মাধ্যমিক ২০২৬ পরীক্ষার সময়সীমা
বুক রিভিউ ও সাজেশন
পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদের দশম শ্রেণীর ভৌতবিজ্ঞান পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য এই পোস্টটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এখানে প্রথম অধ্যায় 'পরিবেশের জন্য ভাবনা' থেকে বাছাই করা প্রশ্ন ও উত্তর দেওয়া হয়েছে। পরিবেশ, গ্রিনহাউস এফেক্ট, ওজোন স্তর এবং শক্তির উৎস সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। এই সাজেশনটি ২০২৬ সালের মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি। আশা করি এটি তোমাদের প্রস্তুতিতে অনেক সাহায্য করবে।
Overview & Study Guide
This post provides a comprehensive study guide for the WBBSE Madhyamik 2026 Physical Science exam, focusing specifically on Chapter 1: 'Concern for Environment'. We have curated essential questions covering greenhouse gases, ozone layer depletion, and renewable energy sources. Key topics such as the analysis of global warming potential and the role of alternative fuels are highlighted to help you secure top marks in your upcoming examination.
আমাদের প্রকাশিত বইসমূহ
প্রথম অধ্যায়: পরিবেশের জন্য ভাবনা (সাজেশন ও প্রশ্নোত্তর)
- 1. প্রদত্ত কোল্টি গ্রিনহাউস গ্যাস নয়- উত্তর: [B] O₂
- 2. গ্রিনহাউস এফেক্টের জন্য দায়ী- উত্তর: [C] IR-রশ্মি
- 3. বায়োগ্যাসের মূল উপাদান হল- উত্তর: [A] মিথেন
- 4. অপ্রচলিত ও পুনর্নবীকরণযোগ্য নয়- উত্তর: [A] পারমাণবিক শক্তি
- 5. সৌরকোশে ব্যবহৃত অর্ধপরিবাহীটির নাম- উত্তর: [D] সিলিকন
আমাদের প্রকাশিত বইসমূহ
- 1. পৃথিবী প্রতিদিন গড়ে ______ সৌরশক্তি গ্রহণ করে। উত্তর: 1.4 kw/m²
- 2. পশ্চিমবঙ্গের ______ ভূসাগরীয় শক্তিতে সমৃদ্ধ একটি অঞ্চল। উত্তর: বক্রেশ্বর।
- 3. ত্বকে ক্যানসার হয় ______ স্তর ক্ষয়ের ফলে। উত্তর: ওজোন।
- 4. প্রতি অণু মিথেনের তাপ আটকে রাখার ক্ষমতা প্রতি অণু CO₂ -এর তুলনায় প্রায় ______ গুণ বেশি। উত্তর: 25।
আমাদের প্রকাশিত বইসমূহ
- 1. অসময়ে চোখে ছানি পড়ে কালো রশ্মির প্রভাবে। - মিথ্যা
- 2. বিশুদ্ধ শুষ্ক বাতাসে (CO₂) এর পরিমাণ প্রায় 0.032%। - সত্য
- 3. C.F.C-এর পুরো নাম হল ক্লোরেফিল কার্বন। - মিথ্যা
- 4. বায়োডিজেল উদ্ভিজ তেল থেকে তৈরি করা হয়। - সত্য
আমাদের প্রকাশিত বইসমূহ
| 'অ' স্তম্ভ | 'আ' স্তম্ভ |
|---|---|
| 1. নাইট্রোজেন | (a) ওজোন স্তর ছিদ্রের জন্য দায়ী |
| 2. জলীয় বাষ্প | (b) সমুদ্রবায়ু |
| 3. C.F.C. | (c) গ্রিন হাউস গ্যাস |
| 4. পরিচলন স্রোত | (d) গ্রিন হাউস গ্যাস নয় |
| 'অ' স্তম্ভ | 'আ' স্তম্ভ |
|---|---|
| 1. জেট প্লেন চলাচল করে | (a) ট্রপোস্ফিয়ার |
| 2. ক্ষুব্ধ মণ্ডল | (b) এক্সোস্ফিয়ার |
| 3. বেতার তরঙ্গ প্রতিফলিত হয় | (c) স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার |
| 4. আয়নোস্ফিয়ারের পরের স্তরটি হল | (d) আয়নোস্ফিয়ার |
আমাদের প্রকাশিত বইসমূহ
- 1. ওজোন স্তরের ঘনত্বকে কোন্ এককে প্রকাশ করা হয়? উত্তর: ডবসন এককে।
- 2. ওজোন গহবর (Ozone Hole) কী? উত্তর: প্রাকৃতিক ও মনুষ্যসৃষ্ট কারণে স্ট্রাটোস্ফিয়ারের ওজোন স্তর পাতলা হয়ে যাওয়ার ঘটনাকে ওজোন গহ্বর বলে।
- 3. বায়ুমণ্ডলের কোন্ স্তর উষ্ণতা ও জলচক্র নিয়ন্ত্রণ করে? উত্তর: ট্রোপোস্ফিয়ার বা ক্ষুব্ধমণ্ডল স্তর।
- 4. বায়োগ্যাস প্ল্যান্টে যে সব ব্যাকটিরিয়া বায়োমাসকে মিথেন গ্যাসে বিয়োজিত করে, তাদের কী বলা হয়? উত্তর: মেথোনোজেনিক ব্যাকটেরিয়া।
- 5. মিথেন হাইড্রেটকে Fire Ice বলে কেন? উত্তর: মিথেন গ্যাস প্রকৃতিতে দাহ্য হওয়ায় মিথেন হাইড্রেট আগুনের সংস্পর্শে আসা মাত্র জ্বলতে থাকে, তাই একে Fire Ice বলা হয়।
- 6. ইউন্ডমিলে বায়ুশক্তি থেকে কোন্ শক্তি উৎপন্ন হয়? উত্তর: বায়ুশক্তি থেকে বিদ্যুৎশক্তি।
- 7. SI পদ্ধতিতে তাপনমূল্যের একক কী? উত্তর: কিলোজুল/কেজি।
- ৪. বায়ুকল আছে পশ্চিমবঙ্গের এমন একটি জায়গার নাম লেখো। উত্তর: সাগরদ্বীপ।
- 9. হ্যালোনসমূহ (Halons) কী? উত্তর: হ্যালোনসমূহ হল হ্যালোকার্বন, এতে হ্যালোজেন রূপে প্রধানত ব্রোমিন বর্তমান। যেমন-হ্যালোন 1211 (CF₂BrCl)।
- 10. বায়োফুয়েল কী? উত্তর: জৈব পদার্থকে পচিয়ে যে তরল জ্বালানি প্রস্তুত করা হয়, তাকে বায়োফুয়েল বলা হয়।
আমাদের প্রকাশিত বইসমূহ
- 1. কোনো স্থানের বায়ুর উষ্ণতার তারতম্যের কারণ হিসাবে উচ্চতার প্রভাব ব্যাখ্যা করো। উত্তর: সূর্য থেকে আগত তাপ বায়ুমণ্ডলকে উত্তপ্ত না করে সরাসরি পৃথিবীকে অর্থাৎ ভূপৃষ্ঠকে উত্তপ্ত করে। প্রথমে ভূপৃষ্ঠ সংলগ্ন বায়ুস্তর পরিচলন পদ্ধতিতে উত্তপ্ত হয়, ভূপৃষ্ঠ থেকে যত ওপরে ওঠা যায়, ততই বায়ুর উষ্ণতা ক্রমশ কমতে থাকে। প্রতি কিমি উচ্চতা বৃদ্ধির জন্য বায়ুর উষ্ণতা প্রায় 6.5°C হারে কমে।
- 2. গ্রিনহাউস গ্যাস ও গ্লোবালওয়ার্মিং-এর সম্পর্ক লেখো। উত্তর: বায়ুমণ্ডলে অবস্থিত যে সকল গ্যাস দীর্ঘতরঙ্গ যুক্ত অবলোহিত আলো শোষণ করে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধি ঘটায়, তাদের গ্রিনহাউস গ্যাস বলা হয়। প্রাকৃতিক ও মনুষ্যসৃষ্ট কারণে গ্রিনহাউস গ্যাসগুলির বৃদ্ধির ফলে পৃথিবীর গড় উষ্ণতা মাত্রাতিরিক্ত বেড়ে যাচ্ছে যাকে গ্লোবাল ওয়ার্মিং বলা হয়।
- 3. স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারের ওজোনকে 'পৃথিবীর রক্ষাকারী' বলে কিন্তু ট্রোপোস্ফিায়িারের ওজোনকে 'দুষ্ট ওজোন' বলে কেন? উত্তর: ট্রোপোস্ফিয়ারের ওজোন সূর্য থেকে আগত ক্ষতিকর UV-Ray থেকে পৃথিবীকে রক্ষা করে, তাই স্ট্রাটোস্ফিয়ারের ওজোনকে 'পৃথিবীর রক্ষাকারী' বলা হয়। অন্যদিকে ট্রোপোস্ফিয়ারের ওজোন ধোঁয়াশা সৃষ্টি করে, উদ্ভিদের ক্লোরোফিল কমিয়ে সালোকসংশ্লেষ হ্রাস করে, তাই ট্রোপোস্ফিয়ারের ওজোনকে 'দুষ্ট ওজোন' বলা হয়।
- 4. জ্বালানির তাপনমূল্য বলতে কী বোঝো? LPG-এর তাপনমূল্য কত? উত্তর: একক ভর বিশিষ্ট কোনো জ্বালানির সম্পূর্ণ দহনে যে পরিমাণ তাপশক্তি উৎপন্ন হয়, তাকে ওই জ্বালানির তাপনমূল্য বলে। LPG-এর তাপনমূল্য হল 50 KJ/g।
- 5. বিশ্ব উষ্ণায়ন নিয়ন্ত্রণের দুটি উপায় লেখো। উত্তর: (i) কয়লা, পেট্রোল, ডিজেল ইত্যাদি জ্বালানির ব্যবহার কমিয়ে অপ্রচলিত শক্তির উৎসের ব্যবহার বাড়াতে হবে। (ii) CFC-এর ব্যবহার কমাতে হবে ও জনসচেতনতা বাড়াতে হবে।
আমাদের প্রকাশিত বইসমূহ
1. জীবাশ্ম জ্বালানি সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তাগুলি উল্লেখ করো।
উত্তর: জীবাশ্ম জ্বালানি সংরক্ষণ করা বিশেষ প্রয়োজন, কারণ- (i) জীবাশ্ম জ্বালানির যথেচ্ছ ব্যবহারের ফলে এর ভাণ্ডার ক্রমেই ফুরিয়ে আসছে। জীবাশ্ম জ্বালানি তৈরি হতে ভূ-গর্ভে কোটি কোটি বছর সময় লাগে তাই যথেচ্ছভাবে ব্যবহার করলে অদূরভবিষ্যতে পৃথিবীর সমস্ত জীবাশ্ম জ্বালানি নিঃশেষিত হবে। (ii) জীবাশ্ম জ্বালানির অতিরিক্ত ব্যবহার কমালে তার দহনে উৎপন্ন CO₂ গ্যাসের পরিমাণও বাতাসে কম হবে ফলে বায়ুদূষণ কম ঘটবে। (iii) জীবাশ্ম জ্বালানির উৎসগুলি পুনর্নবীকরণযোগ্য নয়। (iv) জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার নিয়ন্ত্রিত করলে গ্রিনহাউস গ্যাসের পরিমাণ হ্রাস পাবে, ফলে বিশ্বউন্নায়নের মাত্রা কমবে।
2. সৌরশক্তি ব্যবহারের সুবিধা কী কী?
উত্তর: (i) সৌরশক্তি প্রবহমান ও অফুরন্ত, নিঃশেষ হবার সম্ভাবনা নেই। (ii) সৌরশক্তি ব্যবহারে পরিবেশ দূষিত হয় না। জীবাশ্ম জ্বালানিগুলি থেকে শক্তি উৎপাদনের সময় কার্বন ডাই-অক্সাইড নির্গত হয় যা বিশ্বউন্নায়নের মূল কারণ। (iii) সৌরপ্যানেল ও ব্যাটারির সাহায্যে অতি সাধারণ পদ্ধতিতে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যায়। (iv) প্রত্যন্ত পাহাড়ি বা দুর্গম অঞ্চলে, কম মূলধনে ঝুঁকিহীনভাবে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব।
3. বায়োফুয়েল কয় প্রকার ও কী কী? প্রত্যেক প্রকারের উদাহরণ ও ব্যবহার উল্লেখ করো।
উত্তর: বায়োফুয়েল তিন প্রকার, যথা-(i) কঠিন বায়োফুয়েল (কাঠ, বাঁশ, খড়): গ্রামীণ এলাকায় রান্নার কাজে ব্যবহৃত হয়। (ii) তরল বায়োফুয়েল (বায়োইথানল, বায়োডিজেল): গাড়ির জ্বালানিরূপে ব্যবহার করা হয়। (iii) গ্যাসীয় বায়োফুয়েল (গোবর গ্যাস): জ্বালানিরূপে ও আলো উৎপাদনের কাজে ব্যবহার করা হয়।
4. ভূতাপশক্তি ব্যবহারের সুবিধা ও অসুবিধাগুলি উল্লেখ করো।
উত্তর: সুবিধা: (i) ভূ-তাপশক্তির জোগান অফুরন্ত। (ii) এই শক্তির জোগান অবাধ ও নিরবচ্ছিন্ন অর্থাৎ এই শক্তি 24 ঘণ্টা ধরে সরবরাহ করা সম্ভব। (iii) এই শক্তি সরাসরি ব্যবহার করলে গ্রিনহাউস গ্যাসগুলি পরিবেশে মুক্ত হয় না বলে পরিবেশ দূষিত হয় না।
অসুবিধা: (i) ভূ-তাপশক্তি উৎপাদন কেন্দ্র নির্মাণ করা অত্যন্ত ব্যয়বহুল। (ii) ভূগর্ভ থেকে উদ্বুজলের সঙ্গে বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থ ভূপৃষ্ঠে চলে আসে, যা ক্ষতিকর। (iii) উৎপাদন ক্ষমতা কম বলে সীমিত ক্ষেত্রে ব্যবহারযোগ্য।
আমাদের প্রকাশিত বইসমূহ
উপসংহার
আশা করি এই ভৌতবিজ্ঞান সাজেশনটি তোমাদের উপকারে আসবে। পরিবেশের জন্য ভাবনা অধ্যায়ের প্রতিটি প্রশ্ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তোমরা এই প্রশ্নগুলো ভালো করে অভ্যাস করো। তোমাদের পরীক্ষার সাফল্যের জন্য আমরা সবসময় পাশে আছি। ভালো ফলাফল করতে হলে নিয়মিত পড়াশোনা এবং অধ্যাবসায় প্রয়োজন। শুভকামনা রইল সকল মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের জন্য।
Conclusion
We hope this Physical Science suggestion helps you in your preparation. Every question from the 'Concern for Environment' chapter is crucial. Practice these questions thoroughly. We are always here to support your exam success. Consistent study and perseverance are key to good results. Best wishes to all Madhyamik candidates.