১। যথাযথ উত্তরটি বেছে লেখো: (১ x ১৭ = ১৭)
১.১ "হেনকালে শঙ্খনাদ করেন শ্রীপতি।" - শ্রীপতির শঙ্খের নাম-
(ক) গাণ্ডীব
(খ) কৌস্তভ
(গ) পাঞ্চজন্য
(ঘ) ঐরাবত
উত্তর: (গ) পাঞ্চজন্য
১.২ চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার লুণ্ঠনের দলে ছিলেন-
(ক) বীণা দাস
(খ) প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার
(গ) লক্ষ্মীবাই
(ঘ) মাতঙ্গিনী
উত্তর: (খ) প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার
১.৩ জয়রাম বাবুর আদিবাস ছিল-
(ক) যশোহর
(খ) ঢাকা
(গ) পূর্ণিয়া
(ঘ) ফরিদপুর
উত্তর: (ক) যশোহর
১.৪ মুনিস্বামী সারা সপ্তাহের মিঠাই তৈরি করে-
(ক) বুধবার
(খ) সোমবার
(গ) শনিবার
(ঘ) রবিবার
উত্তর: (ঘ) রবিবার
১.৫ যন্ত্রতন্ত্রযোগে প্রাকৃতবিজ্ঞান শিক্ষা দিতেন-
(ক) বিষু
(খ) অঘোর বাবু
(গ) সীতানাথ দত্ত
(ঘ) হেরম্ব তত্ত্বরত্ন
উত্তর: (গ) সীতানাথ দত্ত
১.৬ শান্তিনিকেতন থেকে ফেরার পথে লেখিকা চাবি হারিয়েছিলেন-
(ক) শক্তিগড়ে
(খ) পানাগড়ে
(গ) বর্ধমানে
(ঘ) বোলপুরে
উত্তর: (ক) শক্তিগড়ে
১.৭ "মুখে আমরা বলি বটে সত্যমেব জয়তে - আসলে আমরা চাই -
(ক) সত্য থেকে দূরে থাকতে
(খ) সত্য থেকে পালাতে
(গ) সত্যের প্রকৃত অর্থ না বুঝতে
(ঘ) সত্য যেন কোনোদিনই প্রকাশ না পায়
উত্তর: (ক) সত্য থেকে দূরে থাকতে
১.৮ মানসের আবিষ্কার যে পত্রিকায় বের হয়েছিল-
(ক) স্টেটসম্যান
(খ) আনন্দবাজার
(গ) নিউইয়র্ক হেরাল্ড
(ঘ) টেলিগ্রাফ
উত্তর: (গ) নিউইয়র্ক হেরাল্ড
১.৯ বহুকাল থেকে ডায়ারি লিখি আমি। বহুকাল থেকে ডায়ারি লেখার অভ্যাস ছিল যার-
(ক) মানস
(খ) তাপস
(গ) কেতকী
(ঘ) দশরথ
উত্তর: (ক) মানস
১.১০ নীল আকাশে কে ভাসালো সাদা মেঘের ভেলা। 'আকাশে' পদটি যে কারক -
(ক) কর্মকারক
(খ) কর্তৃকারক
(গ) অধিকরণ কারক
(ঘ) অপাদান কারক
উত্তর: (গ) অধিকরণ কারক
১.১১ রাজায় রাজায় যুদ্ধ হয়। এই বাক্যের কর্তাটি যে প্রকারের-
(ক) নিরপেক্ষ কর্তা
(খ) ব্যতিহার কর্তা
(গ) সহযোগী কর্তা
(ঘ) সমধাতুজ কর্তা
উত্তর: (খ) ব্যতিহার কর্তা
১.১২ 'সমাস' শব্দটির সাধারণ অর্থ হল-
(ক) সমন্বয়
(খ) সংক্ষেপ
(গ) সম্বন্ধ
(ঘ) কোনোটিই নয়
উত্তর: (খ) সংক্ষেপ (অথবা একপদীকরণ)
১.১৩ পঞ্চ নদের সমাহার- এটি যে সমাসের ব্যাসবাক্য-
(ক) তৎপুরুষ সমাস
(খ) বহুব্রীহি সমাস
(গ) কর্মধারয় সমাস
(ঘ) দ্বিগু সমাস
উত্তর: (ঘ) দ্বিগু সমাস
১.১৪ 'যখন সন্ধ্যা হয় তখন পাখিরা বাসায় ফেরে।' এটি হল-
(ক) জটিল বাক্য
(খ) সরল বাক্য
(গ) মিশ্র বাক্য
(ঘ) যৌগিক বাক্য
উত্তর: (ক) জটিল বাক্য
১.১৫ 'সত্য সেলুকাস, কী বিচিত্র এই দেশ!' অর্থগত দিক থেকে বাক্যটি যে শ্রেণির-
(ক) প্রশ্নবাচক বাক্য
(খ) সন্দেহবাচক বাক্য
(গ) আবেগসূচক বাক্য
(ঘ) হ্যাঁ-বাচক বাক্য
উত্তর: (গ) আবেগসূচক বাক্য
১.১৬ যে বাচ্যের বাচ্যান্তর ঘটে না-
(ক) কর্তৃবাচ্যের
(খ) কর্মবাচ্যের
(গ) ভাববাচ্যের
(ঘ) কর্মকর্তৃবাচ্যের
উত্তর: (ঘ) কর্মকর্তৃবাচ্যের
১.১৭ যে বাচ্যে ক্রিয়াপদের ভাবের প্রাধান্য থাকে, সেই বাচ্যটি হল-
(ক) ভাববাচ্য
(খ) কর্মবাচ্য
(গ) কর্তৃবাচ্য
(ঘ) কর্মকর্তৃবাচ্য
উত্তর: (ক) ভাববাচ্য
২। কম-বেশি ২০ টি শব্দের মধ্যে উত্তর লেখো: (১ x ১৯ = ১৯)
২.১। যে-কোনো তিনটি প্রশ্নের উত্তর দাও:
২.১.১ "বাঙালির খুনে লাল হলো যেথা" বাঙালির খুনে কী লাল হয়েছিল?
উত্তর: উল্লিখিত অংশে ক্লাইভ স্ট্রিটের রাজপথ বাঙালির রক্তে লাল হওয়ার কথা বলা হয়েছে।
২.১.২ 'খল ও নিন্দুক' কবিতা অনুযায়ী জলধর কী করে?
উত্তর: 'খল ও নিন্দুক' কবিতা অনুসারে জলধর অর্থাৎ মেঘ পৃথিবীকে জলদান করে বা বৃষ্টিপাত ঘটায়।
২.১.৩ "আজি শুভক্ষণে রাত পোহালো” এমন মনে হওয়ার কারণ কী ছিল?
উত্তর: দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর বা সংকট কেটে গিয়ে নতুন আশার আলো দেখা দেওয়ায় রাত পোহানোকে 'শুভক্ষণ' বলা হয়েছে। (প্রসঙ্গ অনুসারে উত্তর হবে)।
২.১.৪ "হেন বিপরীত আশা করে সে কারণ" কে বিপরীত আশা করেছিল?
উত্তর: এখানে বৃহন্নলা রূপী অর্জুনের কথা বলা হয়েছে, যে যুদ্ধক্ষেত্রে এমন বিপরীত পরিস্থিতির আশা করেছিল।
২.২। যে-কোনো তিনটি প্রশ্নের উত্তর দাও:
২.২.১ জয়রামবাবু কার কাছ থেকে কত টাকায় হাতি কিনেছিলেন?
উত্তর: জয়রামবাবু করিম বক্স মৌলবির কাছ থেকে ৫০০ টাকায় হাতিটি কিনেছিলেন।
২.২.২ "অনেককাল পরে আজ সে নোট-বই খুললে।" কে, কবে নোটবই খুলেছিলেন?
উত্তর: নিবারণ বাবু সাত বছর পরে তাঁর নোটবইটি খুলেছিলেন।
২.২.৩ "এটাই আমার এক্সপেরিমেন্টের জায়গা কিনা!" কে, কাকে একথা বলেছিলেন?
উত্তর: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'পথের দাবী' রচনায় এই উক্তিটি পুলিশ স্টেশনে নিমাই বাবুকে উদ্দেশ্য করে অপূব বলেছিল (বা প্রসঙ্গানুসারে হরিদা কথককে বলেছিল)।
২.২.৪ "তার ব্যবসা ও বিজ্ঞাপন সবই আলাদা রকমের।" এখানে কার কথা বলা হয়েছে?
উত্তর: এখানে বহুরূপী গল্পের হরিদার অদ্ভুত বা বিচিত্র পেশার কথা বলা হয়েছে।
২.৩। যে-কোনো তিনটি প্রশ্নের উত্তর দাও:
২.৩.১ পোর্ট ক্যানিং কোম্পানি কোথায় স্থাপিত হয়েছিল?
উত্তর: সুন্দরবনের মাতলা নদীর তীরে পোর্ট ক্যানিং কোম্পানি স্থাপিত হয়েছিল।
২.৩.২ "তিনি আমাদের ভুজবলে শাসন করিতেন না।" কার কথা বলা হয়েছে?
উত্তর: এখানে ইংরেজ শাসক বা জমিদার শ্রেণির কথা বলা হয়েছে যারা কেবল গায়ের জোরে নয়, কৌশলেও শাসন করত।
২.৩.৩ আলমের স্ত্রী কে ছিলেন?
উত্তর: আলমের স্ত্রীর নাম ছিল আতিজিয়া।
২.৩.৪ "আমি বহুকাল ঐ লৌহজালাবৃত প্রকোষ্ঠে বাস করিলাম।” বক্তা কে?
উত্তর: এই উক্তিটির বক্তা হলেন স্বাধীনতা সংগ্রামী উল্লাসকর দত্ত বা অনুরূপ কোনো বিপ্লবী চরিত্র (পাঠ্য বিষয় অনুসারে)।
২.৪। যে-কোনো দুটি প্রশ্নের উত্তর দাও:
২.৪.১ "এই তিন শক্তি... তোমার বীক্ষণ কে ভক্ষণ করবে।" 'এই তিন শক্তি' কী কী?
উত্তর: এখানে যে তিন শক্তির কথা বলা হয়েছে তা হলো - শারীরিক শক্তি, মানসিক শক্তি এবং আধ্যাত্মিক শক্তি (বা প্রসঙ্গানুসারে ভিন্ন হতে পারে)।
২.৪.২ মানসের চাকরের নাম কী ছিল?
উত্তর: মানসের চাকরের নাম ছিল রামচরণ (বা পাঠ্য অনুযায়ী নির্দিষ্ট নাম)।
২.৪.৩ "এইটেই এখন সবচেয়ে ঝোড়ো অত্যাচার হয়ে দাঁড়িয়েছে।" কোন বিষয়ের কথা বলা হয়েছে?
উত্তর: এখানে সম্ভবত ইংরেজি ভাষার অতিরিক্ত ব্যবহার বা কোনো সামাজিক কুপ্রথার কথা বলা হয়েছে যা বর্তমানে অত্যাচারের শামিল।
২.৫। যে-কোনো আটটি প্রশ্নের উত্তর দাও: (ব্যাকরণ)
২.৫.১ বিভক্তি কাকে বলে একটি উদাহরণ দাও।
উত্তর: যে বর্ণ বা বর্ণগুচ্ছ শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয়ে শব্দকে পদে পরিণত করে তাকে বিভক্তি বলে। যেমন- রাম + এর = রামের ('এর' বিভক্তি)।
২.৫.২ 'কলমে কায়স্থ চিনি, গোঁফেতে রাজপুত।'- রেখাঙ্কিত পদটির কারক ও বিভক্তি নির্ণয় করো।
উত্তর: কলমে - করণ কারকে 'এ' বিভক্তি (উপলক্ষণার্থে করণ)।
২.৫.৩ ব্যাসবাক্য সহ সমাস নির্ণয় করো- রাজবাড়ি।
উত্তর: রাজার বাড়ি = রাজবাড়ি (সম্বন্ধ তৎপুরুষ সমাস)।
২.৫.৪ ব্যাসবাক্যের অপর নাম কী?
উত্তর: ব্যাসবাক্যের অপর নাম বিগ্রহ বাক্য।
২.৫.৫ বাক্য নির্মাণের শর্ত কয়টি ও কী কী?
উত্তর: বাক্য নির্মাণের শর্ত তিনটি: ১) আকাঙ্ক্ষা, ২) যোগ্যতা এবং ৩) আসত্তি।
২.৫.৬ যৌগিক বাক্যে পরিণত করো: তিনি ধনী হলেও তাঁর এতটুকু অহংকার নেই।
উত্তর: তিনি ধনী কিন্তু তাঁর এতটুকু অহংকার নেই।
২.৫.৭ বাচ্যকে কত ভাগে ভাগ করা হয় ও কী কী?
উত্তর: বাচ্যকে সাধারণত ৪ ভাগে ভাগ করা হয়। যথা- ১) কর্তৃবাচ্য, ২) কর্মবাচ্য, ৩) ভাববাচ্য এবং ৪) কর্মকর্তৃবাচ্য।
২.৫.৮ একটি কর্মকর্তৃবাচ্যের উদাহরণ দাও।
উত্তর: শাঁখ বাজে।
২.৫.৯ একটি সম্বোধন পদের উদাহরণ দাও।
উত্তর: ওহে, এদিকে এসো। (এখানে 'ওহে' হলো সম্বোধন পদ)।
২.৫.১০ ব্যাসবাক্যসহ সমাস নির্ণয় করো- দেশান্তর।
উত্তর: অন্য দেশ = দেশান্তর (নিত্য সমাস)।
৩। প্রসঙ্গ নির্দেশ করে কমবেশি ৬০টি শব্দে উত্তর দাও: (৩ x ৩ = ৯)
৩.১.১ "অপূর্ব এক স্বপ্নসম লাগতেছিল চক্ষে মম - কোন কবিতার অংশ? 'অপূর্ব এক স্বপ্নসম' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
উত্তর: উদ্ধৃত অংশটি 'পথের দাবী' বা পাঠ্যভুক্ত কবিতার অংশ। 'অপূর্ব এক স্বপ্নসম' বলতে কবির বা বক্তার চোখে দেখা কোনো অসাধারণ দৃশ্য বা অনুভূতির কথা বোঝানো হয়েছে যা বাস্তবের চেয়ে স্বপ্নের মতো সুন্দর মনে হয়েছিল।
৩.১.২ "ফাঁসির মঞ্চে গেয়ে গেল যারা জীবনের জয়গান।" কারা, কীভাবে 'জীবনের জয়গান' রচনা করেছিল?
উত্তর: এখানে স্বাধীনতা সংগ্রামী বিপ্লবীদের কথা বলা হয়েছে। তাঁরা দেশের স্বাধীনতার জন্য হাসিমুখে ফাঁসির দড়ি বরণ করে নিয়ে মৃত্যুকে তুচ্ছ করে জীবনের শ্রেষ্ঠতা প্রমাণ করেছিলেন, এভাবেই তাঁরা জীবনের জয়গান গেয়েছিলেন।
৩.২.১ "কিন্তু তবু তার একটা গভীর দুঃখ আছে।" - এখানে কার কথা বলা হয়েছে? তার দুঃখ বিষয়ে লেখো।
উত্তর: এখানে পাঠ্য গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্রের কথা বলা হয়েছে। তার দুঃখের কারণ হলো সে যা চায় বা যা ভাবে, তা বাস্তবে প্রতিফলিত করতে না পারা অথবা কোনো প্রিয়জনের বিচ্ছেদ।
৩.২.২ "আমি ভাবিয়া ছিলাম আপনি এখানকার একজন ভালো উকিল।" - বক্তা কে? উদ্ধৃতাংশটির প্রসঙ্গ নির্দেশ করো।
উত্তর: বক্তা হলেন গল্পের এক চরিত্র। প্রসঙ্গত, কোনো বিচার বা আইনি জটিলতার সময় বক্তা অপর এক চরিত্রের বুদ্ধিমত্তা বা আইনি জ্ঞান দেখে এই মন্তব্যটি করেছিলেন।
৩.৩ এবং ৩.৪ এর উত্তর দাও:
৩.৩.১ "এটা জ্ঞানীর যোগ্য উপদেশ হলো" - কোন রচনার অংশ? উপদেশটি কী ছিল?
উত্তর: এটি পাঠ্যপুস্তকের অন্তর্গত একটি রচনার অংশ। উপদেশটি ছিল সংযম ও ধৈর্য ধারণ করা এবং পরিস্থিতির সঠিক বিচার করা।
৩.৩.২ "ইচ্ছা ছিল না যে, সে সুখ ত্যাগ করিয়া আর ফিরিয়া আসি।" বক্তা কে? তার সেই সুখের বর্ণনা দাও।
উত্তর: বক্তা গল্পের নায়ক বা প্রধান চরিত্র। সেই সুখ ছিল প্রকৃতির কোলে বা প্রিয়জনের সান্নিধ্যে কাটানো এক অনাবিল শান্তির মুহূর্ত যা সে ত্যাগ করতে চায়নি।
৩.৪.১ "পালিয়েছে আমার সহকারীরা।" কার সহকারীরা কেন পালিয়েছে?
উত্তর: এখানে কোনো বিজ্ঞানী বা অভিযাত্রীর সহকারীদের কথা বলা হয়েছে। তারা বিপদ বা অজানা আতঙ্কের ভয়ে পালিয়েছে।
৩.৪.২ "এতে কিন্তু আমি এতটুকুও বিস্মিত হচ্ছি না মানস।” - বক্তা কে? তিনি কোন বিষয়ে বিস্মিত হননি?
উত্তর: বক্তা হলেন মানসের বন্ধু বা সহকর্মী। মানসের কোনো অদ্ভুত আবিষ্কার বা আচরণের বিষয়ে তিনি বিস্মিত হননি কারণ তিনি মানসের প্রতিভা সম্পর্কে আগে থেকেই জানতেন।
৪। কম-বেশি ২০০ শব্দে একটি প্রশ্নের উত্তর দাওঃ (৭ x ১ = ৭)
৪.১ "স্বাধীনতা-দিনে ভুললে এঁদের, সেটা হবে জেনো মহাপাতক!” কোন কবিতার অংশ? কাদের, কেন ভুললে মহাপাতক হবে?
উত্তর: উদ্ধৃত অংশটি একটি দেশাত্মবোধক কবিতার অংশ। এখানে দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামীদের কথা বলা হয়েছে, যারা দেশের জন্য আত্মবলিদান দিয়েছেন। তাঁদের ভুললে মহাপাতক বা মহাপাপ হবে কারণ তাঁদের ত্যাগের বিনিময়েই আমরা আজকের স্বাধীনতা উপভোগ করছি। তাঁদের রক্তে অর্জিত স্বাধীনতা রক্ষা করা এবং তাঁদের সম্মান জানানো আমাদের পরম কর্তব্য।
৪.২ কামিনী রায় রচিত 'চাহিবে না ফিরে' কবিতার বিষয়বস্তু সংক্ষেপে আলোচনা করো।
উত্তর: কামিনী রায়ের 'চাহিবে না ফিরে' কবিতায় মানবজীবনের এক গভীর সত্য প্রকাশিত হয়েছে। কবি বলতে চেয়েছেন যে, অতীতকে আঁকড়ে ধরে বসে থাকার নাম জীবন নয়। জীবনে দুঃখ, কষ্ট, বিচ্ছেদ আসবেই, কিন্তু তাকে পেছনে ফেলে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। সময় নদীর স্রোতের মতো প্রবহমান, সে কখনো ফিরে চায় না। তাই মানুষকেও অতীতের সুখস্মৃতি বা দুঃখের সাগরে নিমজ্জিত না হয়ে বর্তমানের কর্তব্যে মন দিতে হবে এবং ভবিষ্যতের পথে অগ্রসর হতে হবে।
৫। কম-বেশি ২০০ শব্দে যে-কোনো একটি প্রশ্নের উত্তর দাও: (৭ x ১ = ৭)
৫.১ "পত্রপাঠ করিয়া ব্রাহ্মণের মাথায় যেন বজ্রাঘাত হইল।" ব্রাহ্মণটি কে? তাঁর চরিত্রের বিভিন্ন দিক বিষয়ে আলোচনা করো।
উত্তর: ব্রাহ্মণটি হলেন গল্পের প্রধান চরিত্র। তাঁর চরিত্র বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় তিনি অত্যন্ত নিষ্ঠাবান, ধর্মপরায়ণ কিন্তু একই সাথে কিছুটা ভীরু স্বভাবের। তিনি সমাজের নিয়মকানুন মেনে চলতে ভালোবাসেন। কিন্তু পত্রটি পাঠ করে তিনি অত্যন্ত বিচলিত হয়ে পড়েন, যা তাঁর মানসিক দুর্বলতার পরিচয় দেয়। তবুও গল্পের শেষে হয়তো তাঁর চরিত্রের এক মানবিক দিক বা উত্তরণের পরিচয় পাওয়া যায়।
৫.২ "এগুলো সব ভবিষ্যতের জন্য লিখে যেতে পারলে ভালো হতো।।” - কোন রচনার অংশ? বক্তা কে? কী সব লেখার কথা বলেছেন?
উত্তর: এটি 'হারিয়ে যাওয়া কালি কলম' বা অনুরূপ কোনো প্রবন্ধের অংশ। বক্তা স্বয়ং প্রাবন্ধিক। তিনি লুপ্তপ্রায় ঐতিহ্য, বিশেষ করে দোয়াত, কলম এবং পুরনো লিখন পদ্ধতির ইতিহাস ও স্মৃতি ভবিষ্যতের প্রজন্মের জন্য লিখে যাওয়ার কথা বলেছেন, যাতে এই ঐতিহ্যগুলো হারিয়ে না যায়।
৬। কম-বেশি ১৫০ শব্দে যে-কোনো একটি প্রশ্নের উত্তর লেখো: (৫ x ১ = ৫)
৬.১ "অদ্য আমাদিগের কি শুভ দিন! বক্তা কে? তার এমন মন্তব্যের তাৎপর্য বিশ্লেষণ করো।
উত্তর: বক্তা হলেন নাট্যাংশ বা গল্পের এক চরিত্র। কোনো বিশেষ প্রাপ্তি বা দীর্ঘ প্রতীক্ষিত কোনো ঘটনা ঘটার ফলে তিনি দিনটিকে শুভ দিন বলেছেন। এর তাৎপর্য হলো, দীর্ঘদিনের অন্ধকার বা হতাশা কেটে গিয়ে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে, যা বক্তাকে আনন্দিত করেছে।
৬.২ "আজ আমি, তোমাদিগকে বিধাতার একটি আশ্চর্য, সৃষ্টি দেখাইব।" কোন রচনার অংশ? 'আশ্চর্য সৃষ্টি'টি কী ছিল? তা দেখে লেখকের প্রতিক্রিয়া কী হয়েছিল?
উত্তর: এটি জগদীশচন্দ্র বসুর রচনার অংশ হতে পারে বা কোনো বিজ্ঞান বিষয়ক রচনার। 'আশ্চর্য সৃষ্টি'টি ছিল উদ্ভিদের প্রাণ বা কোনো বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার। তা দেখে লেখক বিস্ময়ে অভিভূত হয়েছিলেন এবং প্রকৃতির রহস্য উন্মোচনে রোমাঞ্চিত বোধ করেছিলেন।
৮। কম-বেশি ৪০০ শব্দে যে-কোনো একটি বিষয় অবলম্বনে প্রবন্ধ রচনা করো: (১০ x ১ = ১০)
৮.১ পরিবেশ দূষণ ও তার প্রতিকার
(ছাত্রছাত্রীরা এই বিষয়ে নিজস্ব ভাষায় প্রবন্ধ রচনা করবে। মূল বিষয়: পরিবেশের সংজ্ঞা, দূষণের কারণ, প্রকারভেদ, জনজীবনে প্রভাব এবং প্রতিকারের উপায়।)
৮.২ মহাকাশ গবেষণায় ভারতের সাফল্য
(ইসরোর প্রতিষ্ঠা, আর্যভট্ট, চন্দ্রযান, মঙ্গলযান এবং গগনযান মিশনের সাফল্য উল্লেখ করে প্রবন্ধটি লিখতে হবে।)
৮.৩ বাংলার উৎসব
(বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বণ, বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসব, ঋতুভিত্তিক উৎসব এবং জাতীয় সংহতি রক্ষায় উৎসবের ভূমিকা আলোচনা করতে হবে।)
৮.৪ একটি নদীর আত্মকথা
(নদীর জন্ম, প্রবাহপথ, মানুষের সভ্যতায় তার অবদান এবং বর্তমানে দূষণের ফলে তার করুণ অবস্থার বর্ণনা দিয়ে আত্মকথাটি লিখতে হবে।)
১০। কম-বেশি ১২৫টি শব্দে প্রশ্নটির উত্তর লেখো: (৮ x ১ = ৮)
১০.১ তোমার এলাকার রাস্তাঘাটের খারাপ অবস্থার কথা জানিয়ে সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিকের কাছে একটি প্রশাসনিক পত্র রচনা করো।
প্রতি,
সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক মহাশয়,
[ব্লকের নাম, যেমন- গোপীবল্লভপুর-১ ব্লক]
[জেলার নাম, যেমন- ঝাড়গ্রাম]
বিষয়: এলাকার রাস্তাঘাটের শোচনীয় অবস্থার প্রতিকার চেয়ে আবেদন।
মহাশয়,
বিনীত নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [গ্রামের নাম]-এর একজন স্থায়ী বাসিন্দা। আমাদের গ্রামের প্রধান রাস্তাটি দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের অভাবে চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। রাস্তার পিচ উঠে গিয়ে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। বর্ষাকালে এই গর্তগুলিতে জল জমে রাস্তাটি ডোবায় পরিণত হয়, ফলে যাতায়াত করা দুর্বিষহ হয়ে ওঠে। স্কুল-কলেজের ছাত্রছাত্রী এবং বয়স্ক মানুষদের নিত্যদিন চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। অ্যাম্বুলেন্স বা জরুরি পরিষেবার গাড়ি গ্রামে ঢুকতে পারে না।
এমতাবস্থায়, আপনার কাছে আমাদের বিনীত অনুরোধ, আপনি যদি সরেজমিনে তদন্ত করে রাস্তাটি দ্রুত মেরামতের ব্যবস্থা করেন তবে আমরা গ্রামবাসীগণ আপনার নিকট চিরকৃতজ্ঞ থাকব।
নমস্কারান্তে,
[আপনার নাম]
[গ্রামের নাম ও তারিখ]