৪.১ হিমরেখার উচ্চতা সব স্থানে ও সব ঋতুতে সমান থাকে না কেন? অথবা, ভরা কোটাল ও মরা কোটালের তুলনামূলক আলোচনা করো।
হিমরেখার উচ্চতা: হিমরেখার উচ্চতা অক্ষাংশ, ঋতু পরিবর্তন ও ভূমির ঢালের ওপর নির্ভর করে। নিরক্ষীয় অঞ্চলে উষ্ণতা বেশি হওয়ায় হিমরেখা ৫০০০-৬০০০ মিটার উঁচুতে থাকে, কিন্তু মেরু অঞ্চলে উষ্ণতা কম হওয়ায় তা সমুদ্রপৃষ্ঠে অবস্থান করে। আবার শীতকালে উষ্ণতা কম থাকায় হিমরেখা নিচে নেমে আসে এবং গ্রীষ্মকালে ওপরে উঠে যায়।
অথবা, ভরা ও মরা কোটাল: ১) অবস্থান: ভরা কোটালে পৃথিবী, চাঁদ ও সূর্য এক সরলরেখায় থাকে (সিজিগি), মরা কোটালে চাঁদ ও সূর্য পৃথিবীর সাথে সমকোণে থাকে। ২) তিথি: ভরা কোটাল অমাবস্যা ও পূর্ণিমায় হয়, মরা কোটাল অষ্টমী তিথিতে হয়। ৩) প্রাবল্য: ভরা কোটালে জোয়ারের জলস্ফীতি খুব বেশি হয়, মরা কোটালে তা কম হয়।
৪.২ জৈব-ভঙ্গুর ও জৈব-অভঙ্গুর বর্জ্যের মধ্যে পার্থক্য লেখো। অথবা, পরিবেশের ওপর বর্জ্যের তিনটি প্রভাব আলোচনা করো।
পার্থক্য: ১) পচনশীলতা: জৈব-ভঙ্গুর বর্জ্য ব্যাকটেরিয়া দ্বারা বিয়োজিত হয়ে মাটিতে মিশে যায় (যেমন- সবজি, কাগজ), কিন্তু জৈব-অভঙ্গুর বর্জ্য সহজে পচে না (যেমন- প্লাস্টিক, কাঁচ)। ২) ক্ষতি: ভঙ্গুর বর্জ্য পরিবেশের ক্ষতি কম করে এবং সার তৈরি হয়, অভঙ্গুর বর্জ্য পরিবেশ দূষণ ঘটায়।
অথবা, পরিবেশের ওপর প্রভাব: ১) দূষণ: বর্জ্য পদার্থ মাটি, জল ও বায়ু দূষণ ঘটায়। ২) রোগ ছড়ানো: পচা আবর্জনা থেকে মশা-মাছি বাহিত রোগ ছড়ায়। ৩) বাস্তুতন্ত্রের ক্ষতি: জলাশয়ে বর্জ্য ফেলার ফলে জলজ প্রাণী মারা যায় এবং বাস্তুতন্ত্র নষ্ট হয়।
৪.৩ মৃত্তিকা সংরক্ষণের তিনটি পদ্ধতি উল্লেখ করো। অথবা, 'আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থা' বলতে কী বোঝ?
মৃত্তিকা সংরক্ষণ: ১) বৃক্ষরোপণ: গাছের শিকড় মাটিকে আঁকড়ে ধরে রাখে, তাই বনসৃজন মৃত্তিকা ক্ষয় রোধ করে। ২) ধাপ চাষ: পাহাড়ি অঞ্চলে ধাপ কেটে চাষ করলে জলের গতি কমে এবং মাটি ক্ষয় কম হয়। ৩) ফালি চাষ: ঢালু জমিতে আড়াআড়িভাবে ফালি তৈরি করে শস্য রোপণ করলে মাটি ধুয়ে যাওয়া রোধ করা যায়।
অথবা, আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থা: বর্তমানে তথ্য আদানপ্রদানের জন্য যে উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়, তাকে আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থা বলে। এর মধ্যে ইন্টারনেট, ই-মেইল, মোবাইল ফোন, কৃত্রিম উপগ্রহ ব্যবস্থা উল্লেখযোগ্য। এটি অত্যন্ত দ্রুত ও বিশ্বব্যাপী যোগাযোগের মাধ্যম।
৪.৪ 'স্থলাকৃতিক মানচিত্র' ও 'উপগ্রহ চিত্র'-এর মধ্যে পার্থক্য কী? অথবা, ভূ-বৈচিত্র্যসূচক মানচিত্রে ব্যবহৃত বিভিন্ন স্কেল উল্লেখ করো।
পার্থক্য: ১) মাধ্যম: স্থলাকৃতিক মানচিত্র জরিপ কার্যের মাধ্যমে হাতে আঁকা হয়, উপগ্রহ চিত্র সেন্সরের মাধ্যমে ডিজিটাল পদ্ধতিতে তোলা হয়। ২) সময়: টোপো ম্যাপ তৈরিতে অনেক সময় লাগে, উপগ্রহ চিত্র রিয়েল টাইম বা সাম্প্রতিক তথ্য দেয়। ৩) নির্ভুলতা: উপগ্রহ চিত্র বেশি নির্ভুল এবং দুর্গম অঞ্চলের তথ্যও পাওয়া যায়।
অথবা, ব্যবহৃত স্কেল: ভূ-বৈচিত্র্যসূচক মানচিত্রে সাধারণত তিন ধরনের স্কেল ব্যবহার করা হয়— ১) বিবৃতিমূলক স্কেল, ২) ভগ্নাংশসূচক স্কেল (R.F.), এবং ৩) লৈখিক স্কেল। ভারতে ১:৫০,০০০, ১:২৫,০০০ ইত্যাদি R.F. স্কেল বেশি ব্যবহৃত হয়।
বিভাগ 'ঙ' : ৫.১ যেকোনো দুটি প্রশ্নের উত্তর দাও (৫ x ২ = ১০)
৫.১.১ শুষ্ক অঞ্চলে বায়ু ও জলধারার মিলিত কার্যের ফলে গঠিত ভূমিরূপগুলির সচিত্র বর্ণনা দাও।
উত্তর: মরুভূমিতে বায়ু ও সাময়িক জলধারার মিলিত কার্যের ফলে নিম্নলিখিত ভূমিরূপগুলি গঠিত হয়:
১) ওয়াদি (Wadi): মরুভূমিতে হঠাৎ বৃষ্টির ফলে সাময়িক জলধারার সৃষ্টি হয়। এই জলধারাগুলি শুকিয়ে গেলে যে শুষ্ক নদীখাতের সৃষ্টি হয়, তাকে ওয়াদি বলে। এগুলি বছরের বেশিরভাগ সময় শুষ্ক থাকে।
২) পেডিমেন্ট (Pediment): পর্বতের পাদদেশে ক্ষয়জাত পদার্থ বাহিত হয়ে যে মৃদু ঢালু সমতল শিলাতলের সৃষ্টি হয়, তাকে পেডিমেন্ট বলে। এর ঢাল সাধারণত ১° থেকে ৭° এর মধ্যে হয়।
৩) বাজাদা (Bajada): পেডিমেন্টের নিচে একাধিক পলল শঙ্কু পাশাপাশি জুড়ে গিয়ে যে বিস্তীর্ণ সমভূমি গঠন করে, তাকে বাজাদা বলে। এটি নুড়ি, বালি ও পলি দ্বারা গঠিত সঞ্চয়জাত ভূমিরূপ।
৪) প্লায়া (Playa): মরুভূমি বা পর্বতবেষ্টিত অঞ্চলের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত অবনত ভূমিতে জল জমে যে সাময়িক লবণাক্ত হ্রদের সৃষ্টি হয়, তাকে প্লায়া বলে। তীব্র বাষ্পীভবনের কারণে এর জল খুব লবণাক্ত হয়।
৫.১.২ পৃথিবীতে নিয়ত বা স্থায়ী বায়ুপ্রবাহের উৎপত্তি ও গতিপথ চিত্রসহ ব্যাখ্যা করো।
উত্তর: পৃথিবীর চাপ বলয়গুলির ওপর ভিত্তি করে সারা বছর নির্দিষ্ট পথে যে বায়ু প্রবাহিত হয়, তাকে নিয়ত বায়ু বলে। এটি তিন প্রকার:
১) আয়ন বায়ু: কর্কটীয় ও মকরীয় উচ্চচাপ বলয় থেকে নিরক্ষীয় নিম্নচাপ বলয়ের দিকে প্রবাহিত হয়। উত্তর গোলার্ধে উত্তর-পূর্ব এবং দক্ষিণ গোলার্ধে দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে প্রবাহিত হয়। একে বাণিজ্য বায়ুও বলা হয়।
২) পশ্চিমা বায়ু: কর্কটীয় ও মকরীয় উচ্চচাপ বলয় থেকে মেরুবৃত্ত প্রদেশীয় নিম্নচাপ বলয়ের দিকে প্রবাহিত হয়। উত্তর গোলার্ধে দক্ষিণ-পশ্চিম এবং দক্ষিণ গোলার্ধে উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে প্রবাহিত হয়। দক্ষিণ গোলার্ধে এই বায়ু প্রবল বেগে প্রবাহিত হয় (গর্জনশীল চল্লিশা)।
৩) মেরু বায়ু: দুই মেরুদেশীয় উচ্চচাপ বলয় থেকে মেরুবৃত্ত প্রদেশীয় নিম্নচাপ বলয়ের দিকে প্রবাহিত অতি শীতল বায়ু। উত্তর গোলার্ধে উত্তর-পূর্ব এবং দক্ষিণ গোলার্ধে দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে প্রবাহিত হয়।
৫.১.৩ পৃথিবীপৃষ্ঠে বিশ্ব উষ্ণায়নের গুরুত্বপূর্ণ প্রভাবগুলি আলোচনা করো।
উত্তর: বিশ্ব উষ্ণায়ন বা গ্লোবাল ওয়ার্মিং-এর প্রভাবগুলি হলো:
১) জলবায়ু পরিবর্তন: পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধির ফলে আবহাওয়ার প্রকৃতি বদলাচ্ছে, খরা ও বন্যার প্রকোপ বাড়ছে।
২) মেরু অঞ্চলের বরফ গলন: উষ্ণতা বাড়ার ফলে মেরু প্রদেশ ও পার্বত্য হিমবাহ গলছে, যার ফলে সমুদ্রের জলস্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে।
৩) সমুদ্রের জলস্তর বৃদ্ধি: জলস্তর বাড়ার ফলে উপকূলবর্তী নিচু এলাকা ও দ্বীপগুলি (যেমন- সুন্দরবন, মালদ্বীপ) ডুবে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
৪) জীববৈচিত্র্য ধ্বংস: উষ্ণতা বৃদ্ধি ও জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে অনেক উদ্ভিদ ও প্রাণী প্রজাতি বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে।
৫) কৃষি ও স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব: শস্য উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে এবং মশা-মাছি বাহিত রোগের প্রাদুর্ভাব বাড়ছে।
৫.১.৪ সমুদ্রস্রোত সৃষ্টির কারণগুলি ব্যাখ্যা করো।
উত্তর: সমুদ্রস্রোত সৃষ্টির প্রধান কারণগুলি হলো:
১) নিয়ত বায়ুপ্রবাহ: এটি সমুদ্রস্রোত সৃষ্টির প্রধান কারণ। আয়ন বায়ু, পশ্চিমা বায়ু প্রভৃতি বায়ুপ্রবাহ জলরাশিকে নির্দিষ্ট দিকে প্রবাহিত করে।
২) পৃথিবীর আবর্তন গতি: পৃথিবীর আবর্তনের ফলে সৃষ্ট কোরিওলিস বলের প্রভাবে সমুদ্রস্রোত উত্তর গোলার্ধে ডানদিকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বামদিকে বেঁকে যায়।
৩) উষ্ণতার তারতম্য: নিরক্ষীয় অঞ্চলের উষ্ণ জল হালকা হয়ে বহিঃস্রোত রূপে মেরুর দিকে এবং মেরু অঞ্চলের শীতল জল অন্তঃস্রোত রূপে নিরক্ষরেখার দিকে প্রবাহিত হয়।
৪) লবণাক্ততা ও ঘনত্ব: অধিক লবণাক্ত জল ভারী বলে নিচে নেমে যায় এবং কম লবণাক্ত জল হালকা বলে ওপরে থাকে, ফলে ঘনত্বের পার্থক্যে স্রোত সৃষ্টি হয়।
৫.২ যেকোনো দুটি প্রশ্নের উত্তর দাও (৫ x ২ = ১০)
৫.২.১ ভারতের পূর্ব ও পশ্চিম উপকূলীয় সমভূমির প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্যের পার্থক্য আলোচনা করো।
উত্তর: ১) বিস্তার: পশ্চিম উপকূল সংকীর্ণ (গড় ৬৫ কিমি), কিন্তু পূর্ব উপকূল প্রশস্ত (গড় ১০০ কিমি)।
২) বদ্বীপ: পশ্চিম উপকূলের নদীতে বদ্বীপ গঠিত হয়নি, কিন্তু পূর্ব উপকূলের মহানদী, গোদাবরী, কৃষ্ণা, কাবেরী নদীতে বিশাল বদ্বীপ আছে।
৩) উপকূলের প্রকৃতি: পশ্চিম উপকূল ভগ্ন ও দন্তুর, তাই এখানে স্বাভাবিক বন্দর বেশি। পূর্ব উপকূল অভগ্ন, তাই স্বাভাবিক বন্দর কম।
৪) হ্রদ ও কয়াল: পশ্চিম উপকূলে কয়াল (Backwater) দেখা যায়, পূর্ব উপকূলে লেগুন বা উপহ্রদ (চিল্কা) ও বালিয়াড়ি দেখা যায়।
৫) বৃষ্টিপাত: পশ্চিম উপকূলে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে প্রচুর বৃষ্টি হয়, পূর্ব উপকূলে বৃষ্টিপাত কম এবং শীতকালেও বৃষ্টি হয়।
৫.২.২ ভারতে কার্পাস বা তুলো উৎপাদনের অনুকূল ভৌগোলিক পরিবেশের বর্ণনা দাও।
উত্তর: কার্পাস একটি তন্তু জাতীয় ফসল। এর চাষের অনুকূল পরিবেশ:
১) উষ্ণতা: ২০°-২৭° সে. উষ্ণতা প্রয়োজন।
২) বৃষ্টিপাত: ৫০-১০০ সেমি বৃষ্টিপাত আদর্শ।
৩) মৃত্তিকা: চুন ও লবণ মিশ্রিত কৃষ্ণ মৃত্তিকা বা রেগুর মৃত্তিকা কার্পাস চাষের জন্য শ্রেষ্ঠ।
৪) ভূমি: জল নিকাশি ব্যবস্থাযুক্ত সমতল বা মৃদু ঢালু জমি প্রয়োজন।
৫) আবহাওয়া: গাছ বৃদ্ধির সময় আর্দ্র এবং গুটি পাকার সময় রৌদ্রোজ্জ্বল শুষ্ক আবহাওয়া ও অন্তত ২০০টি তুষারমুক্ত দিন প্রয়োজন।
৬) শ্রমিক: গুটি তোলা ও বাছাইয়ের জন্য প্রচুর সুলভ শ্রমিকের প্রয়োজন হয়।
৫.২.৩ পূর্ব ও মধ্য ভারতে লৌহ-ইস্পাত শিল্পের উন্নতির বা কেন্দ্রীভবনের প্রধান কারণগুলি ব্যাখ্যা করো।
উত্তর: পূর্ব ভারতে (দুর্গাপুর, জামশেদপুর, রৌরকেল্লা, ভিলাই) লৌহ-ইস্পাত শিল্পের উন্নতির কারণ:
১) আকরিক লোহা: ওড়িশা ও ঝাড়খণ্ডের খনি (সিংভূম, ময়ূরভঞ্জ) থেকে প্রচুর আকরিক লোহা পাওয়া যায়।
২) কয়লা: রানিগঞ্জ ও ঝরিয়া কয়লাখনি থেকে উন্নত মানের কয়লা পাওয়া যায়।
৩) অন্যান্য খনিজ: চুনাপাথর, ডলোমাইট ও ম্যাঙ্গানিজ স্থানীয় খনি থেকে সহজেই পাওয়া যায়।
৪) জল ও বিদ্যুৎ: দামোদর, সুবর্ণরেখা, মহানদী থেকে জল এবং ডিভিসি ও এনটিপিসি থেকে বিদ্যুৎ পাওয়া যায়।
৫) পরিবহন ও বন্দর: রেলপথের সুব্যবস্থা এবং কলকাতা, হলদিয়া ও পারাদ্বীপ বন্দরের মাধ্যমে পণ্য আমদানি-রপ্তানির সুবিধা রয়েছে।
৫.২.৪ ভারতে জনসংখ্যার অসম বণ্টনের পাঁচটি কারণ বর্ণনা করো।
উত্তর: ১) ভূ-প্রকৃতি: সমতল উর্বর ভূমিতে কৃষি ও যাতায়াত সুবিধার জন্য জনবসতি বেশি (যেমন- গাঙ্গেয় সমভূমি), কিন্তু পার্বত্য বা মালভূমি অঞ্চলে জনবসতি কম।
২) নদনদী ও জলবায়ু: নদীর তীরে জলের প্রাপ্যতা ও অনুকূল জলবায়ু জনবসতি গড়ে উঠতে সাহায্য করে। চরমভাবাপন্ন জলবায়ু বা মরু অঞ্চলে জনসংখ্যা কম।
৩) কৃষি ও শিল্প: উর্বর কৃষি জমি এবং শিল্পাঞ্চল (যেমন- মুম্বাই, হুগলি শিল্পাঞ্চল) কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করে, তাই এখানে জনঘনত্ব বেশি।
৪) পরিবহন ও যোগাযোগ: উন্নত পরিবহন ব্যবস্থা ব্যবসা-বাণিজ্যে সাহায্য করে, তাই সেখানে লোকসংখ্যা বাড়ে।
৫) রাজনৈতিক ও সামাজিক কারণ: রাজনৈতিক অস্থিরতা বা অনুন্নত সামাজিক পরিকাঠামো জনসংখ্যা বৃদ্ধিতে বাধা দেয়।