মাধ্যমিক ২০২৬ পরীক্ষার সময়সীমা
SUNITY ACADEMY - GEOGRAPHY
এই পেজে আমরা মাধ্যমিক টেস্ট পেপার ২০২৫-২৬ এর অন্তর্গত 'সুনীতি একাডেমি (Sunity Academy)'-এর ভূগোলের প্রশ্নপত্রের (পৃষ্ঠা ১৮৫) সম্পূর্ণ সমাধান নিয়ে আলোচনা করেছি। এখানে বিভাগ 'ক' (MCQ), বিভাগ 'খ' (SAQ, শুদ্ধ/অশুদ্ধ, শূন্যস্থান পূরণ, স্তম্ভ মেলানো) এবং বিভাগ 'গ' (২ নম্বরের প্রশ্ন)-এর প্রতিটি প্রশ্নের সঠিক ও নির্ভুল উত্তর দেওয়া হয়েছে। ২০২৬ সালের মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের জন্য এই সেটটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিটি উত্তর টেস্ট পেপারের উত্তরমালা এবং পাঠ্যবই যাচাই করে তৈরি করা হয়েছে যাতে তোমাদের প্রস্তুতিতে কোনো খামতি না থাকে।
Overview & Solution Guide
This page provides a comprehensive solution for the Geography Test Paper (Page 185) of 'Sunity Academy' for the Madhyamik 2026 examination. We have covered all sections including MCQ (Group A), SAQ, True/False, Fill in the blanks, Match the Columns (Group B), and 2-mark questions (Group C). Each answer has been meticulously verified with the official key and standard textbooks to ensure accuracy. Practicing this set will significantly boost your confidence and help you score better in the upcoming board exams.
পর্ষদ টেস্ট-পেপার সমাধান
- পর্ষদ Geography (Page-185) Link 🔗Click Here
- পর্ষদ Geography (Page-187) Link 🔗Click Here
- পর্ষদ Geography (Page-190) Link 🔗Click Here
- পর্ষদ Geography (Page-192) Link 🔗Click Here
- পর্ষদ Geography (Page-195) Link 🔗Click Here
- পর্ষদ Geography (Page-197) Link 🔗Click Here
- পর্ষদ Geography (Page-200) Link 🔗Click Here
- পর্ষদ Geography (Page-202) Link 🔗Click Here
- পর্ষদ Geography (Page-205) Link 🔗Click Here
- পর্ষদ Geography (Page-207) Link 🔗Click Here
- পর্ষদ Geography (Page-210) Link 🔗Click Here
- পর্ষদ Geography (Page-212) Link 🔗Click Here
- পর্ষদ Geography (Page-215) Link 🔗Click Here
- পর্ষদ Geography (Page-217) Link 🔗Click Here
- পর্ষদ Geography (Page-220) Link 🔗Click Here
- পর্ষদ Geography (Page-222) Link 🔗Click Here
- পর্ষদ Geography (Page-225) Link 🔗Click Here
| 2nd February, [সোমবার] | ☛ | বাংলা |
| 3rd February, [মঙ্গলবার] | ☛ | ইংরেজি |
| 6th February, [শুক্রবার] | ☛ | ইতিহাস |
| 7th February, [শনিবার] | ☛ | ভূগোল |
| 9th February, [সোমবার] | ☛ | গণিত |
| 10th February, [মঙ্গলবার] | ☛ | ভৌতবিজ্ঞান |
| 11th February, [বুধবার] | ☛ | জীবনবিজ্ঞান |
| 12th February, [শুক্রবার] | ☛ | ঐচ্ছিক বিষয় |
আমাদের প্রকাশিত বইসমূহ
ইতিহাস সাজেশন
₹30
ভূগোল সাজেশন
₹30
গণিত সাজেশন
₹30
জীবন বিজ্ঞান সাজেশন
₹30
ভৌত বিজ্ঞান সাজেশন
₹30
English Suggestion
₹30
বাংলা সাজেশান
₹30
ইতিহাস সাজেশন
₹30
ভূগোল সাজেশন
₹30
গণিত সাজেশন
₹30
জীবন বিজ্ঞান সাজেশন
₹30
ভৌত বিজ্ঞান সাজেশন
₹30
English Suggestion
₹30
বাংলা সাজেশান
₹30
BARBASHI HIGH SCHOOL (H.S.)
বারবাসি হাই স্কুল (উঃ মাঃ) - PAGE 192
বিভাগ 'ক' : সঠিক উত্তরটি বেছে নিয়ে লেখো (১ x ১৪ = ১৪)
আমাদের প্রকাশিত বইসমূহ
ইতিহাস সাজেশন
₹30
ভূগোল সাজেশন
₹30
গণিত সাজেশন
₹30
জীবন বিজ্ঞান সাজেশন
₹30
ভৌত বিজ্ঞান সাজেশন
₹30
English Suggestion
₹30
বাংলা সাজেশান
₹30
ইতিহাস সাজেশন
₹30
বিভাগ 'খ' : প্রতিটি উপবিভাগ থেকে অন্তত ১টি করে মোট ২২টি প্রশ্নের উত্তর দাও
উপবিভাগ ২.১: নিম্নলিখিত বাক্যগুলি শুদ্ধ হলে পাশে 'শু' এবং অশুদ্ধ হলে পাশে 'অ' লেখো (১ x ৬ = ৬)
উপবিভাগ ২.২: উপযুক্ত শব্দ বসিয়ে শূন্যস্থান পূরণ করো (১ x ৬ = ৬)
উপবিভাগ ২.৩: একটি বা দুটি শব্দে উত্তর দাও (১ x ৬ = ৬)
উপবিভাগ ২.৪: বামদিকের সাথে ডানদিকেরগুলি মিলিয়ে লেখো (১ x ৪ = ৪)
- ২.৪.১ পশ্চিমঘাট পর্বত — (ঘ) ভাভুলমালা
- ২.৪.২ শিলাময় মরুভূমি — (গ) হামাদা
- ২.৪.৩ INSAT — (খ) ভূ-সমলয় উপগ্রহ
- ২.৪.৪ মেঘাচ্ছন্নতা — (ক) অক্টাস
আমাদের প্রকাশিত বইসমূহ
ইতিহাস সাজেশন
₹30
ভূগোল সাজেশন
₹30
গণিত সাজেশন
₹30
জীবন বিজ্ঞান সাজেশন
₹30
ভৌত বিজ্ঞান সাজেশন
₹30
English Suggestion
₹30
বাংলা সাজেশান
₹30
ইতিহাস সাজেশন
₹30
বিভাগ 'গ' : নীচের প্রশ্নগুলির সংক্ষিপ্ত উত্তর দাও (বিকল্প প্রশ্নগুলি লক্ষণীয়) (২ x ৬ = ১২)
ওয়াদি: মরু অঞ্চলে মাঝে মাঝে প্রবল বৃষ্টিপাতের ফলে সাময়িক জলধারার সৃষ্টি হয় এবং নদীখাতের সৃষ্টি করে। কিন্তু পরে জল শুকিয়ে গেলে নদীখাতটি শুষ্ক অবস্থায় থাকে। মরুভূমির এই শুষ্ক নদীখাতকে ওয়াদি (Wadi) বলে।
বায়ুপ্রবাহ ও বায়ুস্রোতের পার্থক্য: বায়ুপ্রবাহ হলো ভূপৃষ্ঠের সমান্তরালে অনুভূমিকভাবে উচ্চচাপ থেকে নিম্নচাপের দিকে বায়ুর চলাচল। আর বায়ুস্রোত হলো ভূপৃষ্ঠের সাথে উল্লম্বভাবে অর্থাৎ নিচ থেকে উপরে বা উপর থেকে নিচে বায়ুর চলাচল।
বর্জ্য: মানুষের দৈনন্দিন ব্যবহার্য বা গৃহস্থালি, শিল্পকারখানা, কৃষি প্রভৃতি ক্ষেত্র থেকে নির্গত যেসব কঠিন, তরল বা গ্যাসীয় পদার্থ অব্যবহারযোগ্য হয়ে পরিবেশে পরিত্যক্ত হয় এবং পরিবেশ দূষণ ঘটায়, তাদের বর্জ্য পদার্থ বলে।
কয়াল: মালাবার উপকূলে বা কেরল উপকূলে যে অসংখ্য অগভীর লবণাক্ত জলাভূমি বা লেগুন দেখা যায়, স্থানীয় ভাষায় তাদের কয়াল (Kayal) বলে। যেমন—ভেম্বানাদ কয়াল, অষ্টমুদী কয়াল।
পণ্যসূচকের গুরুত্ব: আলফ্রেড ওয়েবারের মতে, কোনো শিল্পের কাঁচামালের ওজন ও উৎপাদিত পণ্যের ওজনের অনুপাতকে পণ্যসূচক বলে। পণ্যসূচক ১ হলে শিল্পটি কাঁচামাল বা বাজার যেকোনো স্থানে গড়ে উঠতে পারে (যেমন কার্পাস)। পণ্যসূচক ১-এর বেশি হলে শিল্পটি কাঁচামাল উৎসের কাছে গড়ে ওঠে (যেমন লৌহ-ইস্পাত)।
উপগ্রহচিত্রের অসুবিধা: ১) উপগ্রহ চিত্র ব্যয়বহুল পদ্ধতি, তাই গরিব দেশগুলির পক্ষে ব্যবহার করা কঠিন। ২) আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকলে অপটিক্যাল সেন্সরের মাধ্যমে উপগ্রহ চিত্র তোলা সম্ভব হয় না বা অস্পষ্ট হয়।
বিভাগ 'ঘ' : সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যামূলক উত্তর দাও (বিকল্প প্রশ্নগুলি লক্ষণীয়) (৩ x ৪ = ১২)
১) অবস্থান: অনুদৈর্ঘ্য বালিয়াড়ি বায়ু প্রবাহের সমান্তরালে গঠিত হয়, কিন্তু তির্যক বালিয়াড়ি বায়ু প্রবাহের আড়াআড়ি বা লম্বভাবে গঠিত হয়।
২) আকৃতি: অনুদৈর্ঘ্য বালিয়াড়ি দেখতে দীর্ঘাকার বা তলোয়ারের মতো (সিফ), আর তির্যক বালিয়াড়ি দেখতে আধখানা চাঁদের মতো (বার্খান) হয়।
৩) স্থায়িত্ব: অনুদৈর্ঘ্য বালিয়াড়ি সাধারণত দীর্ঘস্থায়ী হয়, কিন্তু তির্যক বালিয়াড়ি পরিবর্তনশীল এবং দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে।
অথবা, বায়ুচাপের তারতম্যের কারণ:
১) উষ্ণতা: উষ্ণতা বাড়লে বায়ু প্রসারিত ও হালকা হয়ে উপরে ওঠে, ফলে নিম্নচাপ হয়। উষ্ণতা কমলে উচ্চচাপ হয়।
২) উচ্চতা: সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে উচ্চতা বাড়লে বায়ুর ঘনত্ব কমে, ফলে বায়ুচাপও কমে।
৩) জলীয় বাষ্প: জলীয় বাষ্প শুষ্ক বাতাসের চেয়ে হালকা। তাই বাতাসে জলীয় বাষ্প বাড়লে বায়ুর চাপ কমে।
১) কঠিন বর্জ্য: যেমন—প্লাস্টিক, কাঁচ, ধাতু, গৃহস্থালির আবর্জনা।
২) তরল বর্জ্য: যেমন—কলকারখানার রাসায়নিক জল, নর্দমার নোংরা জল।
৩) গ্যাসীয় বর্জ্য: যেমন—গাড়ি ও কারখানা থেকে নির্গত ধোঁয়া, কার্বন মনোক্সাইড।
৪) বিষাক্ত বর্জ্য: যেমন—সীসা, পারদ, তেজস্ক্রিয় পদার্থ।
অথবা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনার প্রয়োজনীয়তা:
১) দূষণ রোধ: পরিবেশকে মাটি, জল ও বায়ু দূষণের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য বর্জ্য ব্যবস্থাপনা জরুরি।
২) রোগ বিস্তার রোধ: বর্জ্য থেকে মশা, মাছি ও ইঁদুরের উপদ্রব বাড়ে এবং বিভিন্ন সংক্রামক রোগ ছড়ায়। সঠিক ব্যবস্থাপনায় তা রোধ করা যায়।
৩) সম্পদ পুনরুদ্ধার: বর্জ্য পদার্থ থেকে পুনর্ব্যবহারযোগ্য সম্পদ এবং শক্তি উৎপাদন করা সম্ভব, যা অর্থনৈতিক সাশ্রয় ঘটায়।
১) পণ্য পরিবহণ: ভারী ও অধিক পরিমাণ পণ্য (যেমন কয়লা, আকরিক লোহা) দূরবর্তী স্থানে কম খরচে পরিবহণের জন্য রেলপথ শ্রেষ্ঠ।
২) যাত্রী পরিবহণ: ভারতের মতো বিশাল দেশে দূরপাল্লার যাত্রীদের জন্য রেলপথ সবচেয়ে সস্তা ও আরামদায়ক মাধ্যম।
৩) জাতীয় সংহতি: দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে রেলপথ জাতীয় ঐক্য ও সংহতি রক্ষায় সাহায্য করে।
অথবা, পূর্ব ও পশ্চিম উপকূলের পার্থক্য:
১) প্রস্থ: পূর্ব উপকূল সমভূমি বেশ চওড়া (১০০-১২০ কিমি), কিন্তু পশ্চিম উপকূল সমভূমি সংকীর্ণ (১০-৮০ কিমি)।
২) ব-দ্বীপ: পূর্ব উপকূলের নদীগুলির মোহনায় ব-দ্বীপ দেখা যায়, কিন্তু পশ্চিম উপকূলের নদীগুলিতে ব-দ্বীপ নেই।
৩) সৃষ্টি: পূর্ব উপকূল মূলত পলি সঞ্চয়ের ফলে গঠিত, কিন্তু পশ্চিম উপকূল চ্যুতি বা নিমজ্জনের ফলে গঠিত হয়েছে।
১) অবস্থান: ভূ-সমলয় উপগ্রহ নিরক্ষরেখার উপরে প্রায় ৩৬,০০০ কিমি উঁচুতে থাকে। সূর্য-সমলয় উপগ্রহ মেরু বরাবর ৭০০-৯০০ কিমি উচ্চতায় ঘোরে।
২) আবর্তন: ভূ-সমলয় উপগ্রহ পৃথিবীর আবর্তনের গতির সাথে সামঞ্জস্য রেখে ঘোরে (পশ্চিম থেকে পূর্বে), তাই একে স্থির মনে হয়। সূর্য-সমলয় উত্তর থেকে দক্ষিণে ঘোরে।
৩) ব্যবহার: ভূ-সমলয় যোগাযোগ ও আবহাওয়ার কাজে এবং সূর্য-সমলয় সম্পদ সমীক্ষার কাজে ব্যবহৃত হয়।
অথবা, ভূ-বৈচিত্র্যসূচক মানচিত্রের বৈশিষ্ট্য:
১) স্কেল: এই মানচিত্র নির্দিষ্ট স্কেলে (যেমন ১:৫০,০০০) আঁকা হয়।
২) প্রতীক চিহ্ন: বিভিন্ন প্রাকৃতিক ও সাংস্কৃতিক উপাদান বোঝাতে নির্দিষ্ট প্রচলিত প্রতীক চিহ্ন ও রং ব্যবহার করা হয়।
৩) সমোন্নতি রেখা: এই মানচিত্রে ভূ-প্রকৃতির উচ্চতা ও বন্ধুরতা বোঝাতে বাদামী রঙের সমোন্নতি রেখা ব্যবহার করা হয়।
আমাদের প্রকাশিত বইসমূহ
ইতিহাস সাজেশন
₹30
ভূগোল সাজেশন
₹30
গণিত সাজেশন
₹30
জীবন বিজ্ঞান সাজেশন
₹30
ভৌত বিজ্ঞান সাজেশন
₹30
English Suggestion
₹30
বাংলা সাজেশান
₹30
ইতিহাস সাজেশন
₹30
বিভাগ 'ঙ' : ৫.১. যেকোনো দুটি প্রশ্নের উত্তর দাও এবং ৫.২. যেকোনো দুটি প্রশ্নের উত্তর দাও (৫ x ৪ = ২০)
৫.১ প্রাকৃতিক ভূগোল
১) নদীবাঁক বা মিয়েন্ডার (Meander): মধ্যগতিতে নদীর গতিবেগ কমে যায় এবং নদীপখ আঁকাবাঁকা হয়। নদীর প্রবাহপথে কোনো বাধা বা কঠিন শিলা থাকলে নদী তা এড়িয়ে এঁকেবেঁকে প্রবাহিত হয়। একে নদীবাঁক বা মিয়েন্ডার বলে। তুরস্কের মিয়েন্ডারেস নদীর নামানুসারে এই নামকরণ হয়েছে। ভাগীরথী নদীতে অনেক মিয়েন্ডার দেখা যায়।
২) অশ্বখুরাকৃতি হ্রদ (Ox-bow Lake): নদীবাঁক খুব বেশি হলে, নদীর জলস্রোত বাঁকের এক পাড়ে বেশি ক্ষয় করে এবং অন্য পাড়ে পলি সঞ্চয় করে। কালক্রমে নদীবাঁকের দুই প্রান্ত খুব কাছাকাছি চলে আসে এবং বন্যার সময় নদী বাঁকানো পথ ছেড়ে সোজা পথে প্রবাহিত হতে শুরু করে। ফলে পরিত্যক্ত বাঁকটি ঘোড়ার খুরের মতো হ্রদ আকারে অবস্থান করে, একে অশ্বখুরাকৃতি হ্রদ বলে। গঙ্গা ও পদ্মা নদীর গতিপথে এরকম অনেক হ্রদ দেখা যায়।
৩) নদীর পাড় বা নদী তট (River Bank and Cliff): নদীবাঁকের যে দিকে জলস্রোত আঘাত করে, সেখানে পাড় খাড়াভাবে ভেঙে যায়, একে নদী ভৃগু বা পাড় বলে। এর বিপরীত দিকে স্রোত কম থাকায় পলি, বালি সঞ্চিত হয়ে ঢালু চড়ার সৃষ্টি হয়, একে ঢালু পাড় বা স্লিপ অফ স্লোপ বলে।
১) উষ্ণমণ্ডল (Torrid Zone): নিরক্ষরেখার উত্তরে কর্কটক্রান্তি রেখা (২৩ ১/২° উঃ) এবং দক্ষিণে মকরক্রান্তি রেখার (২৩ ১/২° দঃ) মধ্যবর্তী অঞ্চলকে উষ্ণমণ্ডল বলে। এখানে সূর্যরশ্মি সারাবছর লম্বভাবে পড়ে, তাই গড় উষ্ণতা খুব বেশি (২৭°C)। এখানে ঋতু পরিবর্তন বিশেষ দেখা যায় না।
২) নাতিশীতোষ্ণ মণ্ডল (Temperate Zone): উত্তর গোলার্ধে কর্কটক্রান্তি থেকে সুমেরুবৃত্ত (৬৬ ১/২° উঃ) এবং দক্ষিণ গোলার্ধে মকরক্রান্তি থেকে কুমেরুবৃত্ত (৬৬ ১/২° দঃ) পর্যন্ত অঞ্চলকে নাতিশীতোষ্ণ মণ্ডল বলে। এখানে সূর্যরশ্মি তির্যকভাবে পড়ে, তাই খুব গরম বা খুব ঠান্ডা কোনোটাই অনুভূত হয় না।
৩) হিমমণ্ডল (Frigid Zone): দুই গোলার্ধে মেরুবৃত্ত থেকে মেরুবিন্দু (৯০°) পর্যন্ত অঞ্চলকে হিমমণ্ডল বলে। এখানে সূর্যরশ্মি অতি তির্যকভাবে পড়ে, ফলে উষ্ণতা হিমাঙ্কের নিচে থাকে এবং সারাবছর বরফ জমে থাকে।
১) আয়নবায়ু ও চাপবলয়: কর্কটীয় ও মকরীয় উচ্চচাপ বলয় থেকে নিরক্ষীয় নিম্নচাপ বলয়ের দিকে সারাবছর নিয়মিতভাবে যে বায়ু প্রবাহিত হয়, তাকে আয়নবায়ু বলে। ফেরেলের সূত্রানুসারে উত্তর গোলার্ধে এটি উত্তর-পূর্ব আয়নবায়ু এবং দক্ষিণ গোলার্ধে দক্ষিণ-পূর্ব আয়নবায়ু নামে পরিচিত। নিরক্ষীয় নিম্নচাপ বলয়ের টানেই এই বায়ু প্রবাহিত হয়।
২) পশ্চিমাবায়ু ও চাপবলয়: কর্কটীয় ও মকরীয় উচ্চচাপ বলয় থেকে মেরুবৃত্ত প্রদেশীয় নিম্নচাপ বলয়ের দিকে যে বায়ু প্রবাহিত হয়, তাকে পশ্চিমাবায়ু বলে। উত্তর গোলার্ধে এটি দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে প্রবাহিত হয়। দুই মেরুবৃত্তে নিম্নচাপ সৃষ্টি হওয়ার ফলেই ক্রান্তীয় উচ্চচাপ অঞ্চল থেকে এই বায়ু মেরুর দিকে ছুটে যায়। সুতরাং, চাপবলয়গুলির অবস্থানই এই বায়ুপ্রবাহের দিক ও গতি নিয়ন্ত্রণ করে।
১) ন নিয়ত বায়ুপ্রবাহ: সমুদ্র স্রোত সৃষ্টির প্রধান কারণ হলো নিয়ত বায়ুপ্রবাহ। আয়নবায়ু, পশ্চিমাবায়ু ও মেরুবায়ু সমুদ্রের জলরাশিকে নির্দিষ্ট পথে প্রবাহিত হতে বাধ্য করে।
২) পৃথিবীর আবর্তন গতি: পৃথিবীর আবর্তনের ফলে সৃষ্ট কোরিওলিস বলের প্রভাবে সমুদ্র স্রোত উত্তর গোলার্ধে ডানদিকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বামদিকে বেঁকে প্রবাহিত হয়।
৩) উষ্ণতার তারতম্য: নিরক্ষীয় অঞ্চলের জল উষ্ণ ও হালকা হওয়ায় তা পৃষ্ঠস্রোত রূপে মেরুর দিকে প্রবাহিত হয়। আবার মেরু অঞ্চলের শীতল ও ভারী জল অন্তঃস্রোত রূপে নিরক্ষরেখার দিকে প্রবাহিত হয়।
৪) লবণাক্ততার পার্থক্য: লবণাক্ততা বাড়লে জলের ঘনত্ব বাড়ে এবং জল ভারী হয়ে নিচে নামে। কম লবণাক্ত জল হালকা হওয়ায় উপরে থাকে। এই ঘনত্বের পার্থক্যে অন্তঃস্রোত ও বহিঃস্রোতের সৃষ্টি হয়।
৫) স্থলভাগের অবস্থান: সমুদ্র স্রোতের প্রবাহপথে মহাদেশ বা স্থলভাগ অবস্থান করলে স্রোত তাতে বাধা পেয়ে দিক পরিবর্তন করে বা বিভক্ত হয়ে যায়।
৫.২ আঞ্চলিক ভূগোল
১) উষ্ণতা: কফি চাষের জন্য উষ্ণ আবহাওয়া প্রয়োজন। ২০°C থেকে ৩০°C উষ্ণতা কফি চাষের পক্ষে আদর্শ। তুষারপাত বা তীব্র রোদ কফি গাছের ক্ষতি করে।
২) বৃষ্টিপাত: বছরে ১৫০ থেকে ২৫০ সেমি বৃষ্টিপাত কফি চাষের জন্য উপযোগী। ফলের বৃদ্ধির সময় নিয়মিত বৃষ্টিপাত দরকার, কিন্তু ফল পাকার সময় শুষ্ক আবহাওয়া প্রয়োজন।
৩) মৃত্তিকা: লৌহ, পটাশ ও নাইট্রোজেন সমৃদ্ধ উর্বর লাল দোআঁশ মাটি বা লাভা গঠিত মাটি কফি চাষের পক্ষে শ্রেষ্ঠ। ভারতের দক্ষিণাত্যের লাল মাটিতে কফি ভালো হয়।
৪) জমির প্রকৃতি: কফি গাছের গোড়ায় জল জমলে গাছের ক্ষতি হয়। তাই পাহাড়ের ঢালু জমি কফি চাষের জন্য উপযুক্ত। দক্ষিণ ভারতের নীলগিরি, কর্ণাটকের পাহাড়ি ঢালে কফি চাষ হয়।
৫) ছায়াপ্রদানকারী বৃক্ষ: প্রখর সূর্যালোক থেকে কফি গাছকে বাঁচাতে বাগিচার মধ্যে কলা, সিলভার ওক প্রভৃতি বড় গাছ লাগানো হয়।
১) কাঁচামালের সহজলভ্যতা: এই অঞ্চলের আঙ্কেলেশ্বর, কাম্বে, বোম্বে হাই প্রভৃতি তৈলক্ষেত্র থেকে এবং স্থানীয় তেল শোধনাগার (যেমন কয়ালি, ট্রম্বে, জামনগর) থেকে ন্যাপথা, ইথিলিন প্রভৃতি কাঁচামাল প্রচুর পাওয়া যায়।
২) বন্দরের সুবিধা: মুম্বাই, কান্ডালা, নভসেবা প্রভৃতি উন্নত বন্দরের মাধ্যমে বিদেশ থেকে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও রাসায়নিক আমদানি এবং পণ্য রপ্তানির সুবিধা রয়েছে।
৩) চাহিদা ও বাজার: পশ্চিম ভারতে বস্ত্রবয়ন ও অন্যান্য শিল্পের বিকাশের কারণে কৃত্রিম তন্তু, রং, প্লাস্টিক প্রভৃতির বিশাল চাহিদা রয়েছে।
৪) পরিবহণ ও বিদ্যুৎ: উন্নত রেল ও সড়ক যোগাযোগ এবং তারাপুর ও কাকরাপাড়া পারমাণবিক কেন্দ্র এবং তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে সুলভ বিদ্যুতের যোগান এই শিল্পের উন্নতিতে সাহায্য করেছে।
৫) মূলধন: এই অঞ্চলের পার্সি, গুজরাটি ও ভাটিয়া শিল্পপতিদের বিপুল মূলধন বিনিয়োগ এই শিল্প গড়ে উঠতে সাহায্য করেছে।
১) বৃষ্টিপাতের অনিশ্চয়তা: ভারতে মৌসুমি বৃষ্টিপাত অনিয়মিত। কখনো খরা, আবার কখনো দেরিতে বৃষ্টি শুরু হয়। তাই শস্য বাঁচাতে জলসেচ প্রয়োজন।
২) শীতকালীন চাষ: ভারতে শীতকালে বৃষ্টিপাত প্রায় হয় না বললেই চলে। তাই রবি শস্য (গম, সরিষা) চাষের জন্য জলসেচ একান্ত জরুরি।
৩) বৃষ্টির অসম বণ্টন: ভারতের সব জায়গায় সমান বৃষ্টি হয় না। রাজস্থান বা দাক্ষিণাত্যের মালভূমি অঞ্চলের মতো কম বৃষ্টিপাতযুক্ত অঞ্চলে চাষাবাদের জন্য জলসেচ ছাড়া উপায় নেই।
৪) উচ্চফলনশীল বীজ: সবুজ বিপ্লবের পর থেকে ব্যবহৃত উচ্চফলনশীল বীজগুলিতে প্রচুর জলের প্রয়োজন হয়, যা কেবল বৃষ্টির জলে মেটানো সম্ভব নয়।
৫) বহুফসলি জমি: একই জমিতে বছরে একাধিকবার ফসল ফলানোর জন্য মাটির আর্দ্রতা বজায় রাখতে নিয়মিত জলসেচের প্রয়োজন হয়।
১) ভূ-প্রকৃতি: সমতল ও উর্বর ভূমি কৃষি, শিল্প ও পরিবহণের পক্ষে সুবিধাজনক, তাই সেখানে জনবসতি ঘন (যেমন উত্তর প্রদেশ, পশ্চিমবঙ্গ)। কিন্তু পার্বত্য বা মালভূমি অঞ্চল বন্ধুর হওয়ায় জনবসতি বিরল।
২) জলবায়ু: নাতিশীতোষ্ণ ও আরামদায়ক জলবায়ু এবং পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাতযুক্ত অঞ্চলে লোকসংখ্যা বেশি। কিন্তু মরুভূমির চরমভাবাপন্ন বা হিমালয়ের অতিশীতল জলবায়ুতে লোকসংখ্যা কম।
৩) মৃত্তিকা ও কৃষি: উর্বর পলিমাটি কৃষি কাজের জন্য আদর্শ, তাই নদী উপত্যকাগুলিতে জনঘনত্ব বেশি। অনুর্বর মাটিতে কৃষি ভালো হয় না বলে জনবসতি কম।
৪) শিল্প ও খনিজ সম্পদ: যেখানে খনিজ সম্পদ পাওয়া যায় এবং শিল্প গড়ে ওঠে, সেখানে কাজের সুযোগ থাকায় জনবসতি ঘন হয় (যেমন ছোটনাগপুর মালভূমি অঞ্চল)।
৫) পরিবহণ ও যোগাযোগ: উন্নত পরিবহণ ব্যবস্থা ব্যবসা-বাণিজ্য ও যাতায়াতের সুবিধা দেয়, তাই রেল ও সড়ক জালের বিস্তার যেখানে বেশি, সেখানে জনসংখ্যাও বেশি।
বিভাগ 'চ' : মানচিত্র চিহ্নিতকরণ (১ x ১০ = ১০)
৬.১) নীলগিরি পর্বত (দক্ষিণ ভারতে পূর্বঘাট ও পশ্চিমঘাট পর্বতের সংযোগস্থলে)।
৬.২) ভারতের সর্বাধিক ভগ্ন উপকূল (কঙ্কন উপকূল/মহারাষ্ট্র উপকূল)।
৬.৩) পশ্চিমি ঝঞ্ঝাযুক্ত অঞ্চল (উত্তর-পশ্চিম ভারত, পাঞ্জাব-হারিয়ানা)।
৬.৪) ভারতের ধান গবেষণাগার (কটক, ওড়িশা)।
৬.৫) পশ্চিম ভারতের একটি মোটরগাড়ি নির্মাণ কেন্দ্র (মুম্বাই/পুনে/গুরগাঁও)।
৬.৬) কৃষ্ণমৃত্তিকা অঞ্চল (ডেকান ট্র্যাপ/মহারাষ্ট্র ও গুজরাট)।
৬.৭) ভারতের একটি অন্তর্বাহিনী নদী (লুনি নদী, রাজস্থান)।
৬.৮) দক্ষিণ ভারতের একটি মহানগর (চেন্নাই/বেঙ্গালুরু/হায়দ্রাবাদ)।
৬.৯) কান্ডালা বন্দর (গুজরাটের কচ্ছ উপকূলে শুল্কমুক্ত বন্দর)।
৬.১০) একটি পার্বত্য উদ্ভিজ্জ অঞ্চল (হিমালয় পার্বত্য অঞ্চল বা জম্মু-কাশ্মীর)।
পর্ষদ টেস্ট-পেপার সমাধান
- পর্ষদ Geography (Page-185) Link 🔗Click Here
- পর্ষদ Geography (Page-187) Link 🔗Click Here
- পর্ষদ Geography (Page-190) Link 🔗Click Here
- পর্ষদ Geography (Page-192) Link 🔗Click Here
- পর্ষদ Geography (Page-195) Link 🔗Click Here
- পর্ষদ Geography (Page-197) Link 🔗Click Here
- পর্ষদ Geography (Page-200) Link 🔗Click Here
- পর্ষদ Geography (Page-202) Link 🔗Click Here
- পর্ষদ Geography (Page-205) Link 🔗Click Here
- পর্ষদ Geography (Page-207) Link 🔗Click Here
- পর্ষদ Geography (Page-210) Link 🔗Click Here
- পর্ষদ Geography (Page-212) Link 🔗Click Here
- পর্ষদ Geography (Page-215) Link 🔗Click Here
- পর্ষদ Geography (Page-217) Link 🔗Click Here
- পর্ষদ Geography (Page-220) Link 🔗Click Here
- পর্ষদ Geography (Page-222) Link 🔗Click Here
- পর্ষদ Geography (Page-225) Link 🔗Click Here
উপসংহার
এই পেজে সুনীতি একাডেমি (Sunity Academy)-এর ভূগোলের প্রশ্নপত্রটির সম্পূর্ণ সমাধান দেওয়া হলো। আশা করি, এই প্রশ্নোত্তরগুলো তোমাদের মাধ্যমিক ২০২৬ পরীক্ষার প্রস্তুতিতে বিশেষ সহায়ক হবে। ভূগোলের প্রতিটি অধ্যায়, বিশেষ করে ম্যাপ পয়েন্টিং এবং প্রাকৃতিক ভূগোলের অংশগুলি খুঁটিয়ে পড়া অত্যন্ত জরুরি। নিয়মিত অভ্যাসের মাধ্যমে তোমরা অবশ্যই ভালো ফলাফল করতে পারবে। তোমাদের সকলের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য আমাদের পক্ষ থেকে রইল অনেক অনেক শুভকামনা।
Conclusion
We have provided the complete solution for the Geography question paper of SUNITY ACADEMY on this page. We hope these questions and answers will be extremely helpful for your Madhyamik 2026 exam preparation. Reading every chapter of Geography thoroughly, especially Map Pointing and Physical Geography, is crucial. With regular practice, you will surely be able to achieve good results. We wish you all a very bright and successful future.
আমাদের প্রকাশিত বইসমূহ
ইতিহাস সাজেশন
₹30
ভূগোল সাজেশন
₹30
গণিত সাজেশন
₹30
জীবন বিজ্ঞান সাজেশন
₹30
ভৌত বিজ্ঞান সাজেশন
₹30
English Suggestion
₹30
বাংলা সাজেশান
₹30
Order Summary
- First Price: ₹30 (শুধু প্রশ্ন)
- Second Price: ₹50 (প্রশ্ন ও উত্তর সহ)
- Author: Sourav Bose
- Pages: Apx.100 Pages
- File Type: PDF Book (5 MB)
- Language: Bengali
- Publisher: Das Bros PVT LTD
- Payment: Online
- Return Policy: No Return & Replacement