, তখন মৌসুমী বায়ুর আগমনে বৃষ্টিপাত শুরু হলে তাপমাত্রা ৫°-১০°C কমে যায় এবং স্বস্তি ফিরে আসে।
৪) বন্যা ও খরা: মৌসুমী বৃষ্টিপাত অনিশ্চিত ও অনিয়মিত। কোনো বছর অতিবৃষ্টিতে বন্যা হয়, আবার কোনো বছর অনাবৃষ্টিতে খরা দেখা দেয়। মৌসুমী বায়ুর এই খামখেয়ালিপনা ভারতের অর্থনীতিকে প্রভাবিত করে।
১) কাঁচামালের সহজলভ্যতা: এই অঞ্চলের আঙ্কেলেশ্বর, কাম্বে, বোম্বে হাই প্রভৃতি তৈলক্ষেত্র এবং স্থানীয় তেল শোধনাগার (যেমন কয়ালি, ট্রম্বে, জামনগর) থেকে ন্যাপথা, ইথিলিন প্রভৃতি কাঁচামাল প্রচুর পাওয়া যায়।
২) বন্দরের সুবিধা: মুম্বাই, কান্ডালা, নভসেবা, দহেজ প্রভৃতি উন্নত বন্দরের মাধ্যমে বিদেশ থেকে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও রাসায়নিক আমদানি এবং পণ্য রপ্তানির সুবিধা রয়েছে।
৩) চাহিদা ও বাজার: পশ্চিম ভারতে বস্ত্রবয়ন ও অন্যান্য শিল্পের বিকাশের কারণে কৃত্রিম তন্তু, রং, প্লাস্টিক প্রভৃতির বিশাল চাহিদা রয়েছে।
৪) পরিকাঠামো: উন্নত রেল ও সড়ক যোগাযোগ, সুলভ বিদ্যুৎ (কাকরাপাড়া, তারাপুর) এবং দক্ষ শ্রমিকের যোগান এই শিল্পের উন্নতিতে সহায়ক হয়েছে। এছাড়া আম্বানি, টাটা, বিড়লা গোষ্ঠীর মতো শিল্পপতিদের মূলধন বিনিয়োগ এই শিল্পের প্রসারে মুখ্য ভূমিকা নিয়েছে।
১) ভূ-প্রকৃতি: সমতল ও উর্বর ভূমি কৃষি, শিল্প ও পরিবহণের পক্ষে সুবিধাজনক, তাই সেখানে জনবসতি ঘন (যেমন উত্তর প্রদেশ, পশ্চিমবঙ্গ)। কিন্তু পার্বত্য বা মালভূমি অঞ্চল বন্ধুর হওয়ায় জনবসতি বিরল।
২) নদনদী ও জলসম্পদ: নদীর তীরবর্তী অঞ্চলে জলের সহজলভ্যতা কৃষি ও পানীয় জলের চাহিদা মেটায়, তাই সিন্ধু-গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র অববাহিকায় জনসংখ্যা সর্বাধিক।
৩) জলবায়ু: নাতিশীতোষ্ণ ও আরামদায়ক জলবায়ু এবং পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাতযুক্ত অঞ্চলে লোকসংখ্যা বেশি। কিন্তু মরুভূমির চরমভাবাপন্ন বা হিমালয়ের অতিশীতল জলবায়ুতে লোকসংখ্যা কম।
৪) শিল্প ও নগরায়ন: যেখানে খনিজ সম্পদ পাওয়া যায় এবং শিল্প গড়ে ওঠে, সেখানে কাজের সুযোগ থাকায় জনবসতি ঘন হয় (যেমন মুম্বাই, দিল্লি, কলকাতা)।
৫) পরিবহণ ও যোগাযোগ: উন্নত পরিবহণ ব্যবস্থা ব্যবসা-বাণিজ্য ও যাতায়াতের সুবিধা দেয়, তাই রেল ও সড়ক জালের বিস্তার যেখানে বেশি, সেখানে জনসংখ্যাও বেশি।
বিভাগ 'চ' : মানচিত্র চিহ্নিতকরণ (১ x ১০ = ১০)
৬.১) পশ্চিমঘাট পর্বত (ভারতের পশ্চিম উপকূল বরাবর)।
৬.২) নর্মদা নদী (মধ্য ভারত দিয়ে প্রবাহিত হয়ে আরব সাগরে পতিত)।
৬.৩) লোকটাক হ্রদ (মণিপুরে অবস্থিত)।
৬.৪) ভারতের শুষ্কতম অঞ্চল (রাজস্থানের জয়সলমীর বা থর মরুভূমি অঞ্চল)।
৬.৫) সুন্দরবন (পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ প্রান্তে)।
৬.৬) দক্ষিণ ভারতের কফি উৎপাদক অঞ্চল (নীলগিরি পার্বত্য অঞ্চল বা কর্ণাটকের কোদাগু)।
৬.৭) পূর্ব ভারতের একটি মোটর গাড়ি নির্মাণ কেন্দ্র (হিন্দমোটর বা জামশেদপুর)।
৬.৮) পূর্ব উপকূলের একটি স্বাভাবিক বন্দর (বিশাখাপত্তনম)।
৬.৯) উত্তর ভারতের বৃহত্তম মহানগর (দিল্লি)।
৬.১০) পশ্চিম ভারতের একটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (মুম্বাই ছত্রপতি শিবাজী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর)।
পর্ষদ টেস্ট-পেপার সমাধান
- পর্ষদ Geography (Page-185) Link 🔗Click Here
- পর্ষদ Geography (Page-187) Link 🔗Click Here
- পর্ষদ Geography (Page-190) Link 🔗Click Here
- পর্ষদ Geography (Page-192) Link 🔗Click Here
- পর্ষদ Geography (Page-195) Link 🔗Click Here
- পর্ষদ Geography (Page-197) Link 🔗Click Here
- পর্ষদ Geography (Page-200) Link 🔗Click Here
- পর্ষদ Geography (Page-202) Link 🔗Click Here
- পর্ষদ Geography (Page-205) Link 🔗Click Here
- পর্ষদ Geography (Page-207) Link 🔗Click Here
- পর্ষদ Geography (Page-210) Link 🔗Click Here
- পর্ষদ Geography (Page-212) Link 🔗Click Here
- পর্ষদ Geography (Page-215) Link 🔗Click Here
- পর্ষদ Geography (Page-217) Link 🔗Click Here
- পর্ষদ Geography (Page-220) Link 🔗Click Here
- পর্ষদ Geography (Page-222) Link 🔗Click Here
- পর্ষদ Geography (Page-225) Link 🔗Click Here
উপসংহার
এই পেজে সুনীতি একাডেমি (Sunity Academy)-এর ভূগোলের প্রশ্নপত্রটির সম্পূর্ণ সমাধান দেওয়া হলো। আশা করি, এই প্রশ্নোত্তরগুলো তোমাদের মাধ্যমিক ২০২৬ পরীক্ষার প্রস্তুতিতে বিশেষ সহায়ক হবে। ভূগোলের প্রতিটি অধ্যায়, বিশেষ করে ম্যাপ পয়েন্টিং এবং প্রাকৃতিক ভূগোলের অংশগুলি খুঁটিয়ে পড়া অত্যন্ত জরুরি। নিয়মিত অভ্যাসের মাধ্যমে তোমরা অবশ্যই ভালো ফলাফল করতে পারবে। তোমাদের সকলের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য আমাদের পক্ষ থেকে রইল অনেক অনেক শুভকামনা।
Conclusion
We have provided the complete solution for the Geography question paper of SUNITY ACADEMY on this page. We hope these questions and answers will be extremely helpful for your Madhyamik 2026 exam preparation. Reading every chapter of Geography thoroughly, especially Map Pointing and Physical Geography, is crucial. With regular practice, you will surely be able to achieve good results. We wish you all a very bright and successful future.
আমাদের প্রকাশিত বইসমূহ
ইতিহাস সাজেশন
₹30
ভূগোল সাজেশন
₹30
গণিত সাজেশন
₹30
জীবন বিজ্ঞান সাজেশন
₹30
ভৌত বিজ্ঞান সাজেশন
₹30
English Suggestion
₹30
বাংলা সাজেশান
₹30
Order Summary
- First Price: ₹30 (শুধু প্রশ্ন)
- Second Price: ₹50 (প্রশ্ন ও উত্তর সহ)
- Author: Sourav Bose
- Pages: Apx.100 Pages
- File Type: PDF Book (5 MB)
- Language: Bengali
- Publisher: Das Bros PVT LTD
- Payment: Online
- Return Policy: No Return & Replacement