মাধ্যমিক ২০২৬ পরীক্ষার সময়সীমা
বুক রিভিউ ও সাজেশন
পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদের ২০২৬ সালের মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের জন্য আজকের এই বিশেষ নিবেদন। বাংলা বিষয়ের প্রথম অধ্যায় 'জ্ঞানচক্ষু' (আশাপূর্ণা দেবী) থেকে আমরা বাছাই করা প্রশ্ন ও উত্তর নিয়ে এসেছি। এই পর্বে গল্পের গুরুত্বপূর্ণ বহুবিকল্পভিত্তিক প্রশ্ন (MCQ), অতিসংক্ষিপ্ত এবং সংক্ষিপ্ত প্রশ্নাবলী বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হয়েছে, যা তোমাদের প্রস্তুতির জন্য অত্যন্ত সহায়ক হবে।
Overview & Study Guide
This post provides a comprehensive study guide for the WBBSE Madhyamik 2026 Bengali exam, focusing specifically on the first story: 'Gyanachakshu' by Ashapoorna Devi. We have curated essential questions including MCQs, very short answer type, and short answer type questions to help you secure top marks in your upcoming examination.
আমাদের প্রকাশিত বইসমূহ
- 1. "না কি অতি আহ্লাদে বাক্য হরে গেল?"- এখানে 'হরে গেল' এই শব্দবন্ধটির অর্থ হল- উত্তর: [A] হারিয়ে যাওয়া
- 2. তপনের লেখা গল্পটি নিয়ে চলে গিয়েছিলেন- উত্তর: [B] তপনের ছোটোমেসো
- 3. 'তবু ধন্যি ধন্যি পড়ে যায়'- 'ধন্যি ধন্যি'-র অর্থ হল- উত্তর: [B] প্রশংসা
- 4. 'জ্ঞানচক্ষু' একটি- উত্তর: [B] ছোটো গল্প
- 5. তপনের লেখা গল্পটি সংশোধন করে দিয়েছিলেন- উত্তর: [B] তপনের ছোটো মেসো
- 6. যাকে দেখে তপনের চোখ মার্বেলের মতন হয়ে গেল- উত্তর: [C] নতুন মেশোমশাইকে
- 7. তপনের চোখ মার্বেল হয়ে যাওয়ার অর্থ- উত্তর: [A] অবাক হয়ে যাওয়া
- 8. নতুন মেসোমশাই ছিলেন একজন- উত্তর: [C] লেখক
- 9. "কথাটা শুনে ________ চোখ মার্বেল হয়ে গেল!" (শূন্যস্থানে শব্দ বসাও) উত্তর: [A] তপনের
- 10. এ বিষয়ে সন্দেহ ছিল তপনের। সন্দেহের বিষয়টি হল লেখকরা- উত্তর: [D] মানুষ
- 11. মেশোমশাই যে পত্রিকার সম্পাদককে চিনতেন- উত্তর: [B] সন্ধ্যাতারা
- 12. 'শুধু এইটাই জানা ছিল না।' অজানা বিষয়টি হল- উত্তর: [C] মানুষই গল্প লেখে
- 13. "আমাদের থাকলে আমরাও চেষ্টা করে দেখতাম।"- কথাটি বলেছেন- উত্তর: [C] মেজো কাকু
- 14. 'জ্ঞানচক্ষু' গল্পে 'জহুরি বলতে যাকে বোঝানো হয়েছে তিনি হলেন- উত্তর: [A] নতুন মেসো
- 15. ছোটোমেসো তপনদের বাড়িতে বেড়াতে এসেছিলেন সঙ্গে নিয়ে- উত্তর: [A] সন্ধ্যাতারা পত্রিকা
- 16. তপনের লেখা গল্পের নাম ছিল- উত্তর: [C] প্রথম দিন
- 17. গল্প লেখক তপন-এর সম্পূর্ণ নাম হল- উত্তর: [B] তপনকুমার রায়
- 18. বাড়িতে তপনের নাম হয়ে গেছিল- উত্তর: [D] কবি, সাহিত্যিক, কথাশিল্পী
- 19. 'এ দেশের কিছু হবে না।'- এই কথাটির প্রবক্তা হলেন- উত্তর: [C] ছোটো মেসো
- 20. তপনের লেখা গল্প তার মেসোমশাইকে দিয়েছিল- উত্তর: [A] ছোটোমাসি
- 21. তপনের ছোটো মাসি তপনের চেয়ে বড়ো ছিলেন- উত্তর: [B] আট বছরের
- 22. "তাই অহরহই জলজ্যান্ত একজন লেখককে দেখবার সুযোগ হবেই তপনের।”-এখানে 'অহরহ' বলতে বোঝানো হয়েছে- উত্তর: [C] প্রতিদিন
- 23. "কি রে তোর যে দেখি পায়াভারী হয়ে গেল” 'পায়াভারী' শব্দটির অর্থ হল- উত্তর: [A] অহংকারী হয়ে যাওয়া
- 24. তপন মোট গল্প লিখেছিল- উত্তর: [B] দুটো
- 25. "তপন বিহ্বল দৃষ্টিতে তাকায়। - তপনের দৃষ্টিতে কী ছিল? উত্তর: [C] অবিশ্বাস
আমাদের প্রকাশিত বইসমূহ
- 1. "বাবা, তোর পেটে পেটে এত।"-এটি কোন্ প্রকার বাক্য? উত্তর: "বাবা, তোর পেটে পেটে এত।"-এটি একটি বিস্ময়বোধক বাক্য।
- 2. "বাবা, তোর পেটে পেটে এত”- কে কোন্ প্রসঙ্গে একথা বলেছিলেন? উত্তর: আশাপূর্ণাদেবী রচিত 'জ্ঞানচক্ষু' গল্পে তপন যে একটি আস্ত গল্প লিখে ফেলেছে এবং তার ছোটো মেসো ছাপিয়ে দেবেন-তা বাড়ির কেউ বিশ্বাস করেননি, বরং তাকে নিয়ে নানারকম ঠাট্টা-তামাশা হয়েছে। অবশেষে তপনের গল্প প্রকাশিত হয়ে যাওয়ায় তার মা তাকে উপরোক্ত কথাটি বলেছিলেন।
- 3. "আর তোমরা বিশ্বাস করবে কিনা জানি না...."-এখানে কোন্ ঘটনার কথা বলা হয়েছে? উত্তর: এক জায়গায় বসে তপনের একটা আস্ত গল্প লিখে ফেলার প্রসঙ্গে উপরোক্ত মন্তব্যটি করা হয়েছে।
- 4. "যেন নেশায় পেয়েছে!"-এখানে কোন্ নেশার কথা বলা হয়েছে? উত্তর: তপনের গল্প লেখার নিরলস চেষ্টার কথা এখানে বলা হয়েছে। হোম টাস্ক ফেলে রেখে, লুকিয়ে লুকিয়েও সে গল্প লিখে গেছে।
- 5. "শুধু এই দুঃখের মুহূর্তে গভীরভাবে সংকল্প করে তপন”- তপনের সংকল্প কী ছিল? উত্তর: তপন সংকল্প করেছিল যে, যদি কখনো লেখা ছাপাতে হয়, তাহলে তপন নিজে গিয়ে তা পত্রিকার অফিসে জমা দেবে।
- 6. কেন তপন হঠাৎ একটা ভয়ানক উত্তেজনা অনুভব করেছিল? উত্তর: গ্রীষ্মের নিথর দুপুরে সিঁড়িতে নিরিবিলিতে একাসনে বসে একটা আস্ত গল্প শেষ করে তপন। সেটা পড়ার পরে ভয়ানক উত্তেজনায় তপন 'লেখক' হয়ে ওঠার অনুভূতি অনুভব করেছিল।
- 7. "কথাটা শুনে তপনের চোখ মার্বেল হয়ে গেল।"- কোন্ কথা শুনে তপনের চোখ মার্বেল হয়ে গেল? উত্তর: তপন তার বালক বয়সে কোনোদিন কোনো লেখককে স্বচক্ষে দেখেনি। কবি-লেখকরাও যে আমাদের মতো সাধারণ বাস্তব জগতের প্রাণী এ কথাই তপন জানত না। তাই সে যখন শুনল যে, তার সদ্যবিবাহিতা ছোটোমাসির স্বামী অর্থাৎ তার নতুন মেসো একজন লেখক-তখন বিস্ময়ে তার চোখ মার্বেলের মতো হয়ে গেল।
- 8. লেখালেখি ছাড়া তপনের নতুন মেসোর পেশা কী? উত্তর: লেখালেখি ছাড়া তপনের নতুন মেসো কলেজের একজন অধ্যাপক।
- 9. "তপনের মনে হয় আজ যেন তার জীবনের সবচেয়ে দুঃখের দিন”- দিনটিতে কোন্ উল্লেখযোগ্য ঘটনা ঘটেছিল? উত্তর: তপনের জীবনে প্রথমবার তার লেখা গল্প 'সন্ধ্যাতারা' নামক পত্রিকায় ছাপা হয়েছিল। কিন্তু ছাপার পর দেখা যায় যে, তার গল্পের অনেকাংশই লেখক মেসো সংশোধনের নামে নতুন করে লিখেছিলেন। এই ঘটনায় ব্যথিত তপনের মনে হয়েছিল, আজ যেন তার জীবনের সবচেয়ে দুঃখের দিন।
আমাদের প্রকাশিত বইসমূহ
- 1. "এ বিষয়ে সন্দেহ ছিল তপনের।"- কোন বিষয়ে কেন তপনের সন্দেহ ছিল? উত্তর: তপনের সন্দেহ নিরশন: আশাপূর্ণা দেবী রচিত জ্ঞানচক্ষু নামক গল্প থেকে অংশটি গৃহীত হয়েছে। তপন জানত না যে, লেখকরা তার বাবা, কাকা কিংবা মামার মতো একজন সাধারণ মানুষ। তার সন্দেহ দূর হয় ছোটো মেসোমশাইকে দেখে। তিনি একজন লেখক। কিন্তু অন্য সাধারণ মানুষের মতো দাড়ি কামান। সিগারেট খান, খাবার অতিরিক্ত হলে ফিরিয়ে দেন, স্নান করেন, ঘুমোন। এমনকি আর সকলের মতো খবরের কাগজের খবর নিয়ে গল্প কিংবা তর্ক করেন। অবসর সময়ে সিনেমা দেখেন কিংবা বেড়াতেও বের হন। এসব দেখে তপনের সন্দেহ দূর হয় ও সে বিশ্বাস করে লেখকরাও সাধারণ মানুষ।
- 2. রত্নের মূল্য জহুরির কাছে। রত্ন এবং জহুরি বলতে কী বোঝানো হয়েছে? উত্তর: রত্ন ও জহুরি: আশাপূর্ণা দেবী রচিত জ্ঞানচক্ষু নামাঙ্কিত গল্পে রত্ন বলতে তপনের লেখা গল্পটিকে এবং জহুরি বলতে তপনের ছোটো মেসোকে বোঝানো হয়েছে। তপন যে গল্পটি লিখেছিল তা দেখে তার ছোটো মাসি যথেষ্ট ভালো বললেও প্রকৃত বিচারকের রায় দরকার ছিল তপনের। আর এই বিষয়ে লেখক হিসাবে পরিচিত তার ছোটোমেসো যে যোগ্য ব্যক্তি তাতে কারো সন্দেহ থাকতে পারে না। তাই রত্নের মূল্য ও গুরুত্ব যেমন একজন জহুরি সবথেকে ভালো বোঝেন। তেমনই তপনের গল্পের কদরও ছোটোমেসোই বুঝতে পারবে।
- 3. তপনের মনে হয় আজ যেন তার জীবনে সবচেয়ে দুঃখের দিন। কী কারণে তপনের এরূপ মনে হয়েছিল? উত্তর: তপনের মনে হওয়ার কারণ: তপনের প্রথম লেখা গল্পটি নতুন মেসোমশাই-এর সুপারিশে সন্ধ্যাতারা পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল। ছাপা গল্পটি পাঠ করে তপন অবাক হয়ে যায়। কারণ তার নতুন মেসোমশাই গল্পটিকে ঠিকঠাক করতে গিয়ে সম্পূর্ণ পাল্টে দিয়েছেন। ছাপানো গল্পের মধ্যে তপন নিজেকে খুঁজে পায় না। তার মনে হয় অন্য কারোর লেখা ছাপা হয়েছে। শ্রী তপন কুমার রায় নাম দিয়ে। নিজের সৃষ্টিকে পরিবর্তিত হতে দেখে তপনের মন বেদনায় ভরে ওঠে।
- 4. "শুধু এ দুঃখের মুহূর্তে গভীরভাবে সংকল্প করে তপন।”- কোন দুঃখের মুহূর্তের কথা বলা হয়েছে। তপন কী সংকল্প নিয়েছিল? উত্তর: দুঃখের মুহূর্ত: সন্ধ্যাতারা পত্রিকায় নিজের ছাপা গল্প পড়তে গিয়ে যখন তপন বুঝল গল্পটি ছোটো মেসোমশাই আগাগোড়া কারেকশান করে দিয়েছেন। নিজের গল্পে নিজেকে না পেয়ে তপন খুব দুঃখ পেয়েছিল। তপনের সংকল্প: এই দুঃখের মুহূর্তে তপন সংকল্প করে, যদি কখনো নিজের লেখা ছাপতে দেয়, তবে কারো মাধ্যমে নয়, নিজে গিয়ে পত্রিকা অফিসে দিয়ে আসবে। যদি তাতে তার গল্প ছাপা না হয় তবুও। কারণ কেউ সুপারিশ করে তার লেখা ছেপে দিয়েছে এমন কথা যেমন অপমানের, তেমনই কষ্টের। নিজের লেখা পড়তে গিয়ে অন্যের লেখা পড়া খুবই কষ্টকর।
- 5. "ক্রমশ ও কথাটা ছড়িয়ে পড়ে।”- কোন কথা, ওই কথা ছড়িয়ে পড়ায় কী ঘটেছিল? উত্তর: কারেকশানের কথা: তপনের প্রকাশিত গল্পটি আসলে ছোটো মেসোমশাই কিছুটা কারেকশান করে দিয়েছেন-এই কথাটা ক্রমশ ছড়িয়ে পড়ে বাড়িতে। মেসোর মহত্তের কথা ছোটো মেমোমশাই-এর কারেকশানের কথা বাড়ির সবাই জেনে গেলে তপনের গল্প লেখার কৃতিত্ব খানিকটা কমে যায়। তপনের বাবা, কাকা, ছোটো মেসোমশাই-এর হাতের ছোঁয়াকে বেশি গুরুত্ব দিতে চান। সেদিন পারিবারিক আলোচনায় তপনের গল্পের কথা উঠলেও নতুন মেসোর মহত্ত্বের কথা ঘুরে ফিরে আসে।
- 6. "বুকের রক্ত ছলকে ওঠে তপনের”- কখন এবং কেন তপনের এরকম অনুভূতি হয়েছিল? উত্তর: তপনের অনুভূতি: পুজোর ছুটির অনেকদিন পর ছোটোমাসি আর মেসোমশাই হাতে একখানা সন্ধ্যাতারা পত্রিকা নিয়ে তপনদের বাড়িতে বেড়াতে এসেছিলেন। সেই দিন তপনের এইরকম অনুভূতি হয়েছিল। সাহিত্য রচনা এবং প্রকাশ সম্পর্কে তপনের দারুণ কৌতূহল ছিল তাই ছোটো মেসোমশাই তার লেখা গল্প সন্ধ্যাতারা পত্রিকায় ছাপানোর জন্য যখন নিয়ে গিয়েছিলেন তখন তপন উৎসাহিত হয়। তবে অপেক্ষা করতে করতে তপন গল্প প্রকাশের আশা ছেড়ে দিয়েছিল। ঠিক এই সময় ছোটো মাসি আর মেসোমশাই সন্ধ্যাতারা পত্রিকা নিয়ে তাদের বাড়িতে আসায় তার গল্প প্রকাশের আবেগ উৎকণ্ঠায় তপনের এরকম অনুভূতি হয়েছিল।
- 7. পৃথিবীতে এমন অলৌকিক ঘটনাও ঘটে, কার মধ্যে কেন এমন ভাবনার উদয় হয়েছিল? উত্তর: ভাবনার উদয়: গল্পের প্রধান চরিত্র তপনের মধ্যে এমন ভাবনার উদয় হয়েছিল। তপনের লেখা গল্প ছাপা হয়ে প্রকাশিত হবে। এটা ছিল তপনের কাছে কল্পনার অতীত। ফলে মেসোর হাতে সন্ধ্যাতারা পত্রিকা দেখে তপনের বুকের রক্ত ছলকে ওঠে। তবে কী সত্যিই তার গল্প ছাপা হয়েছে এবং সে লেখা হাজার হাজার ছেলের হাতে ঘুরবে। তপনের কাছে এটা একটা অলৌকিক ঘটনা বলে মনে হয়।
- 8. 'যেন নেশায় পেয়েছে'- কীসের নেশা, কীভাবে তাকে নেশায় পেয়েছে? উত্তর: লেখার নেশা: আশাপূর্ণা দেবীর জ্ঞানচক্ষু গল্পে তপনের গল্প লেখার নেশার কথা বলা হয়েছে। লেখার প্রতি আসক্তি: তপন একজন সাহিত্য প্রেমী বালক। গল্প লেখা ও সেগুলি ছাপা ইত্যাদি বিষয় সম্পর্কে তার প্রচণ্ড কৌতূহল ছিল। মাসির বিয়ের পর লেখক মেসোমশাইকে খুব কাছ থেকে দেখতে পায় এবং গল্প লেখার রহস্যও তার কাছে পরিষ্কার হয়ে যায়। তপন একটি গল্প লিখে ছোটোমাসিকে দেখালে মাসি সেটা মেসোমশাইকে দেখায়। তখন তিন সেটা পত্রিকায় ছাপিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়। এতে আরও উৎসাহিত হয়ে তপন একের পর এক গল্প লেখার নেশায় মগ্ন হয়ে ওঠে।
- 9. 'সারা বাড়িতে শোরগোল পড়ে যায়'- সারা বাড়িতে শোরগোল পড়ে যাওয়ার কারণ কী? উত্তর: শোরগোল পড়ে যাওয়ার কারণ: প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে তপনের লেখা গল্প ছেপে বেরোলে সারা বাড়িতে শোরগোল পড়ে যায়। জ্ঞানচক্ষু গল্পে দেখা যায়-তপনের কাঁচা হাতের গল্পটিকে মেসো সংশোধন করে নিজের প্রভাব খাটিয়ে সন্ধ্যাতারা সম্পাদককে দিয়ে প্রকাশ করিয়েছেন। জীবনের প্রথম গল্প ছাপার অক্ষরে প্রকাশিত হলে অনাবিল উত্তেজনায় তপন আনন্দে মাতোয়ারা হয়। আর সেই খবরে সারা বাড়িতে শোরগোল পড়ে যায়।
উপসংহার
আশাপূর্ণা দেবীর 'জ্ঞানচক্ষু' গল্প থেকে নির্বাচিত এই প্রশ্নগুলো ২০২৬ সালের মাধ্যমিক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তোমরা পাঠ্যবইটি খুঁটিয়ে পড়ার পাশাপাশি এই প্রশ্নগুলো ভালোভাবে অভ্যাস করো। বিশেষ করে গল্পের নামকরণের সার্থকতা এবং তপনের চরিত্র বিশ্লেষণ সংক্রান্ত প্রশ্নগুলো পরীক্ষায় আসার সম্ভাবনা প্রবল। নিয়মিত অভ্যাসের মাধ্যমে তোমরা নিশ্চয়ই কাঙ্ক্ষিত সাফল্য অর্জন করবে।
Conclusion
We hope this suggestion for the chapter 'Gyanachakshu' helps you in your preparation for the Madhyamik 2026 Bengali exam. Focus on understanding the core theme of the story and practice writing the answers to these questions within the word limit. Consistent practice and a thorough understanding of the text will surely guide you towards success. Best of luck!